আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
363 views
in সাওম (Fasting) by (40 points)
আসসালামু আলাইকুম শায়েখ,

আজকে রোজারত অবস্থায় ইস্ত্রির (আয়রন) পোড়া দাগ উঠাতে প্যারাসিটামল ব্যবহার করি। ইস্ত্রি গরম করে এর উপর প্যারাসিটামল দিয়ে ঘষলে এর পোড়া দাগ উঠে যায়। এমতাবস্থায় প্যারাসিটামল পোড়ার ঝাঝালো গন্ধ ও ধুয়া নাকে প্রবেশ করে এবং গলায় এর স্বাদ অনুভব করি। প্রসঙ্গত আমার এটা জানা ছিলো যে প্যারাসিটামল পোড়ালে এমন ঝাঝালো গন্ধ বের হয় তবে দাগ অল্প হওয়াতে রোজা রেখেই কাজটা করে ফেলি কিন্তু অনেকটা সময় লাগায় প্রথমে স্বাদ না বুঝলেও পরে বিষয়টা গোচরে আসে। এমতাবস্থায় আমার জন্য হুকুম কি?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
অনিচ্ছাবশত গলায় ধোঁয়া, ধুলাবালি, মশা, মাছি চলে গেলে রোজা ভঙ্গ হয় না। (শামি: খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা-৩৬৬)।
এছাড়াও ফতওয়ার কিতাবে উল্লেখ আছে যে, ‘চাই তা পেটের ভেতরে চলে যাক না কেন। কেননা এগুলোকে মানুষ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে না। যদিও মুখে তার স্বাদ অনুভব হয়।’ (ফতওয়ায়ে কাজিখান: ১/২৯৮)
আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রা.) এক লোকের কণ্ঠনালিতে মাছি ঢুকে গেলে তাকে বললেন, এতে তোমার রোজা ভঙ্গ হয়নি। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা, খণ্ড: ৬, পৃষ্ঠা-৩৪৯; ফাতহুল কাদির, খণ্ড: ০২, পৃষ্ঠা : ২৫৮)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যেহেতু এটা অনিচ্ছাকৃত হয়েছে, তাই আপনার রোযা ফাসিদ হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (814,710 points)
সংযোজন ও সংশোধন করা হয়েছে।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 353 views
0 votes
1 answer 547 views
...