0 votes
23 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (59 points)

মুহতারাম আসসালামু'আলাইকুম, 

লটারি, প্রাইজবন্ড এর মাধ্যমে পাওয়া অর্থ এবং লটারি, প্রাইজবন্ড কেনা কি হারাম? কারো কাছে যদি প্রাইজবন্ড থাকে তাহলে সেগুলা কি করবে যদি হারাম হয়ে থাকে? আবার অনেকে মিলে নিয়ম করে মাসে মাসে লটারি খেলে। ইসলামে এটা কি জায়েজ?    

1 Answer

0 votes
by (32.3k points)

বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-
সব রকম লটারী হারামের অন্তর্ভুক্ত না।বরং ঐ সমস্ত লটারী-ই হারামের অন্তর্ভুক্ত, যা দ্বারা কোনো হক্ব বা যোগ্যতা কিংবা মালিকানাকে নির্ধারণ করা হয়।

কিন্তু যদি পূর্ব থেকেই হক্ব বা অধিকার প্রতিষ্টিত থাকে।কিন্তু উভয় সমান সমান হওয়ার ধরুণ কাউকে অগ্রাধিকার দেওয়া যাচ্ছেনা-এমতাবস্তায় একজনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য লটারির মাধ্যমে তাকে নির্ধারণ করা হয়,তাহলে এ প্রকার লটারী অবৈধ হবে না। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- 1505

কিন্তু আমাদের সমাজে সাধারণত কুপন কেটে যে লটারী দেয়া হয়,সেটা নিম্নোক্ত আয়াতের অধীনে থাকার ধরুণ পরিস্কার হারাম বলেই সাব্যস্ত হবে।

আল্লাহ তা'আলা বলেন,
ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍْ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟْﺨَﻤْﺮُ ﻭَﺍﻟْﻤَﻴْﺴِﺮُ ﻭَﺍﻷَﻧﺼَﺎﺏُ ﻭَﺍﻷَﺯْﻻَﻡُ ﺭِﺟْﺲٌ ﻣِّﻦْ ﻋَﻤَﻞِ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥِ ﻓَﺎﺟْﺘَﻨِﺒُﻮﻩُ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢْ ﺗُﻔْﻠِﺤُﻮﻥَ
হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাক-যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।(সূরা মায়েদা-৯০)

এবং প্রাইজবন্ড ও হারাম।কেননা এখানে ঋণের বিপরিতে প্রাইজবন্ড দেয়া হচ্ছে, যদিও লটারীর মাধ্যমে দেয়া হোক না কেন? সুতরাং ঋণের বিপরিতে পুরুস্কার যাকে প্রাইজবন্ড বলা হয়,সেটা হারাম হিসেবেই সাব্যস্ত করা হবে।

কারো কাছে প্রাইজবন্ডের কোনো কুপন থাকলে, তিনি তারাতারি সেটাকে টাকায় রূপান্তরিত করে নেবেন।টাকায় রূপান্তরিত করার পূর্বে যদি কোনো পুরুস্কার লেগে যায়,তাহলে উক্ত পুরুস্কারকে গ্রহণ করা যাবে না।

সু-প্রিয় পাঠকবর্গ!ও প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আমাদের দেশে প্রচলিত দশ টাকা/বিশ টাকার মূল্যের যে লটারী কুপুনেরর প্রচলন রয়েছে,এগুলো পরিস্কার হারাম।প্রাইজবন্ডও হারাম।চায় লটারী বা প্রাইজবন্ড গুলো একা একা কেউ ক্রয় করুক বা অনেকজন মিলে ক্রয় করুক।সর্বাবস্থায় হারামই হবে।

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, Iom.

by (59 points)
জাযাকাল্লাহু খাইরন।

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

Related questions

...