১) আমরা নবীজিকে নিয়ে যখন ইসলামিক নাশিদ গেয়ে থাকি যেমন
উর্দু নাশিদ (নাবি আপকো মে নে দেখা নাহি হে) আবার
নাবিউন্নবী নাবি..উন নাবী....
এই নাশিদগুলো বলার সময় সাথে সাথে তো নবীর নাম অন্তত আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলা সম্ভব হয় না। তাহলে নাশিদটার সুর মিলানো সম্ভব না।
সাথে সাথে যদি { ﷺ } না বলে তাহলে কি গুনাহ হবে? নাকি নাশিদ গাওয়ার শেষে দুরুদ পড়ে নিলেই হবে ?
২) বালেগ হওয়ার পর ইচ্ছাকৃতভাবে ফরজ রোজা ভেঙেছিলাম। কিন্তু তখন তো কাজা-কাফফারা সম্পর্কে জানতাম না। এই রোজার জন্য কি এখন কাফফারা করতে হবে ?
৩) আর বালেগা হওয়ার আগে না বুঝে ইচ্ছাকৃতভাবে লুকিয়ে খাবার খেয়ে রোজা ভেঙেছিলাম কিন্তু কেউ জানে নি । সবাই জেনেছিল তখন রোজাটা রেখেছিলাম। এজন্য কি গুনাহ হয়েছে? বা কাযা করতে হবে?
৪)) ক্লাস এইটের পরীক্ষার পর মনে মনে বলেছিলাম সুরা ইয়াসিন মুখস্ত করব । কিন্তু পরবর্তীতে দশ আয়াত মুখস্ত করার পর অবহেলা করে আর করিনি ,, এটার বিধান কি ?
৫) আমি দূরের জিনিস কিছুটা কম দেখি তাই চশমা নিয়েছিলাম, কিন্তু বিয়ের জন্য দেখতে আসলে সবাই আমাকে চশমা না পড়ে তাদের সামনে যেতে বলতো। আর সমস্যাটা তেমন গুরুতরো নয় আমি বর্তমানে ৩.৫-৪ বছর ধরে চশমা পড়া ছেড়ে দিয়েছে, যেন কেউ বলতে না পারে চশমা রেখে পাত্রপক্ষের সামনে যাও। কিন্তু আমি তো জানি আমার চোখে একটু সমস্যা আছে, তাহলে পাত্রপক্ষের কাছে এই বিষয়টা গোপন রাখলে কি গুনাহ হবে? স্বাভাবিক ভাবে কেউ বুঝতে পারবে না যে আমার চোখে সমস্যা আছে।
৬) অনেক সময় শুক্রবার উপলক্ষে ফেসবুকে স্টোরি দিয়ে থাকি জুমাহ রিমাইন্ডার হিসেবে সূরা কাহাফ দুরুদ ইস্তেগফার বেশি দোয়া করা ইত্যাদি..
কিন্তু যদি আমি কোন কারণে সূরা কাহাফ তেলাওয়াত করতে পারলাম না,, কিন্তু স্টোরি যে দিয়েছি এর জন্য কি আমার গুনাহ হবে???
অনুরূপ কোন গ্রুপে আমি পোস্ট করলাম , কিন্তু আমি ভুলে গিয়েছিলাম তাই সেই টা আর করতে পারিনি এর বিধান কি?
৭) আমি যেন মৃত্যুর পর ও সওয়াব পাই তার জন্য আমার নামে একটা,আমার বাবা - মা যেন সারাজীবন সওয়াব পায় তাদের জন্য দুইটা, এবং মৃত দাদা- দাদীর নামে দুইটা কোরআন এর জন্য*খইরুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন* টাকা প্রদান করি তাহলে কি আমি এবং আমার বাবা-মা, দাদা-দাদী সারাজীবন এবং মৃত্যুর পর ও সওয়াব পাবো?
৮) কলেজ লাইফে আমার কিছু ছেলে ফ্রেন্ড ছিল,, তাদের কিছু দোষ যেমন তারা কাদের সাথে রিলেশনে আছে ইত্যাদি.. আমার খালামনির সাথে শেয়ার করতাম। যেহেতু দোষ বলতাম, তার মানে তো গীবত হয়েছে। কিন্তু তাদের সাথে এখন আমার আর কথা বলা সম্ভব না। যথা সম্ভব এড়িয়ে চলি,ক্ষমা চাওয়াও সম্ভব না। কারো কারো সাথে টোটালি কথা বন্ধ করে দিয়েছি । তাহলে এখন আমার করনীয় কি ?
৯) আমার এক আত্মীয়র বিয়ের জন্য আমার ক্লাসের এক বান্ধবীর কথা বলেছিলাম কিন্তু বান্ধবীর এক ছেলের সাথে সম্পর্ক ছিল ,সেটাও বলেছি , এটা বলা কি আমার গীবত হয়েছে ?
১০) পাত্র পাত্রী দেখতে গেলে অনেকেই বলে মেয়ে একটু খাটো/কালো কিংবা ছেলে একটু খাটো ইত্যাদি... এসব বললে কি গুনাহ হবে ?
১১) টিউশনিতে আমার এক স্টুডেন্ট আট দিন বন্ধ করেছে স্বাভাবিকভাবে যেহেতু টিচার সেই বন্ধটা করেনি তাই পুরো মাসের বেতন নেয়। এক্ষেত্রে আমার কি পুরো মাসের বেতন নিলে পাপ হবে? যেহেতু বন্ধটা আমি করিনি সে নিজে করেছে।
১২) আমি এক জায়গায় থেকে একটা আমল শিখেছিলাম ,
১০০ বার দুরুদ শরীফ,
৪৯৯ বার লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ ,
তারপর যখন ৫০০ বার হবে,তখন লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিউল আজিম , পরার পর আবার ১০০ বার দুরুদ শরীফ , পরে দোয়া করলে, ইনশাআল্লাহ সেই দোয়া কবুল হবে,, এটা কি সহীহ?
১৩) মৃত্যু ব্যাক্তিদের পক্ষ থেকে কি যিকির করা যাবে?