0 votes
15 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (5 points)
আসসালামুয়ালাইকুম, আমার হলে ইলেকট্রিক ক্যাটল ব্যবহার করার অনুমতি নেই।এটা আমরা ফর্মে সাইন করেই হলে রেজিস্ট্রেশন করি। হোস্টেলেদা দায়িত্বরত শিক্ষিকার অনুমতিতে ইলেকট্রিক ক্যাটল ব্যবহার করা যাবে কিনা।এতে চুক্তি ভঙ্গ হবে কি?

ফর্মে লিখা ছিলো তারা গোসলের জন্য গীজার দিবে,খাবার জন্য গরম পানি সাপ্লাই দিবে। কিন্তু এতো শীতে তারা কিছুই দেয়নি।গীজার নেই ইই‌।গরম পানি ও দেয় না।আমার হল গ্ৰাম এলাকায়,প্রচুর ঠাণ্ডা‌।আমাদের অনেকের অজু অনেক বার করতে হয় (এক ওয়াক্তে ৩/৪বার বা অনেক সময় তার চেয়েও বেশি),এতো বেশি ঠাণ্ডা পানিতে এটা খুবই কষ্টসাধ্য।

এমন অবস্থায় আমি যদি হলের দায়িত্বরত শিক্ষিকাকে আমার সমস্যার কথা বলার পর তিনি ইলেকট্রিক ক্যাটল ব্যবহার করার অনুমতি দেন সেটা আমার জন্য জায়েজ হবে?এতে চুক্তি ভঙ্গ হবে?

উল্লেখ্য শিক্ষিকা হোস্টেলের ওউনার না। হল সুপার না। সুপারের সাথেই থাকে।কিন্তু হলের যাবতীয় কার্যকলাপ দেখাশোনা করেন।

1 Answer

0 votes
by (306,320 points)


ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহাম।
জবাবঃ-
অন্যর মাল তার অন্তরের সন্তুষ্টি ব্যতীত কারো জন্য হালাল হয় না।বিদায় এসব পরিত্যাজ্য।
কেননা আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍْ ﻻَ ﺗَﺄْﻛُﻠُﻮﺍْ ﺃَﻣْﻮَﺍﻟَﻜُﻢْ ﺑَﻴْﻨَﻜُﻢْ ﺑِﺎﻟْﺒَﺎﻃِﻞِ ﺇِﻻَّ ﺃَﻥ ﺗَﻜُﻮﻥَ ﺗِﺠَﺎﺭَﺓً ﻋَﻦ ﺗَﺮَﺍﺽٍ ﻣِّﻨﻜُﻢْ ﻭَﻻَ ﺗَﻘْﺘُﻠُﻮﺍْ ﺃَﻧﻔُﺴَﻜُﻢْ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠّﻪَ ﻛَﺎﻥَ ﺑِﻜُﻢْ ﺭَﺣِﻴﻤًﺎ
তরজমাঃ-হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না। কেবলমাত্র তোমাদের পরস্পরের সম্মতিক্রমে যে ব্যবসা করা হয় তা বৈধ। আর তোমরা নিজেদের কাউকে হত্যা করো না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের প্রতি দয়ালু। (সূরা নিসা(২৯)

এবং হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত,
عن ابن عباس قال;قال رسول اللّٰه صلى اللّٰه عليه و سلم ﻻ ﻳﺤﻞ ﻣﺎﻝ ﺍﻣﺮﺉ ﻣﺴﻠﻢ ﺇﻻ ﺑﻄﻴﺐ ﻧﻔﺲ ﻣﻨﻪ " 
নবী কারীম সাঃ বলেনঃ"কোন মুসলমানের জন্য  অন্য কোনো মুসলমানের মাল তার অন্তরের সন্তুষ্টি ব্যতীত হালাল হবে না। (তালখিসুল হাবীর-১২৪৯)আরো জানুন- https://www.ifatwa.info/3747

সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
যেহেতু গিজার বা গরম পানি দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু দেয়নি, তাই আপনি হিটার ব্যবহার করতে পারবেন।এতে করে হোস্টেল কর্তৃপক্ষের হক নষ্ট করা হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
দায়িত্বরত শিক্ষিকা অনুমতি দেন নি।বললো এভাবেই মানিয়ে নিতে। এক্ষেত্রে কি না জানিয়ে ব্যবহার করা যাবে?চুক্তি ভঙ্গ হবে?

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্যদিকে প্রতিমাসে একাধিকবার আমাদের মুফতি সাহেবগন জুমের মাধ্যমে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। সেই ক্লাসগুলোতেও জয়েন করার জন্য অনুরোধ করা গেল। ক্লাসের সিডিউল: fb.com/iomedu.org

Related questions

...