আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
হজরত, আমার একটি কুরবানীর নেসাব সম্পর্কিত মাসআলা জানার ছিল।
যদি কোনো ব্যক্তির কাছে নগদ টাকা, স্বর্ণ বা রূপা না থাকে, কিন্তু তার কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কিছু জমি থাকে-যে জমিগুলোতে বছরে দুইবার ফসল আবাদ হয় এবং ফসল পাওয়া যায়-তাহলে কি তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে?
এক্ষেত্রে জানার বিষয়গুলো হলো:
১. এই ধরনের প্রয়োজনের অতিরিক্ত কৃষিজমি কি কুরবানীর নেসাবের হিসাবের মধ্যে ধরা হবে?
২. জমির বাজারমূল্য যদি বর্তমান রূপার নেসাবের সমপরিমাণ বা তার বেশি হয়, কিন্তু হাতে নগদ টাকা না থাকে, তাহলে কি কুরবানী ওয়াজিব হবে?
৩. জমি থেকে যে ফসল পাওয়া যায়, সেটির আয়/মূল্য কি আলাদাভাবে হিসাব করতে হবে?
৪. যদি জমিটি পরিবারের জীবিকার অংশ হয়, কিন্তু বসবাস বা দৈনন্দিন সরাসরি প্রয়োজনের জন্য না হয়, তাহলে সেটি প্রয়োজনীয় সম্পদ হিসেবে গণ্য হবে, নাকি প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ হিসেবে ধরা হবে?
অনুগ্রহ করে বিষয়টি বিস্তারিত জানালে উপকৃত হবো।
জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।