0 votes
56 views
in সালাত(Prayer) by (29 points)
আমার প্রায় সবসময়ই ওয়াসওয়াসা হয়। সালাত শেষ করার ২০+ মিনিট পর যদি দেখি যে সাদাস্রাব বের হয়েছে কিন্তু সালাতের মধ্যেই হয়েছে কিনা নিশ্চিত নই সেক্ষেত্রে কি সালাত দোহরাবো?
সালাতের মধ্যে প্রবল কোনো ধারণা হয়নি। সবসময়ের মতই হালকা সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছিলো। কিন্তু যেহেতু ওয়াসওয়াসাকে ইগনোর করা উচিৎ তাই চেক করিনি।
এক আয়াত শেষ না করে অর্ধেক বা তার চেয়ে কম বেশি পড়ে যদি বারবার দোহরাই সালাত কি ফাসেদ হয়ে যাবে? উচ্চারণের সংশয়ের জন্য এমন হয়। মাখরাজ সহীহভাবে পড়ার জন্য বারবার আটকে যাই।

1 Answer

0 votes
by (203,920 points)
জবাব
بسم الله الرحمن الرحيم 


আপনি নিশ্চয়তার উপর নির্ভর করবেন। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি নামাজের মধ্যে সাদা স্রাব বের হওয়ার ব্যপারে নিশ্চিত হবেন না, ততক্ষণ পর্যন্ত কেবল সন্দেহের বশে নামাজের মধ্যেই সাদা স্রাব বের হয়েছে বলা যাবে না। হাদীস শরিফে এসেছে,

রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, হে আল্লাহর রাসূল, যদি কোন ব্যক্তি সন্দেহ করে যে, তার নামাযে কিছু বের হয়েছে। উত্তরে তিনি বলেন, لَا يَنْصَرِفْ حَتَّى يَسْمَعَ صَوْتًا أَوْ يَجِدَ رِيحًا নামায ছেড়ে দিবে না, যতক্ষণ না সে আওয়াজ শোনে, অথবা গন্ধ পায়। (বুখারী: ১৩৭)

আল্লামা ইবনে নুজাইম রাহ,লিখেন,

اﻟْﻘَﺎﻋِﺪَﺓُ اﻟﺜَّﺎﻟِﺜَﺔُ: اﻟْﻴَﻘِﻴﻦُ ﻻَ ﻳَﺰُﻭﻝُ ﺑِﺎﻟﺸَّﻚِّ
ﻭَﺩَﻟِﻴﻠُﻬَﺎ ﻣَﺎ ﺭَﻭَاﻩُ ﻣُﺴْﻠِﻢٌ ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻲَ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﻣَﺮْﻓُﻮﻋًﺎ {ﺇﺫَا ﻭَﺟَﺪَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓِﻲ ﺑَﻄْﻨِﻪِ ﺷَﻴْﺌًﺎ ﻓَﺄَﺷْﻜَﻞَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺃَﺧَﺮَﺝَ ﻣِﻨْﻪُ ﺷَﻲْءٌ ﺃَﻡْ ﻻَ ﻓَﻼَ ﻳَﺨْﺮُﺟَﻦَّ ﻣِﻦْ اﻟْﻤَﺴْﺠِﺪِ ﺣَﺘَّﻰ
ﻳَﺴْﻤَﻊَ ﺻَﻮْﺗًﺎ، ﺃَﻭْ ﻳَﺠِﺪَ ﺭِﻳﺤًﺎ}

ভাবার্থঃতৃতীয় উসূল,ঈয়াক্বিন(দৃঢ় বিশ্বাস)সন্দের দ্বারা খতম হয় না।[তথা কারো কোনো বিষয় সম্পর্কে দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে, সে বিষয় সম্পর্কে বিপরিত কোনো সন্দেহের উদ্রেক হলে পূর্ব বিশ্বাসের কোনো ক্ষতি হবে না।অর্থাৎ নতুন করে জন্ম নেয়া সন্দেহ অগ্রহণযোগ্য ]

আরো জানুনঃ  
,
★প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন, 
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে নামাজের আগে একবার চেক করবেন,যদি পরিস্কার পান,তাহলে নামাজে দাড়াবেন,নতুবা পরিস্কার করে নামাজে দাড়াবেন।  নামাজ শেষে  সাথে সাথেই আবার চেক করবেন,যে সাদা স্রাব বের হয়েছে কিনা,যদি বের হয়,তাহলে পবিত্রতা অর্জন করে উক্ত নামাজ পুনরায় আদায় করতে হবে। 
,
আপনি যদি মা'যুর হোন,তাহলে মা'যুরের বিধান অনুযায়ী আপনি প্রতি ওয়াক্তে শুধু একবার অযু করে নিবেন।
উক্ত অযু দিয়ে সেই ওয়াক্তে যত ইচ্ছা নামাজ আদায় করতে পারবেন ,কুরআন তিলাওয়াত করতে পারবেন। 
,
আরো জানুনঃ  
,
(০২)
যদি সুরা ফাতেহার ক্ষেত্রে এমনটি হয়,তাহলে সেজদায়ে সাহু ওয়াজিব হবে। 
অন্য সুরার ক্ষেত্রে সেজদায়ে সাহু ওয়াজিব হবেনা।     
,
বিস্তারিত জানুনঃ


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্যদিকে প্রতিমাসে একাধিকবার আমাদের মুফতি সাহেবগন জুমের মাধ্যমে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। সেই ক্লাসগুলোতেও জয়েন করার জন্য অনুরোধ করা গেল। ক্লাসের সিডিউল: fb.com/iomedu.org

Related questions

...