0 votes
105 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (28 points)
এক মুসলিম এক হিন্দুকে বিয়ে করার জন্য ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে হিন্দু ধর্ম গ্ৰহনের সিন্ধান্ত নেয়, কিন্তু পরবর্তিতে তাদের বিয়ে না হওয়ায় সে আর ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে নাই।একাজের  জন্য যে তাকে তওবা করতে হবে বা কিভাবে তওবা করতে হয় তার কিছুই সে জানতোনা।এখন সে অনুতপ্ত হয়ে তওবা করেছে। সে জানতে চায় ১) এতোদিন কি সে মুসলিম ছিল? ২)সে তার জীবনের সকল পাপের জন্য একসাথে "আল্লাহ আমি আমার জীবনের সমস্ত পাপ থেকে তওবা করলাম" বলে তওবা করেছে। এই পাপের জন্য এভাবে আমভাবে তওবা করলে কি হবে ? ৩) তার কি এই পাপ থেকে তওবার করার আগের কাযা সালাত ও রোযা আদায় করতে হবে?

1 Answer

0 votes
by (95,960 points)
বিসমিহি তা'আলা


জবাবঃ-
(১)যখনই সে অমুসলিম হওয়ার নিয়ত করেছিলো,তখনই সে কাফির হয়ে যায়।অমুসলিম হওয়ার জন্য আনুষ্টানিকতার কোনো প্রয়োজন নেই।বরং নিয়ত করলেই যে কেউ অমুসলিম হয়ে যাবে।আল-ইয়াযু বিল্লাহ(আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক।আমীন)

(২)
সে এত বড় অন্যায় ও জগন্য কাজ করতে যাচ্ছিলো যে,ইসলামী রাষ্ট্রের হাকীমের উপর ওয়াজিব ছিলো তাকে হত্যা করা।কেননা মুরতাদের শাস্তি হলো একমত্র হত্যা, যদি সে ফিরে না আসে।

তাকে জীবনের সকল প্রকার গোনাহ বিশেষকরে মুরতাদ হওয়ার গোনাহ থেকে তাওবাহ করতে হবে।এবং আবার এক আল্লাহ ও রাসূলুল্লাহ সাঃ এর উপর বিশ্বাস আনতে হবে।কালিমায়ে তাইয়্যিবাহ পড়তে হবে।

(৩)
মুরতাদ হওয়ার পর যদি কেউ মুসলমান হয়,তাহলে মুরতাদ থাকাবস্থায় যে সমস্ত নামায রোযা ছুটেছে,সেগুলোর কোনো কা'যা লাগবে না।বরং মুরতাদ হওয়ার জন্য উনাকে সারা জীবন তাওবাহ ইস্তেগফার করতে হবে।

ذهب الحنفية والمالكية إلى عدم وجوب قضاء الصلاة التي تركها أثناء ردته؛ لأنه كان كافرا، وإيمانه يجبها
হানাফি এবং শা'ফেয়ী মাযহাব মতে মুরতাদ থাকাবস্থার নামায রোযা কা'যা করতে হবে না।কেননা তখন সে কাফির ছিলো।আর নামায রোযাকে মূলত ঈমানই ওয়াজিব করে থাকে।
(আল-মাওসুআতুল ফেকহিয়্যাহ-২২/২০০)

তবে মুরতাদ হওয়ার পূর্বে মুসলমান থাকাবস্থায় যদি কোনো নামায রোযা কা'বা থাকে,তাহলে সেটাকে কা'যা করতে হবে।

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ, IOM.


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...