আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
8 views
ago in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (78 points)
১।নিজের খরচ করে, পরিবারের খরচ দিয়ে , যাকাত, কোরবানি, ফিতরা দেওয়ার পর নিচের পয়েন্ট গুলোর মত দান করে এবং  খাবার খাওয়ায় যদি  ফরজে কেফায়া হয় আদায় হবে কি না। যদি নিজে না গিয়ে কোনো সংস্থাকে টাকা দিলে সংস্থাটা আলেম ওলামাদের  আমার জানা মতে HAFEZZI CHARITABLE SOCIETY OF BANGLADESH  দান এবং খাবার খাওয়ানোর ফরজে কেফায়া  আদায় হবে কিনা।
(ক)মাসে ৮০ থেকে  এক লাখ বা তার উপরে দেড় লাখের নিচে  ইনকাম করলে মাসে ৪ -৫ হাজার নফল দান করার নিয়ত আছে সেটা যদি ফিলিস্তিন বা যেখানে সমস্যা আছে টাকা দিলে দান করার এবং খাবার খাওয়ানোর  ফরজে কেফায়া আদায় হবে কি  ।

(খ)মাসে ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজারের মধ্যে  টাকা ইনকাম হলে মাসে ২-৩ হাজার টাকা নফল দান করার নিয়ত আছে সেটা যদি ফিলিস্তিন বা যেখানে সমস্যা আছে টাকা দিলে দান করার এবং খাবার খাওয়ানোর  ফরজে কেফায়া আদায় হবে কি  ।

(গ)মাসে ২০ থেকে ৫০ হাজারের মধ্যে ইনকাম হলে মাসে ১-২ হাজার টাকা নফল দান করার নিয়ত আছে সেটা যদি ফিলিস্তিন বা যেখানে সমস্যা আছে টাকা দিলে দান করার এবং খাবার খাওয়ানোর  ফরজে কেফায়া আদায় হবে কি  ।

(ঘ)মাসে ১০ থেকে ২০ হাজারের মধ্যে ইনকাম হলে মাসে  ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা নফল দান করার নিয়ত আছে সেটা যদি ফিলিস্তিন বা যেখানে সমস্যা আছে টাকা দিলে দান করার এবং খাবার খাওয়ানোর  ফরজে কেফায়া আদায় হবে কি  ।

(ঙ)মাসে ১০ হাজারের নিচে ইনকাম হলে মাসে কোনো  দান না করলে খাবার না খাওয়ালে ?


২। নিজের খরচ স্ত্রী সন্তান আত্নীয়স্বজনের খোরপোষ দেওয়ার পর সামর্থ থাকলে তখন ফরজ ওয়াজিব নফল দান বা খাবার খাওয়ানোর বিষয় টা আসবে?  
৩।কারও ইমু আইডি অন্যজনের মোবাইল থেকে  নেওয়া হয় যেকোনো কারনেই হোক কেউই  জানেনা তাদের  হক নষ্ট হবে জানি তবে আমি জানতে চাই শারিরীক হক এবং আর্থিক হক নষ্ট হবে কি?

1 Answer

0 votes
ago by (763,050 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

আল্লাহ তায়ালা বলেন-

مَّثَلُ الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ أَنبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ فِي كُلِّ سُنبُلَةٍ مِّائَةُ حَبَّةٍ ۗ وَاللَّهُ يُضَاعِفُ لِمَن يَشَاءُ ۗ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ

যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ একটি বীজের মত, যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। প্রত্যেকটি শীষে একশ করে দানা থাকে। আল্লাহ অতি দানশীল, সর্বজ্ঞ। (সূরা বাকারা, আয়াত নং-২৬১)

 

হাদীস শরীফে এসেছে-

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ إِلاَّ مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ " .

আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন মানুষ মৃত্যুবরণ করে তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায় তিন প্রকার আমল ছাড়া। ১. সদাকাহ জারিয়াহ্ অথবা ২. এমন ইলম যার দ্বারা উপকার হয় অথবা ৩. পুণ্যবান সন্তান যে তার জন্যে দু'আ করতে থাকে। (সহীহ মুসলিম ৪১১৫ )


আল্লাহ তা’আলা বলেন-

إِنَّمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِينِ وَالْعَامِلِينَ عَلَيْهَا وَالْمُؤَلَّفَةِ قُلُوبُهُمْ وَفِي الرِّقَابِ وَالْغَارِمِينَ وَفِي سَبِيلِ اللّهِ وَابْنِ السَّبِيلِ فَرِيضَةً مِّنَ اللّهِ وَاللّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ

যাকাত হল কেবল ফকির, মিসকীন, যাকাত আদায়কারী ও যাদের চিত্ত আকর্ষণ প্রয়োজন তাদের হক এবং তা দাস-মুক্তির জন্য, ঋণ গ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর পথে জিহাদকারীদের জন্যে এবং মুসাফিরদের জন্যে, এই হল আল্লাহর নির্ধারিত বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। -সরা তাওবাহ, আয়াত-৬০

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
(০১)
ক-ঘ, 
আদায় হবে।

ঙ, সমস্যা নেই।
তবে নেসাব পরিমান সম্পদের মালিক হলে সেক্ষেত্রে যাকাত ও কুরবানী অবশ্যই আদায় করতে হবে।

(০২)
আবশ্যকীয়তা নেই।

তবে নেসাব পরিমান সম্পদের মালিক হলে সেক্ষেত্রে যাকাত ও কুরবানী অবশ্যই আদায় করতে হবে।

(০৩)
এতে হক নষ্ট হবে।
তবে তাহা শারিরীক হক এবং আর্থিক হক নয়।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 466 views
...