আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।
বর্তমান যুগে অফলাইন মহিলা কওমি মাদ্রাসায় পড়া কি জায়েয?সেখানে শুধু মেয়েরায় থাকে, কিন্তু পুরুষ উস্তাদ দিয়েও দারস হয় এবং মহিলা উস্তাদ দিয়েও।পর্দাদ আড়ালে পুরুষ উস্তাদ দিয়ে দারস হয়।কিন্তু দেখা যায় পুরুষ উস্তাদ গণদের সাথে পড়ার প্রয়োজনীয় তা ছাড়াও কথা হয়ে যায়।অনেক উস্তাদ ত আবার এতে অন্য কিছু মনে করেন কথা নাহ বললে ১ নাম্বার ছাত্রী হলে আবার।পুরুষ উস্তাদ মেয়েদেরকে মারে,অনেক রাগ দেখায় কিছু কিছু উস্তাদ।অফলাইন মাদ্রাসায় মেয়েদের ফেতনা থাকে কওমি তে মহিলা মাদ্রাসায়ই,,অনেক সময় মহিলা উস্তাযাহ,উস্তাদও ফেতনা ছড়ান।দেখা যায় মহিলা উস্তাযাহই গীবত করেন আমাদের সামনে।
আমার আরও একটি প্রশ্ন আমরা জানি যে উস্তাদ,উস্তাযাহ দের সম্মান করতে,আদব মেনে চলতে,ইলম অর্জনের জন্য উস্তাদ,আর উস্তাযাহর দুয়া অনেক বড়,তাই সবসময় উনাদের খেদমত করা,আদব মেনে চলা।সবসময় উনাদের পায়ের সামনে পড়ে থাকা।এখন যদি মাদ্রাসায় উপরোক্ত ফেতনা গুলো থাকলে তখন আর মন চায় নাহ খেদমত করা,বা ইত্যাদি। এমন অবস্থায় কি করা উচিত,উস্তাদগণ দের প্রতি কেমন আচরণ হওয়া উচিত, সম্মান এবং আদব ত অবশ্যই দেখাব।কিন্তু আমরা পেএছি বা শুনেছি আগের আকাবীর গণ ইলমের জন্য উস্তদদের অনেক খেদমত করতেন,,উনারা নাকি অনেক কষ্ট করে ইলম অর্জন করেছেন।
মাদ্রাসায় যদি ভালো করে দারস না বুজা যায় মানে অনেক সময় এমন হয় যে দারস বুজা যায় নাহ,আশেপাশে আরও ক্লাস থাকে অন্য জামাতের,যেহেতু আলাদা রুম নাহ, একসাথে এভাবে দারস শুনা অনেক কষ্টের হয়।আবার সামনে নাহ বসতে পারলে দারস বুজা যায় নাহ।এদিকে মাদ্রাসার মেয়েরা কেমন জানি,ঝগড়া করে,, যারা আবাসিক থাকে তারা সামনে বসে পড়ে,উস্তাদ গণ এই বসা নিয়ে বলে দিলেও কথা মানে নাহ,আমিও ভয়ে কিছু বলতে পারি নাহ।এক প্রকার ভয়ে থাকি সবসময়। মনই চায় নাহ মাদ্রাসায় যেতে,যখন হেদায়েত প্রাপ্ত হই তখন জেনারেল পড়াশোনা ছেড়ে মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে যাই,,কিন্তু এখন দিন দিন বুজতেছি মাদ্রাসায় কত ফেতনা,যেহেতু নিজের ইচ্ছায় ভর্তি হই,তাই এখন ছাড়তেও পারছি নাহ,অনেকে অনেক কথা শুনাবে দেখে,।আবার অনেকে বলে যে হাজার ফেতনার মধ্যে এবং কষ্ট করেই নাকি ইলম শিখতে হয়।
দয়াকরে শায়েখ আমার প্রশ্নগুলোর উত্তম দিবেন মিন ফাদ্বলিক।