আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
4 views
ago in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (4 points)
আসসালামু আলাইকুম শায়েখ, আমার নিচের প্রশ্নের উত্তর জানা জুরুরি,:- ১,কয়েক বছর পুর্বে সৌদি আসি কাজের জন্য,আসার সময় আমার বাবা গুরু বিক্রি করেন টাকার জন্য,চাচাত ভাই,এক ফুপু,নিজের বোন জামাই এরা কিছু কিছু টাকা সবাই দার হিসাবে দেন,এর পরে ভিসা হয়না এক বছর ঘুরতে হয় এরপরে ফুপু তার দারের টাকা চেয়ে নেয়, চাচাত ভাইয়ের টাকাও দিয়ে দিতে হয় এরপরে আমাকে কিস্তি বা সুদের উপর লোন নিয়ে বিদেশ আসতে হয়, আসার পরে আবার এক লক্ষ টাকা লোন নিয়ে গাড়ি ক্রয় করি, পরে গাড়ি বিক্রি করে দেই, অই গাড়ি বিক্রির কিছু টাকা দিয়ে আমার কফিলকে মানে যে সাউদির ভিসাতে এখানে এসেছিলাম উনাকে ৫ হাজার রিয়াল আমাকে দিতে হয় উনি ৫ হাজার রিয়াল আমার থেকে নেয় এই শর্তে যে আমি এক কোম্পানিতে বেতনে কাজ করতে চাই এর জন্যে আমার কফিল আমার কাছ থেকে ৫ হাজার রিয়াল নিয়ে নেয়।সেই থেকে আমি এক কোম্পানিতে আছি পাইপ ফিটিংস এর কাজ করে যাচ্চি বেতন হিসাবে, আমার প্রশ্ন আমি বিদেশ আসার সময় হালাল হারাম টাকা মিলিয়ে এসেছি, এখানে আসার পরেও সুদের উপর টাকা নিয়ে গাড়ি কিনেছি সেই গাড়ি বিক্রি করে অই গাড়ি বিক্রির ৭ হাজার রিয়াল থেকে ৫ হাজার রিয়াল পুর্বের কফিল মানে সৌদি লোককে দিতে হয়েছে তার কাছ থেকে চলে এসে এক কোম্পানিতে যোগ দেবার জন্য,হুজুর আমি সেই কোম্পানিতেই এখনো চাকুরি করতেছি আমার এই কাজ করে ইনকাম কি হালাল হচ্চে সব নাকি আমার উপার্জিত সব হারাম আমাকে জানাবেন। ২,এখানে সৌদি আসার পর গত ২০২৪ সালের মে মাসে আমি আমার আম্মাকে বলি আমার ব্যংক লোন শোধ হয়েছে কিনা আমাকে বলেন যে হা শোধ হয়েছে, আসলে তখন আমাকে মিথ্যা কথা বলেছিলেন আমার আম্মা আমাকে লোন আরো অন্য যাগায় উঠিয়েছিলেন আমাকে না জানিয়ে। আমি বাকি লোনের কথা জানিতাম না। আমি মাসে মাসে বেতন পেয়ে টাকা পাঠাতে থাকি এরপরে আমি একভাবে জানিতে পারি আমার আম্মা আরো দেনা আছেন ভিবিন্ন কিস্তি উঠিয়েছেন, আমার সাথে অনেক যগড়া হয় সেই থেকে আমি আম্মাকে বলেছিলাম এই সুদের ভেতর আমি আর নেই, আমি সংসার খরচের শুধু টাকা দিমু সুদ বা কিস্তির জন্য কোন টাকা আমি আর দিমু না, এর মাজে আমাকে আমার বোন, আর মা একটা কথা বলে তাহলে বাড়ির কিছু যায়গা বিক্রি করে দিয়ে সব লোনের টাকা শোধ করে দেই আমি খুশি হয়ে বলি তাহলেতো ভালোই হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার মা, বাবা কেউ তেমন আগ্রহ দেখাচ্চে না যায়গা বিক্রি করে লোনের বা সুদের টাকা শোধ করতে, এমতবস্তায় আমার মা বাবাকে শুধু সংসার খরচের টাকা ব্যতিত বেশি টাকা দিলে তারা হয়তবা আমার টাকা দিয়ে সুদের কিস্তির টাকা পরিশোধ করবে, আমি এখন তাদের সংসার খরচের বাইরে কোন টাকা না দিলে তারা মানে মা বাবা রাগ করলেও কি আমার কোন পাপ হবে কিনা? ৩,আমি যে চাকুরি এখন করি বেতনে, আমার উপার্জন হালাল হচ্চে কিনা শুধু এই কারনে যে আমি আসার সময় কিছু টাকা লোন করে আসছিলাম, আসার পরেও লোন নিয়ে গাড়ি কিনেছিলাম ভাড়ায় চালানোর জন্য পরে সে গাড়ি বিক্রি করে দেই ৫ হাজার রিয়াল নিয়ে নেয় পুর্বের কফিল আমার কাছ থেকে জোরপুর্বক আর ২ হাজার রিয়াল বাড়িতে দেই, আমি এখন কি করব শায়েখ আমি তাওবা করে এই সুদ থেকে ফিরে আসতে চাই,আমার এখানে এই চাকুরি করে টাকা উপার্জন হালাল হচ্চে কিনা নাকি এই চাকুরি ছেরে দিতে হবে? ৪,অবশিস্ট যে লোন আছে তা পরিশোধ না করা পর্যন্ত কি তাওবা করা যাবে কিনা? ৫,লোনের কিছু টাকা যুক্ত করে বিদেশ আসাতে আমার সমস্ত ইনকাম হারাম হচ্চে কিনা?

Please log in or register to answer this question.

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...