0 votes
48 views
in ব্যবসা ও চাকুরী (Business & Job) by (4 points)
আমি আমার এক বন্ধুর ব্যবসায় বিনিয়োগ করি এভাবে যে, আমরা দুইজন প্রত্যেকে ১০০ টাকা করে মোট ২০০ টাকার পণ্য আমদানি করি। এরপর বন্ধুর গোডাউনে পণ্য আসলে সেখানে গিয়ে আমার ভাগের ১০০ টাকার পণ্য আমি দেখে আলাদা করে চিহ্নিত করে নেই। এরপর বন্ধুর সাথে চুক্তি করি যে আমার ভাগের ১০০ টাকার পণ্য আমি ১৫০ টাকায় তাকে বিক্রি করলাম তবে এই টাকা সে কয়েক মাস  পরে দিবে।
প্রশ্ন ১। এই মুনাফা জায়েজ হবে কি?

প্রশ্ন ২। আমাকে যেদিন ১৫০ টাকা দেয়ার কথা, সেদিন যদি আমাকে আমার বন্ধু ১৫০ টাকা নগদ দেয়ার বদলে সমমানের পণ্যের মালিক বানিয়ে দিতে চায়, এবং আমিও রাজি থাকি,  তাহলে এই চুক্তি জায়েজ হবে কি?

1 Answer

0 votes
by (441,920 points)


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
https://www.ifatwa.info/325 নং ফাতাওয়ায় বলেছি যে,
কিস্তিতে অতিরিক্ত মূল্যে পন্য ক্রয় জায়েয আছে।সুদ হবে না।তবে শর্ত হল যে, দেড়ীতে মালের মূল্য পরিশোধ করার দরুণ প্রথমেই  একটি মূল্য নির্ধারণ করে নিতে হবে।যেমন -একটি ফ্রিজ, নগদ হলে চল্লিশ হাজার টাকা।আর ১২মাসের কিস্তিতে হলে পঞ্চাশ হাজার টাকা।এভাবে লেনদেনের পূর্বেই দুটি মূল্য ঠিক করে নিতে হবে।পরবর্তীতে আবার অতিরিক্ত মূল্য চার্জ করা যাবে না।কিস্তি মিস হলে অতিরিক্ত চার্জ করা সুদের অন্তর্ভুক্ত হবে।(কিতাবুল ফাতাওয়া-৫/১৯৯--৫/২২৪)

হযরত শুবা ইবনুল হাজ্জাজ রাহ. (মৃত্যু : ১৬০ হি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হাকাম ইবনে উতাইবা এবং হাম্মাদ ইবনে আবু সুলাইমকে এক ক্রেতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, সে অন্যের থেকে পণ্য ক্রয় করে আর বিক্রেতা তাকে বলে যে, নগদ মূল্যে কিনলে এত টাকা আর বাকিতে কিনলে এত টাকা। (এতে কোনো অসুবিধা আছে কি?) তারা উভয়ে বললেন,  ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ে যদি (মজলিস ত্যাগ করার পূর্বে) কোনো একটি (মূল্য) চূড়ান্ত করে নেয় তাহলে এতে কোনো অসুবিধা নেই।
দেখুন : মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস : ২০৮৩৬; জামে তিরমিযী ১/১৪৭।

সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন
অংশীদারিভাবে মাল ক্রয়ের পর মালকে পৃথক করে নিজ মালিকানায় নিয়ে আসার পর আপনি বাকীতে বেশী মূল্যে ঐ মাল তার কাছে বিক্রি করতে পারবেন।তবে শর্ত হল, পরিশোধের সময় নির্ধারিত থাকতে হবে।
এবং টাকার পরিবর্তে মাল নিতে পারবেন না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্যদিকে প্রতিমাসে একাধিকবার আমাদের মুফতি সাহেবগন জুমের মাধ্যমে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। সেই ক্লাসগুলোতেও জয়েন করার জন্য অনুরোধ করা গেল। ক্লাসের সিডিউল: fb.com/iomedu.org

Related questions

...