আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
154 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (4 points)
closed by
আমি একজন কলেজ ছাত্র আমার বিয়ে করার আর্থিক সামর্থ নাই । কিন্তু আমার চরিত্র রক্ষার জন্য অনেক কষ্ট হয় । রোজা রাখি মাঝে মাঝে তবে তা কিছু সময় জন্য হেফাজত করে । এমন অবস্থায় আমি কি করবো রোজা রাখতে রাখতে ক্লান্ত হয়েগেছি।
আমাদের পরিবার আর্থিকভাবে সম্পূর্ণ সচ্ছল হলেও। ঢাকায় দুইটা বাড়ি আছে আমার বাবা। এমন কি আমি যেই কলেজ এ পড়ি ওই খানে মাসে খরচ ও ১০ হাজারের বেশি ।
আমি মাসে যেই হাত খরচ পাই সেই টাও ৪-৫ হাজার টাকা আমি অনেক চেষ্টা করছি কোন ভাবে হালাল ইনকাম করার । কিন্তু পারি নাই । সামাজিক মর্যাদা রক্ষার কারণে দিনমুজুর ও দিতে পারি না আমি ।


আমার কোন খারাপ দোষ নাই ।


মা কে আমি লজ্জা ভেঙ্গে এই কথা বলে সে আমাকে আমার ভাই আর অন্য সবাই যেইভাবে আছে সেই ভাবে থাকতে বলে। অথচ তারা হারাম এ ছিল তারা যিনা করে থাকতে পারতো আর আমি যিনা দিকে যাবো না ।
এখন আমি যদি গোপনে বিয়ে করে আর গোপন রাখি বিষয় টা সেই টা কি হালাল হবে ?
closed

1 Answer

+1 vote
by (770,460 points)
selected by
 
Best answer
জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم 

হাদীস শরীফে এসেছেঃ 
‘আলক্বামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। 

عن علقمة، قال: كنت مع عبد الله، فلقيه عثمان بمنى، فقال: يا أبا عبد الرحمن إن لي إليك حاجة فخلوا، فقال عثمان: هل لك يا أبا عبد الرحمن في أن نزوجك بكرا، تذكرك ما كنت تعهد؟ فلما رأى عبد الله أن ليس له حاجة إلى هذا أشار إلي، فقال: يا علقمة، فانتهيت إليه وهو يقول: أما لئن قلت ذلك، لقد قال لنا النبي صلى الله عليه وسلم: «يا معشر الشبابمن استطاع منكم الباءة فليتزوج، ومن لم يستطع فعليه بالصوم فإنه له وجاء»

তিনি বলেন, যখন আমি ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম, ‘উসমান (রাঃ) তাঁর সঙ্গে মিনাতে দেখা করে বলেন, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! আপনার সাথে আমার কিছু দরকার আছে। অতঃপর তারা দু’জনে এক পাশে গেলেন। তারপর ‘উসমান (রাঃ) বললেন, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! আমি কি আপনার সঙ্গে এমন একটি কুমারী মেয়ের বিয়ে দিব, যে আপনাকে আপনার অতীত কালকে স্মরণ করিয়ে দিবে? ‘আবদুল্লাহ্ যখন দেখলেন, তার এ বিয়ের দরকার নেই তখন তিনি আমাকে ‘হে ‘আলক্বামাহ’ বলে ইঙ্গিত করলেন। আমি তাঁর কাছে গিয়ে বলতে শুনলাম, আপনি আমাকে এ কথা বলছেন (এ ব্যাপারে) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বলেছেন, হে যুবকের দল! তোমাদের মধ্যে যে বিয়ের সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিয়ে করে এবং যে বিয়ের সামর্থ্য রাখে না, সে যেন ‘সওম’ পালন করে। কেননা, সওম যৌন ক্ষমতাকে দমন করে।(সহীহ বোখারী-৫০৬৫)

«النِّكَاحُ حَالَةَ الِاعْتِدَالِ سُنَّةٌ مُؤَكَّدَةٌ مَرْغُوبَةٌ، وَحَالَةَ التَّوَقَانِ وَاجِبٌ، وَحَالَةَ الْخَوْفِ مِنَ الْجَوْرِ مَكْرُوهٌ.» - «الاختيار لتعليل المختار»
 (3/ 82)

স্বাভাবিক অবস্থায় বিয়ে করা সুন্নতে মু’আক্কাদা। আর যিনা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনায় বিয়ে করা ওয়াজিব। আর স্ত্রীর জুলুম করার আশংকা থাকলে তখন বিয়ে করা মাকরুহ।(আল-এখতিয়ার লি তা’লিলিল মুখতার-৩/৮২)

অথবা এভাবেও বলা যায়,
বিবাহের সামর্থ রয়েছে, আর্থিক শারিরিক উভয় রকম সামর্থ্য রয়েছে,এবং যিনা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে,তাহলে এমতাবস্থায় বিয়ে ওয়াজিব। বিবাহের সামর্থ্য রয়েছে,তবে যিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা নাই এমতাবস্থায় বিয়ে করা সুন্নত। এবং স্ত্রীর হক আদায় না করার আশংকা থাকলে তখন বিয়ে করা মাকরুহ।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-https://www.ifatwa.info/2276
https://ifatwa.info/15253/

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনার প্রতি পরামর্শ থাকবে, আপনি আপনার পারিবারিক যেসব মুরুব্বী আছে, আপনার দাদি নানি ফুফু ইত্যাদি মুরুব্বিদের মাধ্যমে আপনার বাবাকে আপনার বিবাহের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বুঝিয়ে রাজি করাবেন।

পাশাপাশি মহান আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া চালিয়ে যাবে, এবং দ্রুত বিবাহের আমল গুলি করবেন।
ইনশাআল্লাহ আপনার বিবাহ হবে। 

এ সংক্রান্ত জানুনঃ- 

অভিভাবক ছাড়া বিবাহের বিধান জানুনঃ- 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (4 points)
reshown by
আমার বাবাই মুরুব্বী। নানা দাদি দাদা কেউ নাই । নানী আছে তবে পাগল । আর আমার বাবা নিজেই ১৭ বছর বয়সে বিয়ে করেন। আমরা ৪ ভাই বোন 
১.বোন ( বিবাহিত ) 
২.ভাই (অবিবাহিত)
৩.বোন ( বিবাহিত ) 
৪.আমি 
by (770,460 points)
আপনার বোন মা খালা ফুফুদের মাধ্যমে আপনার বাবাকে বুঝাবেন, তারপরেও আপনার বাবা রাজি না হলে এক্ষেত্রে আপনি যদি গুনাহ থেকে বাঁচতে বাবার অমতে বিবাহ করেন, তাতে আপনার গুনাহ হবে না।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...