আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
81 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (8 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।
বর্তমান যুগে অফলাইন মহিলা কওমি মাদ্রাসায় পড়া কি জায়েয?সেখানে শুধু মেয়েরায় থাকে, কিন্তু পুরুষ উস্তাদ দিয়েও দারস হয় এবং মহিলা উস্তাদ দিয়েও।পর্দাদ আড়ালে পুরুষ উস্তাদ দিয়ে দারস হয়।কিন্তু দেখা যায় পুরুষ উস্তাদ গণদের সাথে পড়ার প্রয়োজনীয় তা ছাড়াও কথা হয়ে যায়।অনেক উস্তাদ ত আবার এতে অন্য কিছু মনে করেন কথা নাহ বললে ১ নাম্বার ছাত্রী হলে আবার।পুরুষ উস্তাদ মেয়েদেরকে মারে,অনেক রাগ দেখায় কিছু কিছু উস্তাদ।অফলাইন মাদ্রাসায় মেয়েদের ফেতনা থাকে কওমি তে মহিলা মাদ্রাসায়ই,,অনেক সময় মহিলা উস্তাযাহ,উস্তাদও ফেতনা ছড়ান।দেখা যায় মহিলা উস্তাযাহই গীবত করেন আমাদের সামনে।

আমার আরও একটি প্রশ্ন আমরা জানি যে উস্তাদ,উস্তাযাহ দের সম্মান করতে,আদব মেনে চলতে,ইলম অর্জনের জন্য উস্তাদ,আর উস্তাযাহর দুয়া অনেক বড়,তাই সবসময় উনাদের খেদমত করা,আদব মেনে চলা।সবসময় উনাদের পায়ের সামনে পড়ে থাকা।এখন যদি মাদ্রাসায় উপরোক্ত ফেতনা গুলো থাকলে তখন আর মন চায় নাহ খেদমত করা,বা ইত্যাদি। এমন অবস্থায় কি করা উচিত,উস্তাদগণ দের প্রতি কেমন আচরণ হওয়া উচিত, সম্মান এবং আদব ত অবশ্যই দেখাব।কিন্তু আমরা পেএছি বা শুনেছি আগের আকাবীর গণ ইলমের জন্য উস্তদদের অনেক খেদমত করতেন,,উনারা নাকি অনেক কষ্ট করে ইলম অর্জন করেছেন।

মাদ্রাসায় যদি ভালো করে দারস না বুজা যায় মানে অনেক সময় এমন হয় যে দারস বুজা যায় নাহ,আশেপাশে আরও ক্লাস থাকে অন্য জামাতের,যেহেতু আলাদা রুম নাহ, একসাথে এভাবে দারস শুনা অনেক কষ্টের হয়।আবার সামনে নাহ বসতে পারলে দারস বুজা যায় নাহ।এদিকে মাদ্রাসার মেয়েরা কেমন জানি,ঝগড়া করে,, যারা আবাসিক থাকে তারা সামনে  বসে পড়ে,উস্তাদ গণ এই বসা নিয়ে বলে দিলেও কথা মানে নাহ,আমিও ভয়ে কিছু বলতে পারি নাহ।এক প্রকার ভয়ে থাকি সবসময়। মনই চায় নাহ মাদ্রাসায় যেতে,যখন হেদায়েত প্রাপ্ত হই তখন জেনারেল পড়াশোনা ছেড়ে মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে যাই,,কিন্তু এখন দিন দিন বুজতেছি মাদ্রাসায় কত ফেতনা,যেহেতু নিজের ইচ্ছায় ভর্তি হই,তাই এখন ছাড়তেও পারছি নাহ,অনেকে অনেক কথা শুনাবে দেখে,।আবার অনেকে বলে যে হাজার ফেতনার মধ্যে এবং কষ্ট করেই নাকি ইলম শিখতে হয়।

দয়াকরে শায়েখ আমার প্রশ্নগুলোর উত্তম দিবেন মিন ফাদ্বলিক।
by (8 points)
এমন অবস্থায় কি অফলাইন মাদ্রাসায় পড়ব,৩ বছরের মত হয়ে গিয়েছে কিন্তু এখনো আমার অফলাইন মাদ্রাসায় মন বসছে নাহ,যেতে ইচ্ছে হয় নাহ।নাকি এটা শয়তানের ধোঁকা??আমার কি করা উচিত দয়া করে বলবেন ইং শা আল্ল-হ। 

