0 votes
44 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (55 points)
কোন এক সামি নিজেকে উদ্দেশ্য করে বলেছিল সে (৷৷৷৷৷৷) ,  তখন সেই সামির স্ত্রি মনে করে সামি যেহেতু ()))))))) এই কথা বলেছে তাই হয়ত তাদের ((((((())))) হয়ে  গেছে কিন্তু স্ত্রি জানত না যে সামি নিজেকে উদ্দেশ্য করে বললে কিছু হয় না

তখন সেই স্ত্রি একজন মুফতি কে ফোন দেয় এবং এভাবে প্রস্ন করে,,,,,

 হুযুর আমার সামি নিজেকে উদ্দেশ্য  করে কথাটা বলেছে কিন্তু আমি জানতাম যে সামি নিজেকে উদ্দেশ্য করে বললে সমস্যা হয় না,  তখন আমি মনে মনে এই বিসয় নিয়ে চিন্তা করি,  চিন্তা করতে করতে মনে হয়  যে, আমার সামি যেহেতু ২ বার কথাটা বলেছে তাই যদি আমি ২ বার ও নিজের উপর (((((())))) ধরে নেই তাও ত আমাদের সম্পক ঠিক আছে,  হুযুর আমার এমন মনে হউএর জন্য কি সমস্যা হবে, এই কথা স্ত্রি মুখে বলেছে মুফতি সাহেব কে

হুযুর স্ত্রি মুফতি সাহেব কে প্রস্ন করেছে জানার জন্য এভাবে মনে মনে কিছু ভেবে নেওয়ার জন্য সমস্যা হবে কি সেটা জানার জন্য, কিন্তু স্ত্রি এর ভয় হচ্ছে যে এভাবে মুখে বলার জন্য সমস্যা হল কিনা এইভেবে

১)))হুযুর স্ত্রি এর এভাবে মুফতি কে প্রস্ন করার জন্য আর নিজের মনে হউয়া কথার বিবরন মুখে বলার জন্য কি ((((()))) এর সিকারক্তি হবে, এতে কি সমস্যা হবে

২) কেও একজন যদি এতটুকু লিখে যে, নিজের নফস কে ((((())))) দেওয়ার মাসালা তাহলে কি সমস্যা হবে

আমি ওয়াস ওয়াসার দারা আক্রান্ত হওয়ায় শব্দ টা লিখি নাই একটু বুযে নিবেন

1 Answer

0 votes
by (469,840 points)
edited by

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
https://www.ifatwa.info/1379 নং ফাতাওয়ায় আমরা বলেছি যে,
ইমাম নববী রাহ উক্ত হাদীসের ব্যখ্যায় লিখেন,
ﻣﻌﻨﺎﻩ ﺃﻥ ﺍﻟﺸﻴﻄﺎﻥ ﺇﻧﻤﺎ ﻳﻮﺳﻮﺱ ﻟﻤﻦ ﺃﻳﺲ ﻣﻦ ﺇﻏﻮﺍﺋﻪ ، ﻓﻴﻨﻜﺪ ﻋﻠﻴﻪ ﺑﺎﻟﻮﺳﻮﺳﺔ ؛ ﻟﻌﺠﺰﻩ ﻋﻦ ﺇﻏﻮﺍﺋﻪ ، ﻭﺃﻣﺎ ﺍﻟﻜﺎﻓﺮ : ﻓﺈﻧﻪ ﻳﺄﺗﻴﻪ ﻣﻦ ﺣﻴﺚ ﺷﺎﺀ ، ﻭﻻ ﻳﻘﺘﺼﺮ ﻓﻲ ﺣﻘﻪ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻮﺳﻮﺳﺔ ، ﺑﻞ ﻳﺘﻼﻋﺐ ﺑﻪ ﻛﻴﻒ ﺃﺭﺍﺩ ، ﻓﻌﻠﻰ ﻫﺬﺍ ﻣﻌﻨﻰ ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ : ﺳﺒﺐ ﺍﻟﻮﺳﻮﺳﺔ : ﻣﺤﺾ ﺍﻹﻳﻤﺎﻥ ، ﺃﻭ ﺍﻟﻮﺳﻮﺳﺔ ﻋﻼﻣﺔ ﻣﺤﺾ ﺍﻹﻳﻤﺎﻥ ، ﻭﻫﺬﺍ ﺍﻟﻘﻮﻝ ﺍﺧﺘﻴﺎﺭ ﺍﻟﻘﺎﺿﻲ ﻋﻴﺎﺽ ...
অর্থাৎ শয়তান সে ব্যক্তিকেই প্ররোচনা দেয়,যাকে গোমরাহ করতে সে নিরাশ হয়ে যায়।সে কাউকে গোমরাহ করতে নিরাশ হয়ে গেলে সর্বশেষে সে মনে সন্দেহ ঢুকিয়ে দিতে চায়।
আর কাফিরের নিকট শয়তান যেকোনো থেকে যেহেতু আসতে পারে,তাই কাফিরকে প্ররোচনা দেয়ার কোনো প্রয়োজন তার থাকে না।কেননা সে যেকোনো সময় তার ইচ্ছামত কাফিরকে ব্যবহার করতে পারে।সুতরাং হাদীসের অর্থ হলো এই যে,ঈন্তরে ঈমানের দানা থাকার দরুণই শয়তান ঈমানদারদেরকে প্ররোচনা দিয়ে থাকে। এ বিষয়ে এটাই কাযী ঈয়ায রাহ এর পছন্দনীয় ব্যাখ্যা।
(আল-মিনহাজ্ব-২/১৫৪)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
প্রশ্নের বিবরণমতে কোনো তালাক পতিত হয় না এবং হবেও না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (469,840 points)
সংযোজন ও সংশোধন করা হয়েছে।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্যদিকে প্রতিমাসে একাধিকবার আমাদের মুফতি সাহেবগন জুমের মাধ্যমে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। সেই ক্লাসগুলোতেও জয়েন করার জন্য অনুরোধ করা গেল। ক্লাসের সিডিউল: fb.com/iomedu.org

Related questions

...