আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
88 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (2 points)
edited by
আমার চোখের সমস্যার কারণে আমি ছয় বেলা ড্রপ দিতেছি। সেজন্য আমার নামাজ জামাতে হচ্ছে না। আর আমি সবসময় ড্রপ দিতেছি। তিনটা ড্রপ চোখে দেওয়া লাগতেছে। সেজন্য আমি তায়াম্মুম করে নামাজ পড়তেছি সবগুলো নামাজ। এখন আমার নামাজ হবে কিনা?

আমি ফজরের আগে ঘুম থেকে উঠে ড্রপ দেই। সেজন্য ফজরের নামাজ তায়াম্মুম করে পড়তে হয়। আবার সকাল আটটার সময় আবার ড্রপ দেই। দেওয়ার পর যোহরের আজানের সময় আমি গোসল করে যোহরের নামাজ অজু করে পরি পানি দিয়ে। আবার তখন আমাকে ড্রপ দিতে হয়। আবার আসরের সময় আমি তায়াম্মুম করে নামাজ পড়ি। আসরের পর আবার ড্রপ দিতে হয়। মাগরিবের নামাজ আমি তায়াম্মুম এশার নামাজ আমি তায়াম্মুম করে পড়ি। আবার ফজরের আগে আমাকে ড্রপ দিতে হয়। ফজরের নামাজ তায়াম্মুম করে পড়ি। এভাবে তায়াম্মুম করে পড়লে নামাজ আবার হবে কিনা?

ডাক্তার আমাকে ডাক্তার আমাকে তিনটা ড্রপ লিখে দিয়েছে। তিনটাই হলো অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ। তিনটা ড্রপই আমাকে একসাথে দিতে হয়।

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
فَإِنْ كَانَ الْأَكْثَرُ صَحِيحًا وَالْأَقَلُّ جَرِيحًا يُغْسَلُ الصَّحِيحُ وَيُمْسَحُ عَلَى الْجَرِيحِ إنْ أَمْكَنَهُ وَإِنْ لَمْ يُمْكِنْهُ الْمَسْحُ يَمْسَحُ عَلَى الْجَبَائِرِ أَوْ فَوْقَ الْخِرْقَةِ وَلَا يَجْمَعُ بَيْنَ الْغُسْلِ وَالتَّيَمُّمِ. 
যদি শরীরের বা অজুর অঙ্গ সমূহের অধিকাংশ অংশ সুস্থ থাকে,এবং সামান্য অংশ যখমি থাকে,তাহলে সুস্থ অঙ্গ সমূহকে পানি দ্বারা ধৌত করা হবে,এবং যখমি স্থানকে মাসেহ করা হবে।যদি মাসেহ করাও সম্ভব না হয়, তাহলে ব্যান্ডেজের উপর মাসেহ করা হবে।তারপরও ধৌতকরণ এবং তায়াম্মুমকে একসাথে একই অজু বা গোসলে জমা করা যাবে না।
(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/২৮) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/53021

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
চোখে অপারেশন হওয়ার দরুণ যদি চোখে পানি লাগালে সমস্যা হয়,তাহলে চোখ ব্যতিত অজু গোসলের বাদবাকি অঙ্গ ধৌত করতে হবে। চোখকে মাসেহ করে নিলেই হবে। যদি মাসেহ করাও ক্ষতিকর হয়, তাহলে মাসেহ করা লাগবে না। এমনিতেই পবিত্রতা অর্জন হয়ে যাবে। আপনি যথাসম্ভব জামাতে নামায পড়ার চেষ্টা করবেন।সম্ভব না হলে একাকিও পড়তে পারেন। যেহেতু অসুস্থ তাই জামাত তরকের গোনাহ হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...