আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
205 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (34 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। এক বোনের হয়ে করছি,

1. স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার সময় স্ত্রী যদি বলে: " আমাকে তালাক দিয়ে দিন " এবং  স্বামী জবাবে বলে: "যা, তোকে তালাক দিয়ে দেবো" এতে কি তালাক হয়ে গেছে?

2.স্বামী যদি সর্বদা মায়ের অন্যায়কাজে সাপোর্ট করে, করণীয় কি?
3. স্ত্রী সংসার ভাঙতে চায় না, বরং স্বামীকে সৎ পথে আনার চেষ্টা করতে চায় ঐ বোনের করণীয় কী?

4. স্বামীকে সলিহ করার জন্য স্ত্রী কী কী আমল বা দোয়া পড়তে পারে?

5. শাশুড়ির জুলুম সহ্য করার ক্ষেত্রে স্ত্রীর জন্য ইসলামী নির্দেশনা কী?

6. গর্ভবতী অবস্থায় স্ত্রীর ওপর শারীরিক যন্ত্রণা বা মারধর করলে এ সম্পর্কে ইসলামে কী বিধান আছে?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার সময় স্ত্রী যদি বলে: " আমাকে তালাক দিয়ে দিন " এবং  স্বামী জবাবে বলে: "যা, তোকে তালাক দিয়ে দেবো" এতে তালাক হবে না। কেননা এখানে ভবিষ্যতে তালাকের ওয়াদা করা হচ্ছে। আর ভবিষ্যতে তালাকের ওয়াদা দ্বারা তালাক হয় না।

(২) স্বামী যদি সর্বদা মায়ের অন্যায়কাজে সাপোর্ট করে,তাহলে স্বামীর গোনাহ হবে।

(৩) স্ত্রী সংসার ভাঙতে চায় না, বরং স্বামীকে সৎ পথে আনার চেষ্টা করতে চায়, ঐ বোনের উচিত তাহাজ্জুদ নামায পড়ে স্বামীর জন্য দু'আ করা। স্বামীর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেয়া।

(৪) স্বামীকে হেদায়েতের দিকে নিয়ে আসতে স্ত্রীর উচিত, নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামায পড়ে স্বামীর হেদায়েতের জন্য দু'আ করা। স্বামীর মা বাবকে আপন করে নেয়া। স্বামীর সকল হাসি খুশীকেকে নিজের হাসি খুশী করে নেয়া। এবং স্বামীর সকল দুঃখ কষ্টকে নিজের দুঃখ কষ্ট মনে করা।

(৫) শাশুড়ির জুলুম সহ্য করে আল্লাহর কাছে শাশুড়ির হেদায়েতের জন্য দু'আ করা উচিত।
(৬) গর্ভবতী অবস্থায় স্ত্রীর ওপর শারীরিক যন্ত্রণা বা মারধর করলে, এজন্য জুলুমকারীদের অবশ্যই গোনাহ হবে।তার এর শাস্তি অবশ্যই পাবে। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...