জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ-
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ - وَاللَّفْظُ لأَبِي بَكْرٍ قَالَ إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا - وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ آدَمَ بْنِ سُلَيْمَانَ، مَوْلَى خَالِدٍ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ، يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ( وَإِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُسِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحَاسِبْكُمْ بِهِ اللَّهُ) قَالَ دَخَلَ قُلُوبَهُمْ مِنْهَا شَىْءٌ لَمْ يَدْخُلْ قُلُوبَهُمْ مِنْ شَىْءٍ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " قُولُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا وَسَلَّمْنَا " . قَالَ فَأَلْقَى اللَّهُ الإِيمَانَ فِي قُلُوبِهِمْ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى ( لاَ يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلاَّ وُسْعَهَا لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ رَبَّنَا لاَ تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا) قَالَ قَدْ فَعَلْتُ ( رَبَّنَا وَلاَ تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِنَا) - قَالَ قَدْ فَعَلْتُ ( وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا أَنْتَ مَوْلاَنَا) قَالَ قَدْ فَعَلْتُ .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন যে, (মহান আল্লাহর বাণীঃ) "তোমাদের মনে যা আছে তা প্রকাশ কর কিংবা গোপন রাখ, আল্লাহ তোমাদের নিকট হতে তার হিসাব গ্রহণ করবেন"- (সূরাহ আল বাকারাহ ২ঃ ২৮৪)। এ আয়াতটি নাযিল হলে সাহাবাগণ খুবই উদ্বিগ্ন হলেন, আর কোন বিষয়ে তারা এতো উদ্বিগ্ন হননি। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, বরং তোমরা বল, শুনলাম, আনুগত্য স্বীকার করলাম এবং মেনে নিলাম। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহ তা'আলা তাদের অন্তরে ঈমান ঢেলে দিলেন। তিনি নাযিল করলেন, আল্লাহ তা'আলা কারোর উপর এমন কোন কষ্টদায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না, যা তার সাধ্যাতীত। সে ভালো যা উপার্জন করে তা তারই, আর মন্দ যা উপার্জন করে তাও তারই। হে আমাদের রব। যদি আমরা ভুলে যাই অথবা ভুল করে ফেলি তবে আমাদের পাকড়াও করো না। তখন আল্লাহ তা'আলা বললেনঃ অবশ্যই মেনে নিলাম। আল্লাহ তা'আলা আরো ইরশাদ করলেনঃ হে আমাদের রব! আমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে, আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করো না। আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ অবশ্যই মেনে নিলাম। আল্লাহ তা'আলা আরও ঘোষণা করলেনঃ "(বলুন) আমাদের পাপ মোচন কর, আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর, তুমিই আমাদের রব।" আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ অবশ্যই মেনে নিলাম। (মুসলিম ২২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩০, ইসলামিক সেন্টারঃ ২৩৮)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ الْمُعْتَمِرِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ قَرَأَ الآيَتَيْنِ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ...... আবূ মাসঊদ আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাত্রে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে তা সে ব্যক্তির জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে।
(সহীহ, তিরমিজি ২৮৮১, সহীহ আবু দাউদ ১২৬৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৮১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়ে দোয়া করলে দোয়া কবুল হবে ইনশাআল্লাহ। এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সূরা বাকারা পড়তে হবে, এমন আবশ্যকীয়তার বিষয় কোথাও পাইনি।
(০২)
হ্যাঁ,
এরকম দোয়া করা যাবে।
(০৩) এখানে মুমিন বলতে ওই ব্যক্তিকে বুঝানো হয়েছে যে কালেমায়ে শাহাদাত পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেছে এরপর মৃত্যু পর্যন্ত ইসলামের উপর অটল থেকেছে। কোন ভিন্ন ধর্ম বা নাস্তিক্যবাদ গ্রহণ করেনি।
৪)
এটি সঠিক। যারা অন্য মানুষের দোষ গোপন করে, তারা এক্ষেত্রে উদ্দেশ্য হবে।
৫) পানি পান করার আগে দোয়া করবেন।
একবার পান করার সময় একাধিক দুআ কবুলের নিয়তেও পান করা যাবে।
৬) এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হবে প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আলাদা আলাদা ভাবে ইস্তেখারা করার। এক্ষেত্রে হাযাল আমর শব্দ বলার সময় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা নিয়ত করবেন।
৭) এক্ষেত্রে আপনি ঘর থেকে বের হওয়ার আগে ইস্তিখারার সালাত আদায় করতে পারবেন।
ইস্তেখারার দুআয় যে দুইবার "হাযাল আমার" শব্দ আসবে, এই শব্দের জায়গায় মনে মনে নিয়ত করবেন যে আপনি আসলে কোন কোম্পানির ল্যাপটপ কিনতে চাচ্ছেন, সেই কোম্পানির বা সেই মডেলের বিষয় নিয়ত করবেন।
৮) কোন গায়রে মাহরাম সেই ছবি দেখলে তার শাস্তি হবে।
৯)রুমের সুইচে নাপাকি লাগলে মেইন সুইচ অফ করে দিয়ে ভেজা কাপড় দিয়ে তাহা তিনবার মুছতে হবে, প্রত্যেকবার সেই কাপড় পাক পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।
১০) এ সংক্রান্ত দলিল জানুনঃ-