আসসালামু আলাইকুম,
আমি ওযুর সময় কিছু দু'আ করি নিজের জন্য। যেমন, হাত ধৌত করার সময় বলি 'আল্লাহ আমার এই দু'হাতকে আপনি সমস্ত প্রকার গোনাহ থেকে হেফাজত করুন, ডান হাতে আমল নামা দিয়েন বাম হাতে দিয়েন না, এই দু'হাত দিয়ে মুত্তাকিনের ইমাম গড়ার তৌফিক দান করুন। কুলি করার সময় বলি, গিবত এবং হারাম ভক্ষণ থেকে হেফাজত করুন। মাথা মাসেহ এর সময় বলি উপকারী জ্ঞান অর্জন করার তৌফিক দান করুন। এভাবে প্রত্যেক অঙ্গ ধৌত করার সময় দু'আ করে নেই। তবে আমি জানি এগুলো মাসনুন দু'আ না। প্রতিবার ওযুর সময় আমি এভাবে নিজের জন্য দু'আ করি। মাঝে মাঝে এগুলো পরিবর্তন করি। যেমন কখনো বলি আল্লাহ এই দু'হাত দিয়ে আপনার সন্তুষ্টির জন্য বেশি বেশি দান সদাকাহ করার তৌফিক দান করুন অথবা রান্নার হাত ভালো করে দিন। এই যে আমি এভাবে দু'আ করি এগুলো কি বিদ'আত? বা অনুত্তম? ওযুর মাঝের যে একটা দু'আ আছে তা আমার মুখস্থ নেই অনেক বার চেষ্টা করেও মুখস্থ করতে পারিনি তবে ওযুর শেষে কালিমা শাহাদাত পাঠ করি। এখন এই যে ওযূর মধ্যে দু'আ গুলো করি এগুলো কি বিদ'আত?
২) রাতে যখন আমি আঁকাশ দেখি তখন নিজের জন্য দু'আ করে নেই। যেমন, আল্লাহ আমার গোনাহ গুলো কে ক্ষমা করুন, ফজরে ওঠার তৌফিক দিয়েন। চাঁদ দেখে মনে মনে বলি, চাঁদের থেকে সুন্দর ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তারপর দরুদ পড়ে নেই। এটাও কি বিদ'আত? আমার কি এগুলো পরিহার করা উচিত?
৩) অনেক সময় অনেকে অনেক রকম আচরণ করে যেগুলোতে আমার খারাপ লাগে। পরক্ষনে তারা আবার জিজ্ঞেস করে মন খারাপ করেছি কিনা! আমি বলি, 'না, করিনি।' এটা কি মিথ্যার অন্তর্ভুক্ত?
৪) রান্না করার সময় ভাজি জাতিও কিছু হলে, লবন চেক করতে গিয়ে একটু বেশি খেয়ে ফেলি এর জন্য কি চুরি করার গোনাহ হবে? শাশুড়ি বলে রেখেছেন আমার যখন যা মনে চাবে আমি যেন নির্দ্বিধায় খাই। যেহেতু আমি তাদের সামনে খাইনা সেহেতু এভাবে খাওয়া কি চুরি? আমার কি শাশুড়ির কাছে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে?