১।এখনকার বিশ্বের পরিস্থিতিতে কি কোনো যায়গায় দান করা বা খাবার খাওয়ানো ফরজে কেফায়া হবে?
২।নিজের খরচ করে, পরিবারের খরচ দিয়ে , যাকাত, কোরবানি, ফিতরা দেওয়ার পর নিচের পয়েন্ট গুলোর মত দান করে এবং খাবার খাওয়ায় যদি ফরজে কেফায়া হয় আদায় হবে কি না। যদি নিজে না গিয়ে কোনো সংস্থাকে টাকা দিলে সংস্থাটা আলেম ওলামাদের আমার জানা মতে HAFEZZI CHARITABLE SOCIETY OF BANGLADESH দান এবং খাবার খাওয়ানোর ফরজে কেফায়া আদায় হবে কিনা।
(ক)মাসে ৮০ থেকে এক লাখ বা তার উপরে দেড় লাখের নিচে ইনকাম করলে মাসে ৪ -৫ হাজার নফল দান করার নিয়ত আছে সেটা যদি ফিলিস্তিন বা যেখানে সমস্যা আছে টাকা দিলে দান করার এবং খাবার খাওয়ানোর ফরজে কেফায়া আদায় হবে কি ।
(খ)মাসে ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজারের মধ্যে টাকা ইনকাম হলে মাসে ২-৩ হাজার টাকা নফল দান করার নিয়ত আছে সেটা যদি ফিলিস্তিন বা যেখানে সমস্যা আছে টাকা দিলে দান করার এবং খাবার খাওয়ানোর ফরজে কেফায়া আদায় হবে কি ।
(গ)মাসে ২০ থেকে ৫০ হাজারের মধ্যে ইনকাম হলে মাসে ১-২ হাজার টাকা নফল দান করার নিয়ত আছে সেটা যদি ফিলিস্তিন বা যেখানে সমস্যা আছে টাকা দিলে দান করার এবং খাবার খাওয়ানোর ফরজে কেফায়া আদায় হবে কি ।
(ঘ)মাসে ১০ থেকে ২০ হাজারের মধ্যে ইনকাম হলে মাসে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা নফল দান করার নিয়ত আছে সেটা যদি ফিলিস্তিন বা যেখানে সমস্যা আছে টাকা দিলে দান করার এবং খাবার খাওয়ানোর ফরজে কেফায়া আদায় হবে কি ।
(ঙ)মাসে ১০ হাজারের নিচে ইনকাম হলে মাসে কোনো দান না করলে খাবার না খাওয়ালে ?
৩।কেউ যদি বেকার হয় তার কোনো প্রকার দান না করে এবং খাবার না খাওয়ায় গোনাহ হবে কি?
৪। নিজের স্ত্রী সন্তান আত্নীয়স্বজনের খোরপোষ দেওয়ার পর সামর্থ থাকলে তখন ফরজ ওয়াজিব নফল দান বা খাবার খাওয়ানোর বিষয় টা আসবে?
৫।ফরজে কেফায় মানে যেকোনো একজন আদায় করলে সবার আদায় হয়ে যাবে?