বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
রিযিক সংগ্রহে অক্ষম ব্যক্তিবর্গের জন্য ইসলাম ভিন্ন খোরপোষের ব্যবস্থা রেখেছে।সর্বমোট তিনটি কারণে একজনের উপর অন্যজনের নাফক্বাহ / খোরপোষ ওয়াজিব হয়।এ সম্পর্কে আদ-দুর্রুল মুখতার গ্রন্থে বর্ণিত আছে
وَنَفَقَةُ الْغَيْرِ تَجِبُ عَلَى الْغَيْرِ بِأَسْبَابٍ ثَلَاثَةٍ: زَوْجِيَّةٌ، وَقَرَابَةٌ، وَمِلْك
একজনের উপর অন্যজনের নাফক্বাহ/খোরপোষ ওয়াজিব হওয়ার সবব বা কারণ সর্বমোট তিনটি।
(১)বৈবাহিক সম্পর্ক
(২)আত্মীয়তার সম্পর্ক
(৩)মিলকিয়্যাত(গোলাম-মালিক)এর সম্পর্ক।
উপরোক্ত তিন প্রকারের মধ্যে প্রশ্নে বর্ণিত পিতা ও মেয়ের বিষয়টা দ্বিতীয় প্রকার তথা আত্মীয়তার সম্পর্কের আওতাধীন।
এসম্পর্কে চার মাযহাব সম্বলীত সর্ব বৃহৎ ফেক্বাহী গ্রন্থ "আল-মাওসু'আতুল ফেক্বহিয়্যায় " (খঃ৪১/পৃঃ ৭৬) বর্ণিত রয়েছে....এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/3712
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
উপরোক্ত তিন প্রকার ব্যতিত অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের জন্য খরচ করা বা খোরপোষ দেওয়া ফরযে কেফায়া যদি সামর্থ্য থাকে।
(১) ফিলিস্তিন, সুদান বা বাংলাদেশ সহ যে কোনো দেশের মানুষকে খাবার খাওয়ানো নফল। তাদের খাবারের ব্যবস্থা না থাকলে এবং নিজের সামর্থ্য থাকলে তখন ফরযে কেফায়া।
(২) ফিলিস্তিন সুদান সহ বিশ্বের যেখানেই হোক যাকাত, ফিতরা,মান্নত বাদে অনন্য দান করা নফল। ক্ষেত্রভেদে ফরযে কেফায়া হতে পারে।
(৩) ঘুমের ঔষধ,খাশির ঔষধ খাওয়ার পর যেই ঝিমুনি আসে, সেটা নেশার মধ্যে পড়বে না।
(৪) মেয়দের মুখ দেখা ও দেখানো নাজায়েয। বিশেষ জরুরতে অনুমোদনযোগ্য।