আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।
১)"নফলের মাধ্যমে আল্লাহ ফরজের ঘাটতি পূরণ করবেন" এটা কি সঠিক হুজুর?
২) অনেক মাস/বছরের কাযা নামাজ থাকলে সেগুলো আদায় করতে হবে এটা নিয়ে কি সব আলেমরা একমত?
৩)রিজিক বৃদ্ধির জন্য সূরা ওয়াকিয়া এশার নামাজের পর বা রাতে ঘুমানোর আগে পড়লে হবে?নাকি সবসময় মাগরিবের পরেই পড়তে হবে?
৪)নামাজের ভিতর নড়াচড়া করা যাবেনা।এক রুকন সমপরিমাণ এমনটি করলে নামাজ ভেঙ্গে যাবে। এখানে "এক রুকন সমপরিমাণ" মানে কি হুজুর?
৫) জীবনসঙ্গী এবং শ্বশুরবাড়ির মানুষ নিয়ে অনেক বোনেরাই বিস্তারিত দুআ করেন।এভাবে বিস্তারিত দুআ করা জায়েজ আছে?
৬)দুনিয়াতে ধরুন রাস্তায় একটা বিড়াল অথবা কোনো মুরগী দেখলাম। আল্লাহ তায়ালাকে যদি বলি "জান্নাতে আমাকে ঐ বিড়াল অথবা মুরগীটাকে দিয়েন " তাহলে কি আল্লাহ তায়ালা আমার দোয়া কবুল করে জান্নাতে আমাকে দিবেন আমার ঐ পছন্দের প্রাণীকে?
৭)বিতর নামাজের তৃতীয় রাকাতে আমি প্রথমে সূরা ফাতিহা পড়ি তারপর সূরা ইখলাস পড়ি। তারপর হাত ছেড়ে দেই। তারপর আবার হাত উঁচু করে আল্লাহু আকবার বলে হাত বেঁধে শুধু "আল্লাহুম্মাগফিরলানা" এইটুকু তিনবার পড়ি।এটা কি ঠিক আছে?