আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
53 views
in সুন্নাহ-বিদ'আহ (Sunnah and Bid'ah) by (7 points)
আসসালামু আলাইকুম।
১)অনেকে ৭ টা লেবু পাতা,বা ৭ টা মরিচ বা ৭ টা পান পাতা দিয়ে বাচ্চাদের/বড়দের পেট ব্যাথা বা অন্য কোনো সমস্যা হলে,৩ কুল পড়ে,শয়তানের ওয়াসওয়াসা, বদনজর থেকে আশ্রয় চেয়ে ওই লেবু পাতা,বা পান পাতা,বা মরিচ গুলো শরীরে স্পর্শ করে।তারপর সেই পাতা/মরিচ গুলো আগুনে পুড়িয়ে ফেলে
যদি পুড়ানোর পর ঘ্রাণ বের হয় তাহলে বুজে যে কোনো কিছু হয় নাই অর্থ্যাৎ নজর লাগে নি।আর যদি ঘ্রাণ না বের হয় তাহলে ভাবে যে বদনজর লেগেছে।
শায়েখ আমার প্রশ্ন হলো যে।এসব করা কি জায়েয আছে?পাতা দিয়ে ঝাড়ফুক করা?বিস্তারিত বললে মুনাসিব হত ইং শা আল্ল-হ।

1 Answer

0 votes
by (804,930 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। 
عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: كُنَّا نَرْقِي فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، كَيْفَ تَرَى فِي ذَلِكَ؟ فَقَالَ: اعْرِضُوا عَلَيَّ رُقَاكُمْ لَا بَأْسَ بِالرُّقَى مَا لَمْ تَكُنْ شِرْكًا
তিনি বলেন, আমরা জাহিলী যুগে ঝাড়ফুঁক করতাম। অতঃপর আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এ বিষয়ে আপনার অভিমত কি? তিনি বলেনঃ তোমাদের ঝাড়ফুকের ব্যবস্থাগুলো আমার সামনে পেশ করো; তবে যেসব ঝাড়ফুঁক শির্কের পর্যায়ে পড়ে না, তাতে কোনো দোষ নেই।[মুসলিম (২২০০)-৬৪, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬০৯৪, আবূ দাঊদ ৩৮৮৬, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১০৬৬, আল মু‘জামুল আওসাত্ব ৩২৫৭, ‘ত্ববারানী’র আল মু‘জামুল কাবীর ১৪৫১৫, মুসতাদরাক হাকিম ৭৪৮৫, বায়হাক্বী’র কুবরা ২০০৮১, আস্ সুনানুল সুগরা ৪২৮৯, মা‘রিফাতুস্ সুনান লিল বায়হাক্বী ৫৯৫৪, আল জামি‘উস্ সগীর ১৯২৮, সহীহুল জামি‘ ১০৪৮]

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আল্লাহ সবকিছুর খালিক ও মালিক,জগতের সব কিছু উনার হুকুমেই সংগঠিত হয়,তাবিজ বা ঔষধের অদ্য কোনো ক্ষমতা নেই।এমন আক্বিদা পোষণ করে শিরিক মুক্ত কালিমা দ্বারা চিকিৎসা হিসেবে ঝাড়-ফুক ও তাবিজ ব্যবহার বৈধ আছে। তবে প্রশ্নের বিবরণমতে বিভিন্ন গাছের পাতা এবং তরিতরকারি দ্বারা জ্বীন,যাদু ও বদনজরের যাচাই বাচাই করার বাস্তব কোনো প্রয়োগ শরীয়তে নাই। এগুলো কুসংস্কার ও বিদআত। এত্থেকে আমাদেরকে অবশ্যই বেঁচে থাকতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...