আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
97 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (5 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ।
আমার পরিবারের আমি ৩নাম্বার মেয়ে আমার বড় ২জনই বোন, তাদের যখন সবচে বড় জনের বয়স যখন ২০/২১ তখন তার বিয়ে হয়নি কথাবার্তা চলছিল, তার মধ্যেই ২য় জন পালিয়ে বিয়ে করে নেন। তার ফলে আমার পরিবার অসম্মানিত হয় সমাজে এবং তাকে পরিবার তাকে মেনে নেয় নি এবং আমি নিজেও (আমার বয়স ১৪/১৫ হবে) । সে তার মতো আর আমরা আমাদের মতো থাকি।

বড় বোন রেখে তার এভাবে পালিয়ে বিয়ে ফলে সামাজিকভাবে আমরা অনেক হেয় প্রতিপ্রন্ন হয়ছি, আশেপাশে কোথাও বের হয়তে পারি নাই আমরা।

এমনি তার জন্য বড় জনের বিয়ের প্রস্তাব আস্তো না, এভাবে ৭/৮বছর চলতে থাকে। সম্পর্ক যখন স্বাভাবিক হতে থাকে তখন বড় জনে ( তার বয়স তখন ২৮/২৯) একটা বিয়ে প্রপোজাল আসে কিছু সমস্যার কারণে আমার বাপ বিয়েতে রাজি না। সেজন্য সে নিজে পরিবারের বাইরে গিয়ে বিয়ে করে নেন। ২বছর হতে চলো।
(বলে রাখা ভালো আমার বাপে উচ্চ আকাঙ্ক্ষার কারণে অনেক বিয়ে তিনি রিজেক্ট করে দিছেন)

এই ২টা ঘটনা আমাদের পরিবারকে বিশেষ আমাকে এমনভাবে আঘাত করে যা বলার বাইরে, (এখন যে লিখছি তাতেও কষ্ট পাচ্ছি)
আমি আগেই বলছি আমি ৩য় মেয়ে, এসব ঘটনার অনেক প্রভাব আমার উপর পড়ে। এদের জন্য আমি কোথাও যেতে পারি না, মানে যাই না কারণ সবাই আমাকে তাদের মতোই তুচ্ছ তাছ্যিল্ল মনে করে যদিও সামনে কিছু বলার সাহস করে না।

এসব ঘটনা ঘটার পর তাদের একজন আমাদের বাসায় এসেছিল, আমি তাদেরকে প্রচণ্ড খালিগালাজ করে বাসা থেকে বের করে দিছি এমনকি তাদের সাথে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিছি।
যদিও এটার জন্য আমি লজ্জিত। তখন আমি রাগের মাথায় ছিলাম কিন্তু তাদের কাছে আমি এখনও ক্ষমা চাইনি।

এরপর থেকে তারা তাদের মতো আর আমরা আমদের মতো থাকি এবং এভাবেই চলছে কিন্তু বর্তমান যোগাযোগ করতে চাই বাসায় আস্তে যায় কিন্তু আমরা রাজি না থাকায় আসে পারে না, মাঝেমধ্যে আমার মায়ে সাথে কথা বলে শুধু।
তাদের কথা শুনলেই আমার প্রচণ্ড রাগ খোব, কষ্ট হয়, মাথা ঠিক থাকে না, সেজন্য আমি নিজে  তাদের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চাই না। আমি তাদের বাসায় যাবো না,  তাদেরকে আমার প্রয়োজন কখনও ডাকাব না।
তবে পরিবারের অন্য লোকজন চাইলে করতে পারে।
এটার কারণ হচ্ছে আমি এখন  মূলত ২টা
১.প্রচণ্ড মানসিকপীড়া
২. তারা কেউ ননমাহরাম মানে না, কিন্তু আমি চলার চেষ্টা করি। তাদের সাথে যদি সম্পর্ক স্বাভাবিক হয় আমার ধারণ তাদের স্বামীদের সাথে না চাইলেই কথা বলতে হবে, কারণ বর্তমান আমাদের বাসায় কোন অপরিচিত পুরুষ লোক নাই, শুধু আমার মাহরাম ছাড়া। সেজন্য আমি এটা আমি চাই না তারা আমাদের বাসায় আসুক।
এখন আমার বিয়ে কথাবার্তা চলছে,
আমি চাই না তারা আমার বিয়েতে আসুক। তাদের কে এবাড়িতে আসে দিব না।

আরো অনেক কারণ আছে সেগুলে পাব্লিকলি বলা যায় না।

এখন উপরিউক্ত এসব কারণে তাদের সাথে সম্পর্ক না রাখলে কী গুনাহ হবে? <!--/data/user/0/com.samsung.android.app.notes/files/clipdata/clipdata_bodytext_260313_175922_095.sdocx-->

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
মুল্লা আলী কারী রাহ লিখেন,
وَأَجْمَعَ الْعُلَمَاءُ عَلَى أَنَّ مَنْ خَافَ مِنْ مُكَالَمَةِ أَحَدٍ وَصِلَتِهِ مَا يُفْسِدُ عَلَيْهِ دِينَهُ أَوْ يُدْخِلَ مَضَرَّةً فِي دُنْيَاهُ يَجُوزُ لَهُ مُجَانَبَتُهُ وَبُعْدُهُ، وَرَبَّ صَرْمٍ جَمِيلٍ خَيْرٌ مِنْ مُخَالَطَةٍ تُؤْذِيهِ.
উলামাগণ একমত যে, কারো সাথে কথা বললে বা মিলিত হলে যদি তার দ্বীন নষ্ট হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা বা তার দুনিয়া তার জন্য কষ্টকর হবে বলে ধারণা হয়, তাহলে এমন মানুষ থেকে দূরে থাকার জায়েয রয়েছে।অনেক সম্পর্ক বর্জন বা দূরত্ব এমন রয়েছে যা মিলিত হওয়ার চেয়ে অনেক উত্তম।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/61503

আত্মীয়তার সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1577

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
তাদের সাথে যোগাযোগ রাখলে যদি মনে করেন যে, আপনার পর্দায় ব্যাঘাত ঘটবে, তাহলে তাদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখতে পারেন। আপনার বিয়ের পর তাদের সাথে যোগাযোগ ও সম্পর্ক ঠিক করে নিবেন। তাহলে পর্দায় আর তেমন ব্যাঘাত ঘটবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...