আসসালামু আলাইকুম, শায়খ।
ইনশাআল্লাহ ২০২৬ সালে আমি হজে যাওয়ার নিয়ত করেছি। ২০২৫ সালের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে হজে যাওয়ার পরিকল্পনা করি। যেহেতু আমার ছোট মামা তার পরিবারকে নিয়ে একটি এজেন্সির মাধ্যমে হজে যাচ্ছেন, তাই আমি তার সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলি। মামা এজেন্সির সাথে কথা বলে জানান যে তখনও রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। এরপর আমি সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করে এজেন্সির মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করি।
কিছুদিন আগে হজ অফিস থেকে আমার কাছে একটি মেসেজ আসে যে, আমাকে ২০২৬ সালের হজের জন্য একটি অন্য এজেন্সির অধীনে হজ গাইড হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমি তো হজ গাইড নই এবং এ বিষয়ে কখনও আবেদনও করিনি। পরে জানতে পারি, ২০২৬ সালের হজ রেজিস্ট্রেশন অক্টোবরের মাঝামাঝি বন্ধ হয়ে যায়। তাই এজেন্সি আমার টাকা নেওয়ার লোভে আমাকে না জানিয়ে “হজ গাইড” হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করে দেয়।
তিন দিন আগে হজ অফিস থেকে আমাকে ফোন করে বলা হয় যে ২৫ তারিখে অফিসে উপস্থিত হতে হবে, কারণ হজ গাইডদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তখন আমি সরাসরি জানাই যে আমি হজ গাইড নই এবং কীভাবে যেন আমার এজেন্সি আমাকে হজ গাইড হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে। আমি তো একজন সাধারণ হাজি হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করেছি। অনুগ্রহ করে আপনারা এ বিষয়ে এজেন্সির সাথে কথা বলুন। তখন হজ অফিসের কর্মকর্তা বলেন, কোনো সমস্যা নেই, আমরা বিষয়টি দেখছি।
এখন যদি আমার হজের ভিসা বাতিল হয়ে যায়, সেটা আলাদা বিষয়। কিন্তু যদি আমাকে হজে যেতে দেওয়া হয়, তাহলে এই মিথ্যা পরিচয়ে—যে আমি একজন হজ গাইড—হজ করতে গেলে আমার হজ আদৌ কবুল হবে কি না, তা নিয়ে আমি দুশ্চিন্তায় আছি। এখানে আমার নিজের কোনো দোষ আমি দেখছি না। তবে এজেন্সি নাকি আমার মামার সাথে এ বিষয়ে কথা বলেছিল যে আমাকে হজ গাইড হিসেবে নিবন্ধন করবে, কিন্তু মামা আমাকে কখনও তা জানাননি। এখন এসে বিষয়টি জানাচ্ছেন।
এ অবস্থায়, যদি আমি এই মিথ্যা পরিচয়ে হজ করি, আমার হজ কি কবুল হবে? আর এখন আমার কী করা উচিত? হজের সময় যদি বিভিন্ন জায়গায় আমাকে জিজ্ঞেস করা হয় আমি হজ গাইড কি না, তাহলে আমার কী বলা উচিত?
আমি এ বিষয়গুলো নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় আছি। অনুগ্রহ করে আমাকে পরামর্শ দিন।