আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
61 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (7 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম উস্তায

১) তিনবার তালাক /খোলার  পর মেয়েদের ইদ্দতকাল  পালন করতে হয়  কি? আমার যেদিন তালাক/ খোলা হয় , সেইদিন ই অন্য জায়গায় আরেক পাত্রের সাথে আখত করানো হয়। এখন এই আখতের পর পাত্রের সাথে ভিডিও কলে কথা বলা কি জায়েজ হবে? আখত হয়েছে অর্থাৎ পাত্র-পাত্রী উভয়ে কবুল বলেছেন। কাবিন রেজিস্ট্রেশন হয়নি।
উল্লেখ্য: আখতের সময়  এলাকার মসজিদের ইমাম সহ আরো আলেম বাসায় ছিলেন , উনাদের থেকে জেনে বুঝে আখত পড়ানো হয়েছে। ইমাম সাহেব আখত ও পড়িয়েছেন।

২) খোলা আর তালাকের মধ্যে পার্থক্য কতটুকু?

৩) আমার ডিভোর্স টা খোলা নাকি তালাক বুঝতে পারছিনা। আমার পক্ষ থেকে ডিভোর্স হয়েছে। ডিভোর্সের সময় বিচারক স্বামী কে তিনবার তালাক শব্দ উচ্চারণের কথা বলেছেন, স্বামী বলেছেন আর আমি শুনেছি। তিন তালাকে বায়েন ও পতিত হয়েছে।  অতঃপর আমি সাইন করেছি। এভাবে ডিভোর্স   হয়েছিল। এখন পাত্রের সাথে ভিডিও কলে কথা বলা বা এমন সম্পর্কিত বিষয় কি জায়েজ হবে?

1 Answer

0 votes
by (633,330 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
বিয়ের পর যদি একবার দুখুল বা সহবাস হয়ে যায়, তাহলে পরবর্তীতে যখনই তালাক হবে, তখন ইদ্দত ওয়াজিব হবে। চায় মধ্যখানে অনেকেদিন যাবৎ উক্ত স্বামী স্ত্রীর সহবাস নাই হোক, তথা তালাকের পূর্ব যদি অনেকদিন যাবৎ সহবাস না হয়, তারপরও ইদ্দত ওয়াজিব হবে। হ্যা প্রথমবার সহবাসের পূর্বে তালাক হলে তখন ইদ্দত ওয়াজিব হয় না। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/95227


ইদ্দত সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/104


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) ইদ্দত পালন ব্যতিত বিয়ে হলে, সেই বিয়ে গ্রহণযোগ্য হবে না। এমনকি বিয়েই বিশুদ্ধ হবে না। সুতরাং ইদ্দত পালন করে আবার বিয়ে বসতে হবে।

(২) তালাক হল, যা স্বামী কর্তৃক মালের বিনিময় ব্যতিত হয়। আর খুলা হল, মালের বিনিময়ে স্বামী কর্তৃক তালাক।

(৩) আপনার এটা তালাক হয়েছে, যেহেতু এখানে মালের বিনিময়ে তালাক হয়নি।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
উস্তায; ১)আমার আগের স্বামী তালাকের সময় কাবিনের টাকা আমাকে পরিশোধ করে দিছে।
টাকা যেহেতু পরিশোধ করেছে , তাহলে এটা ও তালাক হবে কি? 
২) বর্তমানে যার সাথে আখত করানো হয়েছে 
পাত্র বিদেশ থাকে , তিন মাস পর সে দেশে আসবে , তখন কাবিন রেজিস্ট্রেশন হবে। আর এখন আখত করানো হয়েছে যাতে পাত্রের সাথে আমি কথা বলি ভিডিও কলে ,
পাত্র আমার আপন খালাতো ভাই হয় , এজন্য আমার অভিভাবকরা বলেতেছেন কথা বলা যাবে।
এখন আমার প্রশ্ন  খালাতো ভাই আগে যেমন নন মাহরাম ছিল , আখতের পর ও কি নন মাহরাম থাকবে?এই আখত কী হয় নাই? আগের স্বামীর সাথে আমার সহবাস ও হয়েছিল । সহবাস হয়েছে জেনে ও এলাকার ইমাম উনারা কোন বিধানমতে আখত পড়ালেন , আমি বুজতেছিনা। এখন  আমার অভিভাবকদের কথা শুনা উচিত না  কি করা উচিত?  
 

by
reshown
আসসালামু আলাইকুম 
উস্তায; ১)আমার আগের স্বামী তালাকের সময় কাবিনের টাকা আমাকে পরিশোধ করে দিছে।
টাকা যেহেতু পরিশোধ করেছে , তাহলে এটা ও তালাক হবে কি? 
২) বর্তমানে যার সাথে আখত করানো হয়েছে 
পাত্র বিদেশ থাকে , তিন মাস পর সে দেশে আসবে , তখন কাবিন রেজিস্ট্রেশন হবে। আর এখন আখত করানো হয়েছে যাতে পাত্রের সাথে আমি কথা বলি ভিডিও কলে ,
পাত্র আমার আপন খালাতো ভাই হয় , এজন্য আমার অভিভাবকরা বলেতেছেন কথা বলা যাবে।
এখন আমার প্রশ্ন  খালাতো ভাই আগে যেমন নন মাহরাম ছিল , আখতের পর ও কি নন মাহরাম থাকবে?এই আখত কী হয় নাই? আগের স্বামীর সাথে আমার সহবাস ও হয়েছিল । সহবাস হয়েছে জেনে ও এলাকার ইমাম উনারা কোন বিধানমতে আখত পড়ালেন , আমি বুজতেছিনা। এখন  আমার অভিভাবকদের কথা শুনা উচিত না  কি করা উচিত?  
 

by (7 points)
edited by
উস্তায , আমার আম্মা পাত্র অর্থাৎ আমার  খালাতো ভাইকে বলেছেন যে, "তিন মাসের আগে আমি ভিডিও বা অডিও কলে কোনো কথা বলবো না।"
 পাত্র এটা মেনে নিয়েছে  আলহামদুলিল্লাহ। 
আম্মা আমাকে বলছেন আমি যেন মেসেজে  খোজখবর সম্পর্কে দু একটা  কথা বলি , যাতে করে পাত্রের মা বাবাকে   অর্থাৎ আমার খালা খালুকে বলতে পারি যে, "আমি তাদের ছেলের সাথে কথা বলেছি।"
তারা তো বুঝতেছেন এই আকদ বিশুদ্ধ হয়েছে। কিন্তু  আমি তাদের ছেলের সাথে কথা বলছি না।  আর আমি যদি তাদেরকে ইদ্দতকাল সম্পর্কে  বুঝাতে যাই তখন তারা অবশ্যই একথা  বলবেন যে , মসজিদের ইমাম আমার তালাকের সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেশুনে এই আকদ  পড়িয়েছেন । তাহলে আমি কি হুজুর থেকে বেশি জানি। 
আসলে যে শরীয়তের বিধানমতে  এই আকদ  বিশুদ্ধ ই  হয় নি- এটা তাদের জানা নেই। 

এক্ষেত্রে  আমার এই মহা মসিবত থেকে বাঁচার জন্য , পাত্রের সাথে মেসেজে কয়েকটি কথা বলা কি জায়েজ হবে? 
এটা কি জরুরতের মধ্যে পড়ে?  

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...