আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
106 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (20 points)
edited by
আমার আম্মুর চাচা মারা গিয়েছে।এখন ওয়ারিশ কে কে হতে পারে, এটা জানা জরুরি। কারণ আমার মামাদের ওয়ারিশ হওয়ার দাবি করাটা ঠিক কি না জানা জরুরি

নানার(মুরিস) দুই মেয়ে এবং স্ত্রী জীবিত। তার ৫ ভাইয়ের মধ্যে ২ ভাই জীবিত। আর বাকি তিন ভাইয়ের ছেলেরা আছে।

মুরিসের বড় ভাইয়ের ৩ ছেলে(আমার আপন মামা) আছে, তারপরের ভাই মৃত কিন্তু তার ৪ জন ছেলে আছে, পরের দুই ভাই জীবিত, ছোটভাইয়ের ১ ছেলে আছে।

আমার জানামতে,নসবি আসাবা হবে ভাই।ভাই জীবিত থাকা অবস্থায় ভাতিজারা ওয়ারিশ হয় না।

১/কারা ওয়ারিশ হবে?

২/কে কত অংশ পাবে সেটা বললে মুনাসিব হয় ইন শা আল্লাহ
by (20 points)
আমার নানা সবার বড়।আর মেজো আর সেজো ভাই জীবিত।

1 Answer

0 votes
by (805,290 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
فَيُبْدَأُ بِأَصْحَابِ الْفَرَائِضِ وَهُمُ الَّذِينَ لَهُمْ سِهَامُ مُقَدَّرَةٌ فِي كِتَابِ اللَّهِ تَعَالَى ثُمَّ بِالْعَصَبَاتِ مِنْ جِهَةِ النَّسَبِ وَالْعَصَبَةُ كُلُّ مَنْ يَأْخُذُ مَا أَبْقَتْهُ أَصْحَابُ الْفَرَائِضِ وَعِنْدَ الْانْفِرَادِ يُحْرِزُ جَمِيعَ الْمَالِ ثُمَّ بالعصبة مِن جِهَةِ السَّبَبِ وَهُوَ مَوْلَى الْعَتَاقَةِ ثُمَّ عَصَبَتِهِ عَلَى التَّرْتِيْبِ ثُمَّ الرد على ذَوِي الْفُرُوضِ النَّسَبِيَّةِ بِقَدْرِ حُقوقِهِمْ ثُمَّ ذَوِي الْأَرْحَامِ .ثُمَّ مَوْلَى الْمَوَالَاةِ ثُمَّ الْمُقِرِ لَهُ
بالنسب عَلَى الْغَيْرِ بِحَيْثُ لَمْ يَقْبُتْ نسبه باقرارِهِ مِنْ ذَلِكَ الْغَيْرِ إِذَا مَاتَ الْمُبَرُ عَلَى أَقْرَارِهِ ثُمَّ الْمُوْضِى لَهُ بِجَمِيعِ . المالِ ثُمَّ بَيْتَ الْمَالِ -
অতঃপর মিরাস বণ্টনের কাজ। প্রথমে যাবিল ফুরূযগণ হতে আরম্ভ করা হবে। আর তারা হলো সেই সমস্ত উত্তরাধিকারীগণ যাদের জন্য নির্ধারিত অংশ কিতাবুল্লহের মধ্যে নির্ধারিত রয়েছে। অতঃপর বংশগত অসাবাগণের মধ্যে মিরাস বণ্টন করা হবে। আর আসাবা বা অবশিষ্টাংশ ভোগী বলতে তাদেরকে বুঝানো হয়- যারা যাবিল ফুরূযগণের নিজ নিজ অংশ নেয়ার পর অবশিষ্ট অংশের অংশীদার হয়ে থাকে, আর যাবিল ফুরূযগণের অবর্তমানে যারা সমুদয় সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করে। অতঃপর সাবাব বা কারণগত আসাবাগণের মধ্যে মিরাস বণ্টিত হবে। আর কারণগত আসাবা হলো, ক্রীতদাসের মুক্তিদাতা মনিব। তারপর তার আসাবাগণের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে বণ্টন করা হবে। অতঃপর পুনরায় বংশগত যাবিল ফুরূযগণের মধ্যে তাদের অংশহারে রদ বা পুনঃবণ্টন করা হবে। অতঃপর রক্ত সম্পর্কে সম্পর্কিত যাবিল আরহাম তথা নিকটাত্মীয়গণের মধ্যে মিরাস বণ্টন করা হবে।
অতঃপর মাওলাল মুওয়ালাত তথা মৃত ব্যক্তির চুক্তিবদ্ধ বন্ধু 'মনিবকে মিরাসের অংশ প্রদান করা হবে। তারপর মৃত ব্যক্তি কর্তৃক স্ববংশজাত বলে স্বীকৃত ব্যক্তিকে তার অংশ প্রদান করা হবে; এভাবে যে, তার স্বীকারোক্তি দ্বারা এ দ্বিতীয় ব্যক্তির উপর বংশের দাবি প্রতিষ্ঠিত হবে না। আর স্বীকৃতি দানকারী তার সে স্বীকারোক্তির উপর বহাল থাকাঅবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে। অতঃপর সম্পূর্ণ সম্পদের প্রাপক হিসেবে অসিয়তকৃত ব্যক্তিকে অংশ প্রদান করা হবে। অতঃপর (সর্বশেষে উপযুক্ত হকদার না পাওয়া গেলে) পরিত্যক্ত সম্পদ বায়তুল মালে (ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় কোষাগারে) জমা করা হবে।(সিরাজী)

