আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
16 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (110 points)
১।ফিলিস্তিন, সুদানে বা বাংলাদেশ সহ যে কোনো দেশের  মানুষ কে খাবার খাওয়ানো কি ওয়াজিব নাকি নফল?

২।ফিলিস্তিন সুদান সহ বিশ্বের যেখানেই হোক যাকাত, ফিতরা,মান্নত বাদে অনন্য  দান করা কি নফল নাকি ওয়াজিব?

৩।ঘুমের ঔষধ,কাসের ঔষধ  খাওয়ার পর একটু ঝিমুনি আসে সেটা কি নেসার মধ্যে পরবে?

৪। কোনো  আলেম বলছেন নাকি মেয়দের   মুখ দেখানো জায়েজ

1 Answer

0 votes
by (805,290 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
রিযিক সংগ্রহে অক্ষম ব্যক্তিবর্গের জন্য ইসলাম ভিন্ন খোরপোষের ব্যবস্থা রেখেছে।সর্বমোট তিনটি কারণে একজনের উপর অন্যজনের নাফক্বাহ / খোরপোষ ওয়াজিব হয়।এ সম্পর্কে আদ-দুর্রুল মুখতার গ্রন্থে বর্ণিত আছে
وَنَفَقَةُ الْغَيْرِ تَجِبُ عَلَى الْغَيْرِ بِأَسْبَابٍ ثَلَاثَةٍ: زَوْجِيَّةٌ، وَقَرَابَةٌ، وَمِلْك
একজনের উপর অন্যজনের নাফক্বাহ/খোরপোষ ওয়াজিব হওয়ার সবব বা কারণ সর্বমোট তিনটি।
(১)বৈবাহিক সম্পর্ক
(২)আত্মীয়তার সম্পর্ক
(৩)মিলকিয়্যাত(গোলাম-মালিক)এর সম্পর্ক।
উপরোক্ত তিন প্রকারের মধ্যে প্রশ্নে বর্ণিত পিতা ও মেয়ের বিষয়টা দ্বিতীয় প্রকার তথা আত্মীয়তার সম্পর্কের আওতাধীন।
এসম্পর্কে চার মাযহাব সম্বলীত সর্ব বৃহৎ ফেক্বাহী গ্রন্থ "আল-মাওসু'আতুল ফেক্বহিয়্যায় " (খঃ৪১/পৃঃ ৭৬) বর্ণিত রয়েছে....এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/3712


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
উপরোক্ত তিন প্রকার ব্যতিত অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের জন্য খরচ করা বা খোরপোষ দেওয়া ফরযে কেফায়া যদি সামর্থ্য থাকে।

(১) ফিলিস্তিন, সুদান বা বাংলাদেশ সহ যে কোনো দেশের মানুষকে খাবার খাওয়ানো নফল। তাদের খাবারের ব্যবস্থা না থাকলে এবং নিজের সামর্থ্য থাকলে তখন ফরযে কেফায়া। 

(২) ফিলিস্তিন সুদান সহ বিশ্বের যেখানেই হোক যাকাত, ফিতরা,মান্নত বাদে অনন্য দান করা নফল। ক্ষেত্রভেদে ফরযে কেফায়া হতে পারে।

(৩) ঘুমের ঔষধ,খাশির ঔষধ  খাওয়ার পর যেই ঝিমুনি আসে, সেটা নেশার মধ্যে পড়বে না।

(৪) মেয়দের মুখ দেখা ও দেখানো নাজায়েয। বিশেষ জরুরতে অনুমোদনযোগ্য। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...