আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
402 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (12 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

উস্তাদ, আমার বর্তমানে একটি বিয়ের প্রস্তাব এসেছে,ঐ পাত্রের অনেক বিষয়েই আমাদের ভালো লেগেছে,আবার অনেক বিষয়েই আমাদের চাহিদার সাথে মিলেনি । আমাদের দেখাদেখি এমনকি বিয়ের কথাবার্তাও বেশিদূর আগাই নি।

আমরা চাচ্ছিলাম এই প্রস্তাবের থেকে ভালো কোনো প্রস্তাব আসলে সেদিকে আগাবো,,আর যদি এই প্রস্তাবের থেকে ভালো কোনো প্রস্তাব না আসে তাহলে বর্তমান যে প্রস্তাব আসছে এটার দিকে আগাবো।

আমার বিভিন্ন পড়াশোনা, ব্যস্ততার কারনে এই পাত্রের থেকে সময় নেয়া হয়েছে কিছু দিন।

পাশাপাশি ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বলা হয়েছে আমাদের থেকে উত্তম কাউকে পেয়ে থাকলে আপনারা সেদিকেও এগুতে পারবেন আমাদের পক্ষ থেকে সমস্যা থাকবেনা।আর অপেক্ষা করতে চাইলে অপেক্ষা করতে পারেন।
(এভাবে বলাতে কি কোনো গোনাহ হবে উস্তাদ? আমরা পাশাপাশি অন্য প্রস্তাব আসলে সেগুলোও দেখতে চাই)।

* কোনো  প্রস্তাব আসলো আমাদের চাহিদার সাথে কিছু মিললো কিছু মিললোনা,আমরা বেশিদূর কথা আগায়নি,এমনিতে বলে রাখলাম এখন অনেক ব্যস্ততা আছে পরবর্তীতে কথা এগিয়ে নেয়া যাবে। এভাবে বলে রাখলাম,পাশাপাশি এর থেকে ভালো সমন্ধ আসলে সেদিকে এগুলাম,আর যদি ভালো সমন্ধ না আসে তাহলে এখানেই কথা এগিয়ে নিলাম।এটা কি জায়েজ হবে উস্তাদ।?আমরা যে পাশাপাশি অন্য প্রস্তাব আসলে সেগুলোও দেখবো/অন্য প্রস্তাবে উনাদের দেখার অনুমতি বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি, এমন কোনো ইঙ্গিত ও দেয়া হয়নি পাত্র পক্ষ কে,, এভাবে কি আমরা অন্য সমন্ধের দিকে এগুতে পারবো উস্তাদ?  আমরা কি গোনাহগার হব?
আফওয়ান প্রশ্নটি বড় হয়ে গেছে।।

1 Answer

0 votes
by (805,290 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
হাদীসে বিয়ের জন্য দ্বীনদ্বার পাত্র/পাত্রী খুজতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।যেমন,রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেনঃ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : ( تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ لِأَرْبَعٍ : لِمَالِهَا ، وَلِحَسَبِهَا ، وَلِجَمَالِهَا ، وَلِدِينِهَا ، فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدِّينِ تَرِبَتْ يَدَاكَ)
চারটি জিনিস দেখে মহিলাকে সাধারণত বিয়ে করা হয়,(১)সম্পদ(২)বংশ(৩)সুন্দর্য্য (৪)দ্বীনদারী।
কিন্তু তুমি দ্বীনদারীত্বকে অগ্রাধিকার দাও।
{যদি তা না করো তবে তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে(تَرِبَتْ يَدَاكَ এর অনেক ব্যাখার একটি ব্যাখা)}(সহীহ বুখারী-৪৮০২সহীহ মুসলিম-১৪৬৬)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-
https://www.ifatwa.info/18

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
কাউকে পাক্কা কোনো ওয়াদা না দিয়ে আপনার বিবরণমত এভাবে বিষয়টাকে ঝুলিয়ে রাখতে পারবেন।কোনো গোনাহ হবে না। তবে এভাবে কতদিন ঝুলিয়ে রাখবেন। কতদিন পর্যন্ত অপেক্ষার প্রহণ গুনবেন। বরং আপনাদের উচিৎ হল, বিয়ের বয়স হওয়ার পর যখনই কোনো দ্বীনদার পাত্রের সন্ধান পাওয়া যাবে। উপরে বর্ণিত চারটি গুণের অধিকাংশর মিল পাওয়া যাবে, আপনি সম্মতি দিতে পারবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...