আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
770 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (19 points)
closed by
আসসালামু আলাইকুম।
শায়েখ, কুরআন খতমের পর সুন্নাহভিত্তিক কোনো আমল বা দুআ আছে কি?

........................................................................................................................................................................................................
closed

1 Answer

0 votes
by (808,380 points)
selected by
 
Best answer
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
1️⃣
কুরআনে কারীমকে তিনদিনের কম সময়ে খতম করা মাকরুহে তানযিহি(অপছন্দনীয়)। এবং ৪০দিনে একবার কুরআন খতম করা মুস্তাহাব। কেউ কেউ বৎসরে একবার এবং কেউ কেউ বৎসরে দুইবার কুরআন খতম করাকে মুস্তাহাব মনে করেন। যদি কেউ বৎসরে একবার কুরআন খতম করে নেয়, তাহলে ধরে নেয়া হবে যে, সে কুরআনের হককে আদায় করে নিয়েছে। গ্রীষ্মকালিন সময়ে দিনের প্রথমাংশে কুরআন খতম করা মুস্তাহাব।এবং শীতকালে রাতের শেষাংশে কুরআন খতম করা মুস্তাহাব। 
ثم قیل: الأولی أن یختم القرآن فی کل أربعین یوماً وقیل ینبغي أن یختمہ فی السنة مرتین، روی عن أبی حنیفة أنہ قال: من قرأ القرآن فی السنة مرتین فقد قضی حقہ، وقیل إذا أراد أن یقضی حقہ فلیختم فی کل أسبوع، وقیل فی کل شہر مرّة وبہ أفتی أبوعصمة الخ (کبیری، ص: ۴۹۶، ط: سہیل)نیز دیکھیں: فتاوی محمودیہ: ۱/۵۶۹، ڈابھیل) ۔

أفضل القراءة  أن يتدبر في معناه حتى قيل: يكره أن يختم القرآن في يوم واحد، ولا يختم في أقل من ثلاثة أيام تعظيما له، ويقرأ بقراءة مجمع عليها، كذا في القنية. 
وندب لحافظ القرآن أن يختم في كل أربعين يوما في كل يوم حزب وثلثا حزب أو أقل، كذا في التبيين في مسائل شتى. من ختم القرآن في السنة مرة لا يكون هاجرا، كذا في القنية. 
ويستحب أن تكون الختمة في الصيف في أول النهار، وفي الشتاء في أول الليل، كذا في السراجية. (الفتاوى الهندية ج٥،ص:٣١٧)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
কুরআন তিলাওয়াত শুরু করার পর ৭ দিনের ভিতর বা ৪০ দিনের ভিতর কিংবা ৬মাসে অথবা বৎসরে একবার কুরআন খতম করে নিলেই হবে।কুরআনের হক আদায় হয়ে যাবে। সর্বোত্তম হল, প্রতি মাসে এক খতম করা। 

2️⃣
কুরআন, খতমের পর আবার কুরআন পড়া শুরু করা মুস্তাহাব।তথা সুরা নাস পড়ার পর সূরা বাকার এক রুক পড়া মুস্তাহাব।এজন্য যে কুরআন খতম করার পর এটা মনে না করা যে,খতম হয়ে গেছে,এখন কুরআন পড়া শেষ।বরং শেষ করার পর আবার প্রথম থেকে শুরু করা। এজন্য যে,কুরআন সর্বদাই মু'মিনের জন্য তেলাওয়াত করা উচিৎ।কেননা তেলাওয়াতে কুরআন পৃথক একটি ইবাদত।

কুরআন খতম করার পর শিরনি ইত্যাদিকে জরুরী মনে করা বিদআত।দু'আ বখশানোর জন্য কারো দ্বারস্থ হওয়া সুন্নত দ্বারা প্রমাণিত নয়।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
শায়েখ, আমি একজন জেনারেল লাইনের স্টুডেন্ট। 
আমার লাইফস্টাইল এমন যে আমি ৪০ দিনে কুরআন খতম দিতে সক্ষম নয়। গত ১-১.৫বছর পড়ার পর আমি খতম করতে পেরেছি। প্রতিদিন এক রুকু পড়াই আমার পদ্ধতি। 
এক্ষেত্রে কি আমি শরিয়িভাবে কিছু ছাড় পাব?

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...