0 votes
16 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (11 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ শাইখ।
যেই দেশে যেই মাযহাব প্রচলিত সেটা বাদ দিয়ে অন্য মাযহাবের চর্চা বা দাওয়াত দিলে কি ফিতনা সৃষ্টি হবে? যেমনঃ বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই হানাফী। এখন যদি কেউ এদেশে অন্য মাযহাব চর্চা করে বা অন্য মাযহাবের দিকে দাওয়াত দেয় তবে সেটা কি ফিতনা সৃষ্টি করবে?

1 Answer

0 votes
by (41.1k points)
বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-
জ্বী, অবশ্যই ফিতনা ছড়ানো হবে।

যেমন নিম্নোক্ত দুইজন মনিষীর উক্তি এ ব্যাপারে বর্ণিত রয়েছে।
ইমাম মালেক রহ. মুয়াত্তা লেখার পর তৎকালীন বাদশা বললেন, আপনার এই কিতাবকে সব প্রদেশে ও শহরে প্রেরণ করি, মানুষকে সরকারি ফরমান জারি করে দেবো, সবাই যেন এই কিতাব মোতাবেক আমল করে।
ইমাম মালেক রহ. বললেন, এই কাজ করা যাবে না৷ ফেতনা হবে। কারণ, প্রত্যেক অঞ্চলে সাহাবি ও তাবেয়িদের মাধ্যমে একটা আমল প্রতিষ্ঠিত ও চালু হয়ে গেছে; যা হয়তো মুয়াত্তায় বর্ণিত হাদিসের বিপরীত। তখন ফেতনা ছড়াবে, ঝামেলা হবে।
শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলবি রহ. "আল ইনসাফ" নামক কিতাবে লেখেন : যে এলাকায় একটি সুন্নাহ প্রচলিত আছে, সে এলাকায় গিয়ে যদি একই বিষয়ে ভিন্ন আরেকটি সুন্নাহ থাকে, সে সুন্নাহর দাওয়াত প্রদান করবে না৷ কারণ, এরদ্বারা মানুষের মাঝে ফিতনা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠবে। (সংগৃহীত)

অনুলিখনে
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ, Iom.

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

...