وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
এই ব্যাপারে অনেকেই অনেক রকমের আমলের কথা বলেন,তবে বিজ্ঞ ইসলামী স্কলারদের মত হলো,সুন্নাহ মোতাবেক আমল করতে হবে।
মনগড়া আমল করা যাবেনা।
,
তাই তারা বলেন যে,এক্ষেত্রে
বেশি বেশি দরূদ পাঠ এবং সুন্নতের পাবন্দি রক্ষা করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। কোন সুন্নতের প্রতি যেন অবহেলা করা যাবেনা।
أن أبا هريرة قال : سمعت النبي صلى الله عليه و سلم يقول ( من رآني في المنام فسيراني في اليقظة ولا يتمثل الشيطان بي )
হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ বলেনঃ রাসূল সাঃ বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নযোগে দেখল, সে যেন আমাকে বাস্তবেই দেখল। কারণ শয়তান আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না।
{সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৬৫৯২, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-৬০৫৬, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং-৬০৫২, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৫০২৫ , সুনানে দারেমী, হাদীস নং-২১৩৯, সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-৩৯০৫, সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-২২৭৬}
রাসুল (সা.)-কে স্বপ্নে দেখতে হলে তাঁর প্রতি অন্তরে অধিক ভালোবাসা থাকতে হবে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁর সুন্নতের প্রতিফলন ঘটাতে হবে। বেশি পরিমাণে দরুদ পাঠ করতে হবে। (ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ২/২৩৪)
,
প্রিয় নবীকে স্বপ্নে দেখার আমল সম্পর্কে বলা হয়েছে যে …
সত্যিকারের নবী প্রেমে মাতোয়ারা হওয়া, তার সুন্নতসমূহ পালনের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে উদ্গ্রীব হওয়া। তাহলেই কেবল নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখা সম্ভব।
কোনো কোনো আলেম বলেছেন, নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখতে হলে, বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা। অজুসহকারে পবিত্র হয়ে বিছানায় শয়ন করা। শেষ রাতে উঠে তওবা করা।
তাহাজ্জুদ পড়তে হবে।
কেউ কেউ বলেন,প্রত্যহ রাতে রাসুলের সীরাত সংক্রান্ত কোনো বই পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে যাওয়া।
প্রশ্নে উল্লেখিত দরুদ শরীফের আমল করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ রাসুলুল্লাহ সাঃ কে স্বপ্নে দেখতে পারেন।
এক্ষেত্রে উপরে ওড়না না নিলেও যদি পূর্ন ভাবে শরয়ী পর্দা হয়,আকর্ষণ সৃষ্টি না হয়,সেক্ষেত্রে এটি নিজে বললে গুনাহ হবেনা।
তবে সে মেয়েকে এটি বলা যাবে না, কেননা সে যদি এর দ্বারাই নিজেকে পরিপূর্ণ পর্দার অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করে, আর বাস্তবে যদি এটি সঠিক হয়, সেক্ষেত্রে তার পর্দা হতে বাধা দেওয়ার অধিকার আপনার নেই।