এক ভাইয়ের পক্ষ থেকে,
আমি বিয়ে করেছি ২ বছর হচ্ছে।গত ১ বছর যাবত বাচ্চা নেওয়ার চেষ্টা করছি কিন্তু বাচ্চা হচ্ছে না। ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে ডাক্তার জানায় আমার স্ত্রী কোনোদিন মা হতে পারবে না।
বিষয়টি এখানে শেষ হলে আমি মেনে নিতাম কারণ আল্লাহ তায়ালা তাকদির এ এটাই লিখে রাখছেন এটা ভেবে।
কিন্তু আমার স্ত্রী ১৩/১৪ বছর হ‌ওয়ার পর‌ও যখন হায়েজ হচ্ছিলোনা তখন আমার শাশুড়ি ডাক্তার দেখায় এবং ডাক্তার জানায় যে,সে মা হতে পারবে না।
এই বিষয়টি বিয়ের আগে আমার শাশুড়ি গোপন করেছেন।
এমনকি বিয়ের পর‌ও আমাকে জানাননি।
এখন আমি ডাক্তার দেখিয়ে অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু সম্ভব হচ্ছে না।
কিন্তু আমার সন্তান লাগবে বিশেষ করে আমার স্ত্রীর।
তিনি সন্তান দত্তক নিতে চাচ্ছে, কিন্তু আমি ইচ্ছুক নয়।
ইসলামী শরিয়াহ যেহেতু একাধিক বিয়ের সুযোগ রেখেছে তাহলে আমি আরেকটি বিয়ে করে নিজের ওরশজাত সন্তান নিতে পারি।
আমার স্ত্রীকে বুঝিয়েছি যে দত্তক নেওয়া সন্তান যাদের আপন বাবা মা দুজনেই তো আলাদা হবে,তার চেয়ে ভালো না আমার ওরশজাত সন্তান।
সে সরাসরি বলে দিয়েছে হয় আমাকে রাখবেন,না হলে আরেকটি বিয়ে করবেন।
অর্থাৎ বিয়ে করলে তিনি থাকবেন না।
আমার জায়গায় অন্য কেউ থাকলে এতোদিন হয়তোবা স্ত্রীকে বিদায় করে দিতো,কারণ আমার শাশুড়ি সত্য জানার পরও তা গোপন করে বিয়ে দিছেন যদি সত্যিটা জানিয়ে দিতো তাইলে কোন আপত্তি থাকতোনা।
আমাকে অনেকেই পরামর্শ দিয়েছেন যে, তুমি তোমার স্ত্রীকে ছেরে দিতে পারো কারণ তো তুমি প্রতারিত হয়েছো।
কিন্তু আমি আমার স্ত্রীকে অসম্ভব রকম ভালোবাসি এবং তাকে ছারতে চায় না।
আমি শুরু থেকেই অনেক ধৈর্য্য নিয়ে আছি।
এখন কথা হচ্ছে আমার এহেন পরিস্থিতিতে কি করা উচিত?
আমি না পারছি আরেকটি বিয়ে করতে।
না পারছি সন্তান দত্তক নিতে।
না পারছি তাঁর(স্ত্রী)মন ভালো রাখতে।