ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হানাফি মাযহাব মতে, যদি থুথু মুখ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, এরপর মুখে ফিরিয়ে নেয় তাহলে রোযা ভঙ্গ হবে; অন্যথায় নয়।
ফাতহুল ক্বাদির গ্রন্থে বর্ণিত রযেছে,
“যদি তার থুথু মুখ থেকে বেরিয়ে যায়, এরপর মুখে প্রবেশ করায় ও গিলে ফেলে: যদি মুখের সাথে এর সংযোগ বিচ্ছিন্ন না হয়; বরং মুখের ভেতরে যা আছে সেটার সাথে সংযুক্ত থাকে; যেমন- কোন সুতা থুথুকে চুষে নিল; তাহলে রোযা ভঙ্গ হবে না। আর যদি থুথু মুখ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর সেটাকে নিয়ে মুখে ফিরিয়ে দেয়া হয়; তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। তবে কোন কাফ্ফারা আবশ্যক হবে না। যেমনিভাবে কেউ যদি অন্য কারো থুথু গিলে ফেললে রোযা ভেঙ্গে যায়। আর যদি মুখের ভেতরে থুথু জমার পর সেটাকে গিলে ফেলে তাহলে সেটা মাকরুহ। তবে এতে রোযা ভাঙ্গবে না।”(ফাতহুল ক্বাদির গ্রন্থে -২/৩৩২)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
মুখের থুথু মুখ থেকে বাহিরে তথা ঠোঁটে আসার পর মনের অজান্তেই সেটাকে চেটে ফেললে। এতেকরে রোযা ভঙ্গ হবে না।
الدر المختار وحاشية ابن عابدين (رد المحتار) (2/ 400):
"(أو دخل أنفه مخاط فاستشمه فدخل حلقه) وإن نزل لرأس أنفه كما لو ترطب شفتاه بالبزاق عند الكلام ونحوه فابتلعه أو سال ريقه إلى ذقنه كالخيط ولم ينقطع فاستنشقه.
(قوله: أو دخل أنفه) الأولى أو نزل إلى أنفه (قوله: وإن نزل لرأس أنفه) ذكره في الشرنبلالية أخذا من إطلاقهم، ومن قولهم بعدم الفطر ببزاق امتد ولم ينقطع من فمه إلى ذقنه ثم ابتلعه بجذبه ومن قول الظهيرية وكذا المخاط والبزاق يخرج من فيه وأنفه فاستشمه واستنشقه لايفسد صومه. اهـ.
ثم قال: لكن يخالفه ما في القنية نزل المخاط إلى رأس أنفه لكن لم يظهر ثم جذبه فوصل إلى جوفه لم يفسد اهـ حيث قيد بعدم الظهور (قوله: فاستنشقه) الأولى فجذبه؛ لأن الاستنشاق بالأنف وفي نسخ فاستشفه بتاء فوقية وفاء أي جذبه بشفتيه وهو ظاهر ط"