1 Answer

0 votes
by (812,700 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
জ্ঞানার্জন প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরয।
এখন প্রশ্ন হল কতটুকু জ্ঞানার্জন একজন মুসলমানের উপর ফরয?
এ সম্পর্কে ইবনে আবেদীন শামী রাহ,বলেনঃ
لَا شَكَّ فِي فَرْضِيَّةِ عِلْمِ الْفَرَائِضِ الْخَمْسِ وَعِلْمِ الْإِخْلَاصِ؛ لِأَنَّ صِحَّةَ الْعَمَلِ مَوْقُوفَةٌ عَلَيْهِ وَعِلْمِ الْحَلَالِ وَالْحَرَامِ وَعِلْمِ الرِّيَاءِ؛ لِأَنَّ الْعَابِدَ مَحْرُومٌ مِنْ ثَوَابِ عَمَلِهِ بِالرِّيَاءِ، وَعِلْمِ الْحَسَدِ وَالْعُجْبِ إذْ هُمَا يَأْكُلَانِ الْعَمَلَ كَمَا تَأْكُلُ النَّارُ الْحَطَبَ، وَعِلْمِ الْبَيْعِ وَالشِّرَاءِ وَالنِّكَاحِ وَالطَّلَاقِ لِمَنْ أَرَادَ الدُّخُولَ فِي هَذِهِ الْأَشْيَاءِ 
দ্বীনের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি ফারাইয(ভিত্তি) তথা কালেমা,নামায,রোযা,হজ্ব,যাকাত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় জ্ঞানার্জন ফরয। এতে কোনো প্রকার সন্দেহের অবকাশ নেই। কেননা উপরোক্ত ফারাইযের উপর আমল করা সে সম্পর্কে জানাশোনা এবং হালাল-হারাম ও রিয়া সম্পর্কে জানাশোনার উপর নির্ভরশীল। কারণ এবাদত কারী রিয়ার কারণে তার কৃত আমলের সওয়াব থেকে বঞ্চিত হয়ে যায়।
এবং হিংসা-নিন্দা ও অন্যর ভালোতে অপচন্দনীয় মনোভাব সবই আ'মলের সওয়াব বিনষ্টকারী।
এমনভাবে যে,যেমনভাবে আগুন লাকড়িকে জ্বালিয়ে দেয়।এবং ক্রয়-বিক্রয় ও বিবাহ-তালাকে প্রবেশকারী ব্যক্তিবর্গের জন্য সে সম্পর্কে জ্ঞানার্জন ফরয। (শেষ)
মহিলা মাদরাসা সম্পর্কে আরো জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1102


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনি যতগুলো নেতিবাচক দিক উল্লেখ করেছেন, এগুলো কোনো কওমী মহিলা মাদরাসাতে হওয়া কখনো কাম্য নয়। কওমী মহিলা মাদরাসা এইসব অযাচিত ও অনুচিত বিষয় থেকে মুক্ত হওয়া অবশ্য উচিত। তাইবলে মাদরাসা শিক্ষা কে অবমূল্যায়ন করা যাবে না। যতটুকু ভালো ও উত্তম এবং শরীয়া সম্মত বিষয় এখানে রয়েছে, এগুলোও অন্য কোথাও খুজে পাওয়া যাবে না। তাই আপনি নিজে সংশোধন হয়ে  শরয়ী সকল প্রকার বিধিবিধান মেনে চলে সেখানে পড়াশোনা চালিয়ে যাবেন। এবং অন্যকেও উৎসাহিত করবেন। ছেড়ে যাওয়ার চেয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়াবলীকে সংশোধন করাই একজন মু'মিনের দায়িত্ব ও কর্তব্য। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
উস্তাদ তাহলে কি আমি এই ফেতনার মধ্যে  এবং কষ্ট করেই ইলম শিখব এই মাদ্রাসায়?

by (812,700 points)
জ্বী, কষ্ট করে নিজের ঈমান আমলকে হেফাজত করে ইলম শিখবেন।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...