আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
13 views
ago in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (3 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,

মুফতি সাহেব,


আমি ইসলামিভাবে তালাকের একটা কিনায়া শব্দ ব্যবহারে নিজের নিয়ত নিয়ে সন্দেহে আর চিন্তায় ছিলাম, এরপর বুঝতে পারি আমার ঐ শব্দ ব্যবহারে আমার বিচ্ছেদের কোনো নিয়ত  ছিলো  না ।  এরপর নিজেকে এই বিষয়টি  আরো ভালোভাবে বুঝানোর জন্যে  আমি একটি কৃত্রিম বিচ্ছেদের নিয়ত বা ফিলিংস (feelings) মনের মধ্যে এনে উচ্চারণ করি, "চলে যাও" শুধুমাত্র নিজেকে এইভাবে বুঝাতে যে এইভাবে এই অনুভূতির সাথে কথাটা বললে তালাক কার্যকর হয়, নয়তো হয়না। কিন্তু এটা নিজেকে বুঝাতে গিয়ে নিজে ঐরকম  কাল্পনিক বিচ্ছেদের অনুভূতি বা কাল্পনিক নিয়ত সাজিয়ে কথাটা বলি।  কিন্তু আমার এই কথা বলার বাস্তব নিয়ত তালাক দেওয়ার ছিলো না, শুধুমাত্র নিজেকে বুঝানো জন্য নিজের মধ্যে ঐ কাল্পনিক বিচ্ছেদের অনুভূতি বা নিয়ত এনে কথাটা বলেছিল


আমার প্রশ্ন:

১. আমার প্রকৃত নিয়ত তালাক দেওয়া ছিল না, বরং তালাকের নিয়ত কেমন হয় তা নিজেকে বুঝানো বা ডেমোনস্ট্রেট (demonstrate) করার জন্য কাল্পনিক বিচ্ছেদের নিয়তে কথা টা উচ্চারণ করে নিজেকে বুঝাচ্ছিলাম।  এই ক্ষেত্রে কি আমার তালাক হয়েছে?


২. আমি যেহেতু বিষয়টি শেখার জন্য একটি কাল্পনিক নিয়ত (fake intent) মনের মধ্যে এনে কথাটি বলেছি, এটা কি শরীয়াহতে প্রকৃত নিয়ত হিসেবে গণ্য হবে?


মেহেরবানি করে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে এর সমাধান দিয়ে আমার মনের সংশয় দূর করলে কৃতজ্ঞ থাকব।

1 Answer

0 votes
ago by (766,290 points)
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। 

বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন 

রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন 
⤵ গ্রুপ লিংক:
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...