আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
27 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (1 point)
আসসালামু আলাইকুম। আমি জেনারেল লাইনের  একজন স্টুডেন্ট।সমস্যাটা আমার আর আমার মায়ের। আমার মা মেয়ে পছন্দ করে না। যার কারনে ভাইকে খুব ভালোবাসে। মেয়ে পছন্দ করে না বিধায় কেউ আমাকে ভালবাসুক সেটাও তার পছন্দ না। আমার বাবার সাথে আমি কথা বললেও তার সহ্য হয় না। তার মনে হয় আমি সংসারে অশান্তি করি। (আমার বাবা বাহিরে থাকে) এমনকি কোন মানুষের সাথে কথা বলতে গেলেও সে সারাদিন বাসায় চিল্লায়, একটা বাক্যে পাঁচটা শব্দ থাকলে দশটা থাকে গালি,। সাথে অকথ্য ভাষা আর আমাকে অভিশাপ । যখন সহ্য করতে না পারি তখন আমি তারে জবাব দিই। আমি ভালো না। বুঝতে পারি তাকে বলা কথাগুলো তার খুব কষ্ট লাগে, কিন্তু আমি আমার সহ্যের বাহিরে।আচ্ছা তার কি কোন জিনিসে ভুল হতে পারে না? যদি আমি তাকে  বুঝিয়ে কোনো কথা বলতে চাই তাহলেও সে আমার সাথে গালাগালি করে। এখন আসলে আসল কথা হল আমাদের ফ্যামিলিতে কেউ নামাজ পড়ে না। কিন্তু হয়তো আমি হেদায়েত পাইছি তাই নামাজ পড়ার চেষ্টা করি।নিজের নফসের সাথে খুব যুদ্ধ করে। কিন্তু আমি নামাজ পড়লেই আমার মা বলে জত নামাজই পড়, তুই জীবনে যাইতে পারবি না জান্নাতে। আমাকে সব সময় অভিশাপ দেয় "তুই যা চাও জীবনেও পাবি না ''সে বলে আমি তোকে কখনো মাফ করবো না.। আমার প্রশ্ন হল সে যদি অনৈতিকভাবে আমাকে অভিশাপ দেয় তাইলে কি আসলেই আমি জান্নাতে যেতে পারবো না। আমি কি কখনোই পাব না?

NB:আমার তরফের কথাগুলো হয়তো আমার পক্ষের  হবে। তবে আমার মা সারা এলাকার মানুষকে আমার নামে যেগুলো বলে তাতে আমিই খারাপ।

1 Answer

0 votes
ago by (737,820 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আল্লাহ তা'আলা বলেন, 
وَإِن جَاهَدَاكَ عَلَىٰ أَن تُشْرِكَ بِي مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ فَلَا تُطِعْهُمَا ۖ وَصَاحِبْهُمَا فِي الدُّنْيَا مَعْرُوفًا ۖ وَاتَّبِعْ سَبِيلَ مَنْ أَنَابَ إِلَيَّ ۚ ثُمَّ إِلَيَّ مَرْجِعُكُمْ فَأُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
পিতা-মাতা যদি তোমাকে আমার সাথে এমন বিষয়কে শরীক স্থির করতে পীড়াপীড়ি করে, যার জ্ঞান তোমার নেই; তবে তুমি তাদের কথা মানবে না এবং দুনিয়াতে তাদের সাথে সদ্ভাবে সহঅবস্থান করবে। যে আমার অভিমুখী হয়, তার পথ অনুসরণ করবে। অতঃপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন আমারই দিকে এবং তোমরা যা করতে, আমি সে বিষয়ে তোমাদেরকে জ্ঞাত করবো।(সূরা লুকমান-১৪/১৫)

وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا ۚ إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُل لَّهُمَا قَوْلًا كَرِيمًا
তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন যে, তাঁকে ছাড়া অন্য কারও এবাদত করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব-ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না এবং বল তাদেরকে শিষ্ঠাচারপূর্ণ কথা।(সূরা বনি ইসরাঈল-২৩)


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
মাতাপিতার সাথে সদা সর্বদা উত্তম ব্যবহার করতে হবে। 
মাতাপিতাকে কখনো কষ্ট দেয়া যাবে না। অযথা মাতাপিতাকে হয়রানি করা কখনো উচিত হবে না। মাতাপিতাকে কষ্ট দিলে সন্তানের ভবিষ্যত অন্ধকার। সুতরাং আপনি আর কখনই আপনার মাতাপিতাকে কষ্ট দিবেন না। সর্বদাই তাদের সাথে সুন্দর ও নরম ব্যবহার করবেন। মাতাপিতার সাথে উত্তম আচরণের সর্বাত্মক চেষ্টা করার পরও যদি মা বা বাবা বদদোয়া দেন, তাহলে এই বদদোয়া সন্তানের উপর পতিত হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...