ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ
অযুতে মিসওয়াক করা। রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন,
لولا
أن أشقَّ على أمتي لأمرتهم بالسواك عند كل وضوء
‘‘আমার উম্মতের যদি কষ্ট না হতো, তাহলে আমি প্রতি
নামাজের সময় তাদের মেসওয়াক করার আদেশ দিতাম।’’ বুখারী-27
.
বি.দ্র: মেসওয়াকের অনুপস্থিতিতে হাতের আংগুল দিয়ে হলেও মেসওয়াক
করবে। হযরত আনাস বিন মালেক রা. থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূল সা. এর কাছে এসে বললো, ইয়া রাসুলুল্লাহ
আপনি মেসওয়াকের বিষয়ে আমাদেরকে উৎসাহিত করেছেন, এটার পরিবর্তে অন্য কোন কিছু আছে কী? নবীজী সা. বললেন, ‘‘তুমি তোমার
হাতের আঙ্গুলকে মেসওয়াক বানাও;
এবং তা দিয়ে দাতঁসমূহ পরিস্কার করো।’’ বায়হাকী
.
https://ifatwa.info/109149/
নং ফাতওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,
ইসলামে নাভির নিচের লোম, বগলের নিচের পশম, নখ ইত্যাদি পরিষ্কারের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এবং সর্বোচ্চ
৪০ দিন সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। এর অতিরিক্ত সময় নখ ও শরীরের অতিরিক্ত লোম পরিষ্কার
না করা মাকরূহ তাহরীমি বা গোনাহর কাজ।
,
এ মর্মে হাদীস শরীফে এসেছে,
সাহাবী হযরত আনাস রাযি. বলেন,
وُقِّتَ
لَنَا فِي قَصِّ الشَّارِبِ، وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ، وَنَتْفِ الإِبِطِ، وَحَلْقِ
الْعَانَةِ، أَنْ لاَ نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ يَوْماً
অর্থাৎ,
গোঁফ ছোট রাখা , নখ কাঁটা,
বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভীর নিচের লোম চেঁছে ফেলার জন্যে
আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল যেন, আমরা তা করতে চল্লিশ
দিনের অধিক দেরী না করি। (মুসলিম ২৫৮)
.
★ সু-প্রিয়
প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
.
১. জ্বী হ্যাঁ, কখনো মেসওয়াক না থাকলে
আঙ্গুল দিয়ে দাঁত মাজলেও সওয়াব পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।
২. এমন করাতে কোনো গোনাহ হবে না ইনশাআল্লাহ। তবে যতো দ্রুত পরিষ্কার
করা যায় তা করে নিলে উত্তম হবে।
৩. সবার ক্ষেত্রেই হাদীসের নির্দেশনা এসেছে।