0 votes
8 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (8 points)
আস্সালামু আলাইকুম।
গতকাল ( 7 এপ্রিল,2021) সন্ধ্যায়, এখানে একটি প্রশ্ন করেছিলাম। **সুদের টাকায় সাওম পালন সম্পর্কে**। ঐ প্রশ্নের প্রেক্ষিতে শ্রদ্ধেয় মুফতি যে উত্তর দিয়েছেন তা আমার কাছে অস্পষ্ট।

বিশেষত, কয়েকটি পয়েন্ট একদম বুঝিনি।
1. সুদের বিনিময়ে ঋণ গ্রহণ কি?
2. ঋণ দিয়ে সুদ গ্রহণ কি?

উত্তরের শেষের অংশে মূলধন থেকে খরচ করার কথা বলেছেন। তবুও সুদ গ্রহণ না করতে বলেছেন। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো-
"মূলধন ব্যবহার করতে থাকলে তো একসময় শেষ হয়ে যাবে। তখন তো আর তাদের কোনো উপায় থাকবে না।"

আর সুদের টাকায় সাওম পালন জায়েজ হবে কিনা এই বিষয়টাও আমার কাছে একদম অস্পষ্ট। আসলে আমি বুঝতে পারিনি বিষয়গুলো।

তাই সম্মানীয় উত্তরদাতাগণের কাছে আমার অনুরোধ যে, আমার জিজ্ঞাসাটি পুনঃ বিবেচনা করবেন এবং ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন।
জা-ঝা কুমুল্লাহু খইরন।

1 Answer

0 votes
by (145,240 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
করুন- https://www.ifatwa.info/13929 নং ফাতাওয়ায় আমরা বলেছি যে,
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নে বর্ণিত ব্যক্তিদের জন্য সুদ খাওয়া কখনো জায়েয হবে না। কেননা তাদের নিকট মূলধন অবশিষ্ট আছে। কোনো ইবাদত কে বাহ্যিক সকল শর্তাদির সাথে পালন করে নিলে সেই ইবাদত কে আদায় হিসেবেই ধরে নেয়া হবে। তবে আল্লাহর কাছে কবুল হবে কি না? তা আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

অর্থাৎ
(১)সুদের বিনিময়ে ঋণ গ্রহণ করা জরুরত হলে জায়েয।নতুবা হারাম।
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/13569

(২) ঋণ দিয়ে সুদ গ্রহণ করা হারাম। মুলধন থেকে খরচ করা হবে।শেষ হয়ে গেলে সে কাজ করে খাবে। তবে যদি এমন হয় যে,সে বৃদ্ধ বা মহিলা,উপার্জনে অক্ষম,তাহলে সে নিজ প্রয়োজন পুরা করা পর্যন্ত সুদ গ্রহণ করতে পারবে। প্রয়োজন অতিরিক্ত সুদ সে গ্রহণ করতে পারবে না।


এখন আসি, আপনার মূল জবাবে,
সুদ খেলে, রোযা হয়নি,এমনটা বলা যাবে না। কোনো ইবাদতকে তার শর্ত পূরণ করে,পালন করে নিলে,সেই ইবাদত দুনিয়ার বিধানে আদায় হয়ে যাবে। অর্থাৎ আরো পরিস্কার করে বলতে চাই,সুদ খেলো রোযা ফাসিদ হবে না।বরং ফাতাওয়া এটাই দেয়া হবে যে,রোযা আদায় হবে।আল্লাহ কার ইবাদতকে কবুল করবেন,সেটা আল্লাহ-ই ভালো জানেন। যদি আরেকটু পরিস্কার করে বলি তাহলে বলবো যে, কাযাআন রোযা হবে।উনার সকল প্রকার ইবাদত কবুল হবে। তবে দিয়ানাতান, কবুল না হওয়াই যক্তি সংগত মনে হচ্ছে। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...