আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
97 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (5 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লহ উস্তায আমি কিছু বিষয়ে জানতে চাই।

প্রথমত,হায়েজ অবস্থায় তিলাওয়াত না করাটাই সর্তকতা বলা হয়েছে। কিন্তু আমাদের কোর্সগুলোতে হায়েজ অবস্থাতেই কুরআনুল কারীম থেকে পড়া দিতে হয়। যদিও আপুরা ভেঙে পড়া দিতে বলেন তাও অভ্যাসগত কারণে কিছুটা ভেঙে বলার পর কোনো আয়াতে দুই তিনটা শব্দ একসাথে হয়ে । এতে কি গুনাহ হবে?


দ্বিতিয়ত, হায়েজ অবস্থায় আমি অ্যাপ থেকে কি ওজু ছাড়া ভেঙে ভেঙে তিলাওয়াত করতে পারব?


তৃতীয়ত, আমার বড় আপার বাবুর বয়স ১মাস। ও সাওম করলে বাবু দুধ পায়না। তাই ২টা রোজার পর আর রাখেনি। এই রোজাগুলো কাজা আদায় করার সময় কি একসাথেই সবগুলো রাখতে হবে? নাকি ভেঙেভেঙে রাখলেও হবে?


চতুর্থত,একজন বোন পরিপূর্ণ পর্দার বিধান পালণের চেষ্টায় আছেন।। তবে তার চাইতে বয়সে ছোট  কাজিন ভাইদের সাথে মেসেজে কথা বলেন। প্রয়োজনীয় কথারই আধিক্য থাকে। এক্ষেত্রে কি গুনাহ হবে? যদি গুনাহ হয় তবে করণীয় কি? তাদের সাথে কথা না বললে রাগ করে তারা।
পঞ্চমত, একটু সাজেশন চাই। আমার ভাই কুরআনের হাফেজ। এখন ক্বওমি মাদ্রাসায় পড়ছে। তবে তাকে আমরা কোনোভাবেই কন্ট্রোল করতে পারছিনা। বয়স ১৬। সে সারাদিন গেইম খেলতে চায়। স্বলাত আদায় করতে চায়না। নামাজের জন্য জোর করে বাসা থেকে পাঠালেও অন্যদিকে গিয়ে বসে থাকে। নামাজের সময় শেষ হলে বাসায় ফিরে আসে। কি করতে পারি তাকে নিয়ে?
জাযাকাল্লাহু খইরন ফিদ দুনিয়া ওয়াল আখিরহ উস্তাদজি

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(প্রথমত) 
হায়েয অবস্থায় ভেঙ্গে ভেঙ্গে তিলাওয়াত না করাই সর্তকতামূলক পদক্ষেপ। ভেঙ্গে ভেঙ্গে পড়তে যেয়ে অভ্যাসগত কারণে যদি দুই তিনটা শব্দ একসাথে আদায় হয়ে যায়। তাহলে এতে করে আপনার গোনাহ হবে না।

(দ্বিতিয়ত) হায়েজ অবস্থায় অ্যাপ থেকে ওজু ছাড়া ভেঙে ভেঙে তিলাওয়াত করা যাবে। তবে অনুচিত।

(তৃতীয়ত) কাযা হয়ে যাওয়া রোযা গুলোকে একসাথেও কাযা করা যাবে আবার ভেঙেভেঙেও কাযা করা যাবে। 

(চতুর্থত) উক্ত বোনের উচিত প্রয়োজন ও জরুরত ব্যতিত কথা না বলা। জরুরত ব্যতিত কথা বলা কখনোই জায়েয হবে না। 

(পঞ্চমত) আপনার ভাইকে তাবলীগে প্রেরণ করবেন। টাকা পয়সা সীমিত আকারে দিবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...