আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
212 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (12 points)

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুুহ।

একজন বোনের প্রশ্ন : আমাদের জীবনে সবারই অনেক গুনাহ হয়। বদ আখলাকের জন্য হেদায়াতের আগে এবং হেদায়াতের পরেও অনেক মানুষ নানাভাবে কষ্ট পায়। এই এত মানুষের কষ্টের কারণ আমি, কখনো জানতে পারি, কখনো জানা সম্ভব হয় না। জানি না কত মানুষকে কষ্ট দিয়েছি। কত মানুষ কষ্ট পেয়েছে। সবার কাছে গিয়ে গিয়ে মাফ চাওয়া তো যায় না, আবার অনেক কিছু মনেও থাকে না। এক্ষেত্রে বান্দার হক নষ্টের গুনাহ থেকে আমি মুক্তি পাবো কিভাবে প্লিজ আমাকে বলেন। এত বান্দার হক নষ্ট হয়েছে আমার দ্বারা। আমি অনেক চেষ্টা করি কষ্ট না দিতে কিন্তু আমার মনে হয় আমি এমন মানুষ যার দ্বারা মানুষ কষ্ট পেয়ে যায় কোনো না কোনো ভাবে। এগুলো আমাকে অনেক অশান্তি দেয়। আল্লাহ যেন আমাকে উত্তম আখলাকের অধিকারী বানান প্লিজ দুআ করে দিন।

1 Answer

0 votes
by (633,150 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
বান্দার হক সম্পর্কিত গোনাহ থাকলে, উক্ত বান্দা থেকেই ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে।
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী ও জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত।
وَعَن أبي سعيدٍ وجابرٍ قَالَا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْغِيبَةُ أَشَدُّ مِنَ الزِّنَا» . قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَكَيْفَ الْغِيبَةُ أَشَدُّ مِنَ الزِّنَا؟ قَالَ: «إِنَّ الرَّجُلَ لَيَزْنِي فَيَتُوبُ فَيَتُوبُ اللَّهُ عَلَيْهِ» - وَفِي رِوَايَةٍ: «فَيَتُوبُ فَيَغْفِرُ اللَّهُ لَهُ وَإِنَّ صَاحِبَ الْغِيبَةِ لَا يُغْفَرُ لَهُ حَتَّى يغفِرَها لَهُ صَاحبه»
 তাঁরা বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ’’গীবত’’ ব্যভিচারের চেয়েও ভয়ঙ্কর। সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহর রসূল! গীবত ব্যভিচার হতে ভয়ঙ্কর কিভাবে হতে পারে? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষ ব্যভিচার করে, অতঃপর তওবা্ করে এবং আল্লাহ তা’আলা অনুগ্রহ করে তওবা্ কবুল করেন। অপর এক বর্ণনায় আছে যে, অতঃপর ব্যভিচারী তওবা্ করে, আল্লাহ তা’আলা তাকে ক্ষমা করেন; কিন্তু পরোক্ষ নিন্দাকারীকে আল্লাহ তা’আলা ক্ষমা করেন না, যতক্ষণ না যার নিন্দা করা হলো সে ক্ষমা করে।(শু‘আবুল ঈমান ৬৭৪১, য‘ঈফুল জামি‘ ২২০৪, য‘ঈফ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ১৬৯০)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার দ্বারা যাদের হক নষ্ট হয়েছে বলে মনে হচ্ছে,এবং যাদেরকে কষ্ট দিয়েছেন বলে আপনার মনে হচ্ছে,তাদের সবার কাছ থেকে আপনি ক্ষমা চেয়ে নিবেন। ক্ষমা চাওয়া সম্ভব না হলে, যে কোনো কৌশলে আপনি তাদের হক তাদের নিকট ফিরিয়ে দিবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (633,150 points)
সংযোজন ও সংশোধন করা হয়েছে।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...