0 votes
371 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (41 points)
স্বামী, স্ত্রী দুজনই আলাদা স্থানে চাকুরী করেন। স্ত্রী তার চাকরীর কাজে একা বিভিন্ন স্থানে মাহরাম ব্যতিত যাওয়া ঠিক হবে কি। যদিও স্বামী রাজী নয় স্ত্রী চাকুরী করুন। এ ব্যাপারে স্বামীর কি করনীয়।

1 Answer

0 votes
by (32.1k points)
edited by

বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-

আল্লাহ তা'আলা পুরুষ এবং নারী দু'টি ভিন্ন জাতিকে তৈরী করেছেন।এবং তাদের কাজকেও বন্টন করে দিয়েছেন।এভাবে যে, সাধারণত পুরুষ বাহিরে কাজে ব্যস্ত থাকবে এবং নারীরা ঘরের ভিতর সামাল দিবে।এবং সন্তানসন্ততি কে শিক্ষাদীক্ষা দেয়ার মত মহান কাজ আঞ্জাম দিবে।

নারীশ্রম কে ইসলাম নিরোৎসাহিত করেছে।তবে শরয়ী জরুরুতে অনুমোদনও দিয়েছে।

নারীশ্রমের শরয়ী বিধান জানতে ভিজিট করুন করুন-632

ফিৎনার আশংকা না থাকলে নারীদের জন্য একদিন একরাত (পায়ে হেটে)সফর পরিমাণ দূরত্ব তথা (৭৭÷৩=২৫.৬)২৫.৬ কিলোমিটার বা তার চেয়ে কম পরিমাণ জায়গা সফর করা মাহরাম ব্যতীত জায়েয আছে।তবে ফিৎনার আশংকা থাকলে জায়েয হবে না।বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- 212

স্বামী যদি স্ত্রীকে খোরপোশ দিতে পারে,স্বামীর এমন আর্থিক সচ্ছলতা থাকে। তাহলে স্বামী তার স্ত্রীকে ঘরের বাহিরে যেতে বাধা দিতে পারবে।এ অধিকার স্বামীর রয়েছে।
যদি স্ত্রী স্বামীর আদেশকে তোয়াক্কা না করে।তাহলে এমতাবস্থায় স্বামী যেকোনোভাবে স্ত্রীকে বুঝানোর চেষ্টা করবে।

সকল চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর যদি স্বামী অপারগ হয়ে তালাক প্রদানের নিয়ত করে ফেলে,তাহলে এমতাবস্থায় বিনা কারণে তালাকের যে গোনাহের কথা হাদীসে বর্ণিত রয়েছে,সে গোনাহের ভাড় স্বামীর উপর পরবে না।

বিনা কারণে তালাকের শাস্তি জানতে ভিজিট করুন-468

স্ত্রী যদি স্বামীর হক্ব আদায় পূর্বক শরয়ী পর্দার সাথে ফ্রি মিক্সিং নয় এমন পরিবেশে  বৈধ কোনো কাজ করতে চায়,তাহলে এমতাবস্থায় স্বামীর জন্য বাধা না দেওয়াই উচিৎ।কেননা শরয়ী পর্দা রক্ষা করে চাকুরী করে স্বাবলম্বী হওয়াকে ইসলাম নাজায়েয মনে করে না।

বরং নিজ স্ত্রী পর্দার সাথে ঘরের ভিতর কোনো কাজের প্রস্তাব দিলে সেটার ব্যবস্থা করে দেয়া

প্রত্যেক স্বামীর উচিৎ।যেমন উম্মহাতুল মু'মিনিন হযরত যায়নাব রাযি নিজ বাড়িতে ট্যানারির কাজ করতেন। তাদেরকে শুধুমাত্র রান্নাবাড়ার কাজে লাগিয়ে না রাখা।কেননা মূলত তাদের সামনে রান্না করা খাবার উপস্থাপন করাই স্বামীর দায়িত্ব ছিলো।বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-430

আল্লাহ-ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, IOM.

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

Related questions

...