0 votes
46 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (7 points)
আসসালামুআলাইকুম। আমি সকল ক্ষেত্রে ফিকহে হানাফী আলিমদের অনুসরণ করি।কিন্তু পিরিয়ড অবস্থা যদি কুরআন স্পর্শ  না করে তিলওয়াত করি অন্য মাজহাবের মত অনুসারে তাহলে কি গুনাহ হবে?আমি শুনেছি অন্য মাজহাবে এ ক্ষেত্রে কঠোরতা নেই এবং এই ক্ষেত্রে যে বিধান আমাদের হানাফীদের তা দূর্বল। আমি অজ্ঞ শুনেছি তাই আলেম দের থেকে জানতে চাই।আমি একটা সুরা হিফজ করছি যেটা শেষের দিক আর আমার টিচার কে ও আমার পড়া শুনাতে হবে।এক্ষেত্রে কি আমি গুনাহগারী হবো?

1 Answer

0 votes
by (154,240 points)
জবাব
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 


জমহুর ফুকাহায়ে কেরামদের মতে হায়েজ অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত জায়েজ নেই।
তবে দোয়া যিকির আমল মূলক আয়াত পড়তে পারবে।
,
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
  
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلِمَةَ، قَالَ دَخَلْتُ عَلَى عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ فَقَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَأْتِي الْخَلاَءَ فَيَقْضِي الْحَاجَةَ ثُمَّ يَخْرُجُ فَيَأْكُلُ مَعَنَا الْخُبْزَ وَاللَّحْمَ وَيَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَلاَ يَحْجُبُهُ - وَرُبَّمَا قَالَ وَلاَ يَحْجُزُهُ - عَنِ الْقُرْآنِ شَىْءٌ إِلاَّ الْجَنَابَةُ .

আবদুল্লাহ ইবনু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) এর নিকট গেলাম। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানায় গিয়ে তাঁর প্রাকৃতিক প্রয়োজন সেরে বের হয়ে এসে আমাদের সাথে রুটি ও গোশত খেতেন, কুরআন তিলাওয়াত করতেন এবং তাঁকে কোন জিনিস এ থেকে বিরত রাখতো না। রাবী কখনো বলতেন, গোসলের প্রয়োজন হয় এরূপ নাপাক অবস্থা ব্যতীত কোন জিনিস তাঁকে কুরআন তিলাওয়াত থেকে বিরত রাখতো না।

তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: তিরমিযী ১৪৬, নাসায়ী ২৬৫-৬৬, আবূ দাঊদ ২২৯, আহমাদ ৬২৮, ৬৪০, ৬৮৮, ৮৪২, ১০১৪, ১১২৬, ইবনু মাজাহ ৫৯৫। তাহক্বীক্ব আলবানী: যঈফ। তাখরীজ আলবানী: মিশকাত ৪৬০, যঈফ আবূ দাউদ ৩১, ইরওয়াহ ১৯২, ৪৮৫।


আরো জানুনঃ 

যারা কুরআন হিফজ করে,তারা কিভাবে কুরআন পড়বে,এ সংক্রান্ত জানুনঃ 
,
★প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরত তথা আপনি যদি পিরিয়ড অবস্থা কুরআন স্পর্শ  না করে তিলাওয়াত করেন, অন্য মাজহাবের মত অনুসারে তাহলে গুনাহ হবে।
এটা বৈধ নয়।

★তবে ইমাম মালেক রহঃ এবং ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহঃ এর এক রেওয়ায়াত হলো হায়েজ অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত জায়েজ আছে।
,
সুতরাং তাদের মতানুসারী গন সেই মত অনুযায়ী আমল করতে পারবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...