বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
চুল কাটা ও শরয়ী বিধি-বিধান।
চুল সম্পর্কে শরয়ী বিধান হচ্ছে,পরিবেশ ও পরিস্থিতি এবং আবহাওয়া সাথে সমতা রেখে বাবড়ি চুল ও চুলমুন্ডন,এ দু-থেকে যে কোনো একটিকে গ্রহণ করা যাবে,এতে কোনোপ্রকার বিধি-নিষেধ নেই।তবে বাবড়ি চুল রাখা সুন্নাত এবং চুল মুন্ডন করাও হানাফি মাযহাব মতে সুন্নাত,অর্থাৎ উভয়টিই সুন্নাত ।(ফাতওয়ায়ে রশিদিয়া)
এবং চুলকে কেটে খাটো করাও যাবে তবে বিষয়টা একটু ব্যখ্যা সাপেক্ষ্য। সুতরাং চুল কাটা সম্পর্কে ইসলামী বিধান হচ্ছে,চতুর্দিকে সমান করে কাটা,যতটুকু সামনের দিকে কাটা হবে ততটুকু পিছন ও মাথার মধ্যখান এবং উভয় সাইট থেকেও কাটতে হবে,উভয় সাইট ও পিছনের দিকে চুল ফেলে দিয়ে সামন বা মধ্যখানে চুল রেখে দেয়া কখনো জায়েয হবে না বরং তা হারাম হবে।
মোটকথা,
তিন ত্বরিকায় মাথার চুল রাখা যাবে।
(১) বাবড়ি চুল রাখা।
(২) চুল মুন্ডানো।
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(ক) স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে বলা "কি চুরের মতো চুল কাটিয়েছো?" এখানে স্ত্রীর যদি উদ্দেশ্য হয়,ইসলাম মুসলমান বা নবীজি (সা:) এবং সাহাবী (রাঃ) এর প্রতি অবমাননা করা, উপহাস করা, তাহলে স্ত্রীর ঈমান থাকবে না। তবে সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে ইসলাম অবমাননা উদ্দেশ্য হয় না, কাজেই ঈমান চলে যাবে না।
(খ) কারো দ্বারা নবীজি (সা:) প্রতি অবমাননা হলে, তারও মাফের কোন সুযোগ আছে, যদি সে তাওবাহ করে নেয়।
(গ) কোন স্বামী বা কোন স্ত্রীর দ্বারা নবীজি (সা:) এর প্রতি অবমাননা হলে, ঐ দম্পত্তির বৈবাহিক সম্পর্কে অবশ্যই সমস্যা আসবে। তবে অপমান হয়েছে, সেটা কোনো মুফতিকে ঘোষণা দিতে হবে।