إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ
আমি একে নাযিল করেছি শবে-কদরে।
وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ
শবে-কদর সমন্ধে আপনি কি জানেন?
لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ
শবে-কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمْرٍ
এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে।
سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ
এটা নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : مَنْ قَامَ لَيْلَةَ الْقَدْرِ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি লাইলাতুল ক্বদরে ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় রাত জেগে ‘ইবাদত করে, তার পিছনের সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করা হবে। আর যে ব্যক্তি ঈমানসহ সওয়াবের আশায় রমাযানে সিয়াম পালন করবে, তারও অতীতের সমস্ত গোনাহ মাফ করা হবে।(সহীহ বোখারী-১৯০১,সহীহ মুসলিম-৭৫৯, আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭৭)
হযরত আয়েশা রাযি থেকে বর্ণিত
عن ﻋﺎﺋﺸﺔ رضي الله عنها ﻗﺎﻟﺖ: ﻗﻠﺖ: ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ، ﺃﺭﺃﻳﺖ ﺇﻥ ﻋﻠﻤﺖُ ﺃﻱُّ ﻟﻴﻠﺔٍ ﻟﻴﻠﺔُ اﻟﻘﺪْﺭِ، ﻣﺎ ﺃﻗﻮﻝ ﻓﻴﻬﺎ؟ ﻗﺎﻝ: (ﻗﻮﻟﻲ: اﻟﻠﻬﻢ ﺇﻧﻚ ﻋﻔﻮٌّ ﺗﺤﺐ اﻟﻌﻔﻮَ ﻓﺎﻋﻒُ ﻋﻨﻲ)
তিনি বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বললাম,যদি আমি লাইলাতুল কদরকে পাই তাহলে কি দু'আ করবো? রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন,তুমি পড়বে,
''আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি ইয়া কারীম" (সুনানে তিরমিযি-৮০২৫)
এ সমস্ত আয়াত ও হাদীস প্রমাণ করে যে,লাইলাতুল কদর দু'আ কবুল হওয়ার উত্তম মুহুর্ত।
লাইলাতুল কদরে আগামী এক বছরের মধ্যে আপনি কী কী চান, এটা বলে আল্লাহর কাছে দুয়া করা যাবে।
মূলত তাকদিরে তো সবকিছুই পূর্ব হতেই লেখা রয়েছে কিন্তু এ রাত্রে আগামী এক বছরের অনেক বিষয় ফেরেশতাদের জানিয়ে দেওয়া হয় বা তাদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। যেমন রিজিক জীবন মৃত্যু বিভিন্ন ঘটনা ইত্যাদি।
অনেক ইসলামী স্কলার কোন বলেন এই রাত্রে নতুন করে ভাগ্য লেখা হয় না বরং আল্লাহর কাছে আগে থেকেই থাকা সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নের নির্দেশ শুধুমাত্র এ রাতে দেওয়া হয়।