0 votes
7 views
in সালাত(Prayer) by (5 points)
আসসালামুআলাইকুম।

আমার নামায এ বায়ু নির্গত হয়।অনেক সময় ফরজ নামায এর চেষ্টা করতে করতে ওয়াক্ত শেষ হয়ে যায়। তাই ফরজ নামায যেন পড়তে পারি, এই ভেবে আমি সুন্নাত ছেড়ে দিয়ে ফরজ নামায আগে ধরি ।আমার প্রশ্ন হলো ফজর এর ওয়াক্তে ফরজ হয়ে যাওয়ার পর কি আমি সুন্নাত আদায় করতে পারব।

আর একটি প্রশ্ন হলো তিন তোজবিহ সময় বলতে কতটুকু সময় কে বোঝায়।

1 Answer

0 votes
by (127,520 points)
edited by
জবাব
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم


ফজরের  সুন্নত কোন কারণে পড়তে না পারলে তার কাযা আদায় করবে সুর্য উদিত হবার পর। আগে আদায় করা জায়েজ নয়। 

 নবীজি সা: থেকে  متواتر (নিরবচ্ছিন্ন সূত্র পরম্পরায়) বর্নিত হাদিসে এসেছে যে, তিন সময়ে নামায পড়া জায়েজ নয়। তার মাঝে একটি সময় হল-“ফজরের ফরয পড়ার পর থেকে সুর্য উদয় হবার আগ পর্যন্ত।”তাছাড়া নবীজি সা: থেকে বিভিন্ন হাদিসে এসেছে যে, নবীজি বলেছেন যে, কারো ফজরের দুই রাকাআত সুন্নত ছুটে গেলে সে যেন তা সুর্য উদিত হবার পর আদায় করে।

সূর্যোদয়ের আগে ফজরের সুন্নত পড়ার ক্ষেত্রে একটি হাদিস পাওয়া যায়, যা স্পষ্ট নয়, নিম্নে হাদিসটির ক্ষেত্রে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

হযরত আবু সাঈদ খুদরী রা: বলেন-আমি নবীজি সা: কে বলতে শুনেছি যে, ফজরের নামাযের পর সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত কোন নামায নেই, এবং আসরের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত  কোন নামায নেই। (সহীহ বুখারী-১/৮২)

আমর বিন আবাসা আস সুলামী রা: বলেন-আমি বললাম-হে আল্লাহর নবী! আপনি আমাকে নামায সম্পর্কে শিক্ষা দিন, রাসুলুল্লাহ সা: বললেন-ফজরের নামায আদায় করবে। তারপর সূর্য পূর্বাকাশে উঁচু হওয়া পর্যন্ত নামায পড়া থেকে বিরত থাকবে। কেননা সূর্য শয়তানের দুই শিংয়ের মধ্যখানে উদিত হয়, এবং সে সময় কাফেররা সূর্যকে সিজদা করে। (সহীহ মুসলিম-১/২৭৬)

فى موطا مالك- وحدثني عن مالك أنه بلغه أن عبدالله بن عمرفاتته  ركعتاالفجرفقضاهمابعدأنطلعت الشمس( موطا مالك النداءللصلاة،باب ماجاءفي ركعتي الفجر،رقم-422

অনুবাদ-হযরত ইমাম মালেক রহ: বলেন, আমি জেনেছি যে, আবদুল্লাহ বিন ওমর রা: এর ফজরের দুই রাকাআত ছুটে গিয়েছিল। তিনি তা সূর্যোদয়ের পর আদায় করেন। (মুয়াত্তা মালিক-৪৫)

বিস্তারিত জানুনঃ  

★★প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,   
এ যাবৎকাল আপনি অনেক কষ্ট করে নামায ইবাদত করেছন।আল্লাহ আপনার ইবাদতকে কবুল করুক।আমীন।

আপনি এক কাজ করবেন।

একটু কষ্টকরে নামাযের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ওয়াক্ত আছর কিংবা ফজরের ওয়াক্তে একদিন পরীক্ষা করবেন যে,এই সংক্ষিপ্ত ওয়াক্তে আপনি ধারাবাহিক বায়ু বের হওয়া ব্যতীত কি ফরয দু'রাকাত বা চার রা'কাত নামায পড়তে পারছেন।

যদি আপনি বায়ু বের হওয়া ব্যতীত ফরয আদায় করতে না পারেন,তাহলে আপনাকে মা'যুর হিসেবে গণ্য করা হবে।আর যদি আপনি নামায পড়ে নিতে সক্ষম হয়ে যান,তাহলে আপনাকে মা'যুর গণ্য করা হবে না।

আপনি প্রতি ওয়াক্তের জন্য অযু করবেন,এই অযু দিয়ে উক্ত ওয়াক্তের মধ্যে যত ইচ্ছা নামাজ আদায় করতে পারবেন।
(যদি অন্য কোনো অযু ভঙ্গকারী কিছু না পাওয়া যায়।)
,
পরবর্তী ওয়াক্তে আবার অযু করবেন

আর যদি আপনার ওযরটি এমন না হয়,তাহলে আপনি শরয়ী ভাবে মা'যুর প্রমাণিত হবেন না।

বিস্তারিত জানুনঃ 

,
★তিন তাসবিহ সমপরিমাণ সময়ঃ
তিন বার শুদ্ধ ভাবে سبحان ربي الأعلى  বলার সময়। 

আরো জানুনঃ 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...