0 votes
11 views
in সালাত(Prayer) by (37 points)
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ।
নামাজে যদি ইমাম সাহেব ভুলে দুটি সিজদার জায়গায় একটি দিয়েই  কিয়ামে চলে যান তবে কি করণীয়? কিংবা যদি শেষ বৈঠকের আগে এমন হয়, নামাজও শেষ হয়ে যায় তখন কি করণীয়?
ঈদের সালাতে এমন হলে কি করণীয়?
অর্থাৎ নামাজ কি পুনরায় পড়তে হবে? পড়লে কি সকলকেই পড়তে হবে কিনা?

1 Answer

0 votes
by (226,240 points)


ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
ঈদের নামাযে যদি কোনো ফরয রুকুন তথা দু’টি সিজদার জায়গায় একটি সিজদা ছুঠে যায়, তাহলে সালাম ফিরানো পূর্বে ছুটে যাওয়া সিজদাকে দিতে হবে। তবে ঈদ এবং জুমুআর নামাযে সাহু সিজদা দিতে হয় না। তাছাড়া ঈদের নামাযে কোনো ওয়াজিব ছুটে গেলেও সাহু সিজদা দিতে হবে না। বরং নামায বিশুদ্ধ হয়ে যাবে। যদি কোনো রুকুন বা ফরয যেমন সিজদা, রুক ইত্যাদি যদি ছুটে যায়, তাহলে নামাযকে আবার দোহড়িয়ে পড়তে হবে। এবং সকলকেই দোহড়িয়ে পড়তে হবে। 

ওয়াবিসা ইবনে মা'বাদ রাযি থেকে বর্ণিত,
ﻭﻋﻦ ﻭﺍﺑﺼﺔَ ﺑﻦِ ﻣَﻌْﺒِﺪٍ  ﻗَﺎﻝَ : ﺃَﺗَﻴْﺖُ ﺭﺳﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪ ﷺ ﻓَﻘَﺎﻝَ : « ﺟِﺌْﺖَ ﺗﺴﺄَﻝُ ﻋﻦِ ﺍﻟﺒِﺮِّ؟ » ﻗُﻠْﺖُ : ﻧَﻌَﻢْ، ﻓَﻘَﺎﻝَ : « ﺍﺳْﺘَﻔْﺖِ ﻗَﻠْﺒَﻚَ، ﺍﻟﺒِﺮُّ : ﻣَﺎ ﺍﻃْﻤَﺄَﻧَّﺖْ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺍﻟﻨَّﻔْﺲُ، ﻭﺍﻃْﻤَﺄَﻥَّ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺍﻟﻘَﻠْﺐُ، ﻭﺍﻹِﺛﻢُ : ﻣَﺎ ﺣﺎﻙَ ﻓﻲ ﺍﻟﻨَّﻔْﺲِ، ﻭﺗَﺮَﺩَّﺩَ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼَّﺪْﺭِ، ﻭﺇِﻥْ ﺃَﻓْﺘَﺎﻙَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱُ ﻭَﺃَﻓْﺘَﻮﻙَ » ﺣﺪﻳﺚٌ ﺣﺴﻦٌ، ﺭﻭﺍﻩُ ﺃﺣﻤﺪُ ﻭﺍﻟﺪَّﺍﺭﻣِﻲُّ ﻓﻲ " ﻣُﺴْﻨَﺪَﻳْﻬِﻤﺎ ."
তিনি বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ এর নিকট গেলাম।রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে বললেন,তুমি কি নেকীর কাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য এসেছ?আমি বললাম জ্বী হ্যা, ইয়া রাসূলাল্লাহ!
তখন তিনি আমাকে বললেন,তুমি তোমার অন্তরের নিকট ফাতওয়া জিজ্ঞাসা করো।নেকি হল সেটা যার উপর অন্তর প্রশান্তিবোধ করে,এবং যে জিনিষের উপর অন্তর শান্ত থাকে।আর গোনাহ হল সেটা,যা অন্তরে অশান্তি সৃষ্টি করে নাড়িয়ে দেয়,এবং অন্তরকে দ্বিধান্বিত করে ফেলে।যদিও উক্ত কাজ সম্পর্কে মুফতিগণ বৈধতার ফাতাওয়া প্রদাণ করুক না কেন।(মুসনাদে আহমদ-১৭৫৪৫)


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
মুহতারাম 
ঈদের নামাজে একটি সিজদা দেওয়া হয় নি। নামাজ ও শেষ হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। মুক্তাদিগণও বুঝতে পেরেছেন একটি সিজদা ছুটে গেছে। 

এমতাবস্থায় কি নামাজ দোহড়ানো উচিত ছিল? 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

Related questions

...