কে কে সম্পদের মালিক হবে? তথা ওয়ারিছ কে হবে?
সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/343

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার প্রশ্নটি অস্পষ্ট। মৃত ব্যক্তির কে কে জীবিত আছেন? তা সবিস্তারে কমেন্টে উল্লেখ করবেন। তারপর আমরা মাস'আলা জানাবো।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
মৃত ব্যক্তির 
যাবিল ফুরুজ
স্ত্রী, ২ কন্যা,বাকি যাবিল ফুরজ সকলেই মৃত

আসাবা
সরাসরি আসাবা....
কোনো ছেলে নাই,
পিতা মৃত,পিতার পূর্বপুরুষ মৃত
আপন ২ ভাই জীবিত(এই দুই ভাইয়ের একজনের এক ছেলে আর আরেকজনের ২ ছেলে),
 ভাতিজা(বড় ভাইয়ের ছেলে ৩ জন), ভাতিজা(২য় ভাইয়ের ছেলে ৬ জন), ভাতিজা(ছোট ভাইয়ের ছেলে ১ জন), বাকি ভাতিজাদের পিতা জীবিত
কোনো বৈমাত্রেয় ভাই নাই

অন্যের সহযোগিতায় আসাবা(জীবিতদের কথা উল্লেখ করছি কেবল)
মেয়ে ২ জন,সহোদর বোনেরা মৃত,কোনো বৈমাত্রেয় বোন নেই

অন্যের সাথে আসাবা
জীবিত কেউ নেই

সববি আসাবা নাই

যাবিল আরহাম
এক মেয়ে অন্ত্ব:সত্তা,
জাদ্দে ফাসেদ ও জাদ্দায়ে ফাসেদা নেই,
সহোদর বোনের ছেলে মেয়ে আছে(দরকার হলে জানাবো ইন শা আল্লাহ) 
সহোদর ভাইয়ের কন্যা আছে(দরকার হলে জানাবো ইন শা আল্লাহ) 
বৈপিত্রেয় ভাই নেই
দাদি-নানির দিক দিয়ে আত্মীয়ের খোঁজ নিতে হবে(দরকার হলে জানাবো ইন শা আল্লাহ) 



by (805,290 points)
মৃত ব্যক্তির স্ত্রীকে প্রথমে ৮ ভাগের এক ভাগ সম্পদ দেয়া হবে। অতপর দুই মেয়ে দুই তৃতীয়াংশ পাবে। অতপর বাকী সম্পদ ভাই ভাতিজাদের মধ্যে বন্টন করা হবে। মৃত ব্যক্তির কোনো ভাই জীবিত থাকলে সেই সব কিছু পেয়ে যাবে। তখন অন্য ভাইয়ের ছেলে রা আর পাবে না।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...