0 votes
74 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (49 points)
যদি মাযহাবের চারটা ইমামের যে মোটা বেশি গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয় সেটা মানে অথবা যে মতটিতে ৪জন ইমামের বা ৩জন ইমামের মত পাওয়া যায় ওটাই মেনে চলা,,,, এটা কি সঠিক হবে?

উপরোক্ত বিষয়টি আমার এক বান্ধবী মেনে চলে আমি তাকে বুঝাতে চেয়েছিলাম,,, আমাদের চারটা মাযহাবের মধ্যে কোন একটি মাযহাব মেনে চলা আমাদের জন্য উত্তম,,, কারণ কোন গন্তব্যে পৌঁছাতে হলে একটি পথ দিয়ে যেতে হয়,,, আমার বোঝার মধ্যে কোন ভুল থাকলে মাফ করবেন আমি আমার স্বল্প জ্ঞান দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছি,,,, আমি যতোটুকু জানি যে কোন একটি মাযহাব মানা আমাদের জন্য উত্তম তাই তাকে বুঝাতে চেয়েছিলাম এখন আমার প্রশ্ন হল যে পদ্ধতি মেনে চলছে এটা কি সঠিক হবে?

একটি মাযহাব কেন মানা উচিত এ বিষয়ে ডিটেলস জানতে চাই....

1 Answer

0 votes
by (145,240 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
চার মাযহাবের মধ্যে যে কোনো একটি সম্পূর্ণরূপে মানা ওয়াজিব।

মুজতাহিদ ফিল মাযহাব তথা যিনি নিজে নিজে সরাসরি কুরআন-হাদীস থেকে শরীয়ত বুঝার ক্ষমতা রাখেন।
অর্থাৎ যিনি নিম্নোক্ত পাঁচটি বিষয়ে যথেষ্ট পারদর্শী থাকবেন।(১) তাফসীর(২)হাদীস ও হাদীসের রাবী(৩)আরবী ভাষা(৪)সালাফে সালেহীনদের বর্ণনাকৃত মাসাঈল ও তাদের মন্তব্য সমূহ।(৫)এবং কুরআন-হাদীস থেকে কিয়াস করে হুকুম বের করা যোগ্যতা।
উপরোক্ত বিষয়ে পারদর্শী কোনো ব্যক্তির জন্য তাকলীদে শাখসীর কোনো প্রয়োজন নেই।উনার কাছে নিজ ইমামের বিপরিত কোনো একটি দিক কুরআন-সুন্নাহর অধিক নিকটবর্তী প্রমাণিত হলে, উনি সেটার উপরই আ'মল করবেন। এমনকি তখন উনার জন্য নিজ ইমামের অনুসরণ বৈধ হবে না।(মাযহাব কি ও কেন দ্রষ্টব্য)

এছাড়া অন্য সবার জন্য নিজ ইমামের প্রত্যেকটি মতামতকে মান্য করা ওয়াজিব।

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
দ্বীনে ইসলাম তথা শরীয়ত হলো,কুরআন এবং হাদীসের সমষ্টির নাম।প্রতমত কুরআন এবং হাদীস আরবী। দ্বিতীয়ত আরবী বাগধারা অনেক কঠিন ও একই বাক্য বহুঅর্থের বাহক হওয়ার দরুণ কুরআন এবং হাদীসের সুস্পষ্ট ব্যখ্যা প্রয়োজন।তাছাড়া নাসিখ মানসূখ পরিচয় লাভ করাও একটা জটিল বিষয়।ইত্যাদি ইত্যাদি।সুতরাং এ সব অস্পষ্টতাকে স্পষ্টকরে যে ব্যখ্যা প্রদান করা হয়,মূলত সেটার নামই হল মাযহাব।যেহেতু অস্পষ্টতাকে দূর করে স্পষ্ট ব্যখ্যা করতে যেয়ে উলামাদের মধ্যে মতবিরোধ হয়েছে,তাই ভিন্ন ভিন্ন মাযহাবের সৃষ্টি হয়েছে।

মাযহাব ও তাকলীদ সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন-


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...