আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির মূলত রুকইয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন। রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য— এখানে ক্লিক করুন

0 votes
1,114 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (1 point)
closed by
মাথার চুলকে কয় ত্বরিকায় রাখা যাবে? সুন্নাহ পদ্ধতি কি?

........................................................................................................................................................................................................
closed

1 Answer

0 votes
by (789,510 points)
selected by
 
Best answer
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
চুল কাটা ও শরয়ী বিধি-বিধান।
চুল  সম্পর্কে শরয়ী বিধান হচ্ছে,পরিবেশ ও পরিস্থিতি এবং আবহাওয়া সাথে সমতা রেখে বাবড়ি চুল ও চুলমুন্ডন,এ দু-থেকে যে কোনো একটিকে গ্রহণ করা যাবে,এতে কোনোপ্রকার বিধি-নিষেধ নেই।তবে বাবড়ি চুল রাখা সুন্নাত এবং চুল মুন্ডন করাও হানাফি মাযহাব মতে সুন্নাত,অর্থাৎ উভয়টিই সুন্নাত ।(ফাতওয়ায়ে রশিদিয়া)

এবং চুলকে কেটে খাটো করাও যাবে তবে বিষয়টা একটু ব্যখ্যা সাপেক্ষ্য। সুতরাং চুল কাটা সম্পর্কে ইসলামী বিধান হচ্ছে,চতুর্দিকে সমান করে কাটা,যতটুকু সামনের দিকে কাটা হবে ততটুকু পিছন ও মাথার মধ্যখান এবং উভয় সাইট থেকেও কাটতে হবে,উভয় সাইট ও পিছনের দিকে চুল ফেলে দিয়ে সামন বা মধ্যখানে চুল রেখে দেয়া কখনো জায়েয হবে না বরং তা হারাম হবে।


রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাথায় তিন ধরনের চুল ছিলো।জুম্মা, লিম্মা ও ওয়াফরা। 
(১) জুম্মাঃ যা কাঁধের উপর ঝুলে পড়ত (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩৬৩৫)।
(২) লিম্মাঃ যা প্রায় কাঁধের কাছাকাছি ঘাড় পর্যন্ত ঝুলে পড়ত (নাসাঈ হা/৫০৬২)। 
(৩) ওয়াফরাঃ যা কানের লতি পর্যন্ত ঝুলে থাকত।

রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর চুল সাধারণত জুম্মার চেয়ে ছোট এবং ওয়াফরার চেয়ে বড় থাকত (ইবনু মাজাহ হা/৩৬৩৫)। 


মোটকথা, 
তিন ত্বরিকায় মাথার চুল রাখা যাবে।
(১) বাবড়ি চুল রাখা।
(২) চুল মুন্ডানো।
(৩) আগপিছ সমান করে চুল কর্তন করা।


বিঃদ্রঃ 
দাড়ী বিহীন বালকদের জন্য বাবড়ি চুল রাখাকে ফিৎনার আশংকার ধরুণ ফুকাহায়ে কেরাম নিরুৎসাহিত করে থাকেন।কেননা তখন মহিলার মত লাগবে।(কিতাবুন-নাওয়াযিল-১৫/৫০১)

لما فى رد المحتار:
"(قوله وأما حلق رأسه إلخ) وفي الروضة للزندويستي أن السنة في شعر الرأس إما الفرق أو الحلق. وذكر الطحاوي: أن الحلق سنة، ونسب ذلك إلى العلماء الثلاثة...قال ط: ويكره القزع وهو أن يحلق البعض ويترك البعض قطعا مقدار ثلاثة أصابع كذا في الغرائب، وفيها: كان بعض السلف يترك سباليه وهما أطراف الشوارب."(كتاب الحظر و الإباحۃ، ج:6، ص:407، ط:ايچ ايم سعيد)

وفى بہشتی گوہر:
"پورے سر پر بال رکھنا نرمہ گوش تک یا کسی قدر اس سے نیچے سنت ہے اور اگر سر منڈائے تو پورا منڈا دینا سنت ہے اور کتروانا بھی درست ہے، مگر سب کتروانا اور آگے کی جانب کسی قدر بڑے رکھنا جو آج کل فیشن ہے جائز نہیں، اور اسی طرح کچھ حصہ منڈوانا کچھ رہنے دینا درست نہیں ۔"(بالوں کے متعلق احکام، ص:180، ط:مکتبہ البشری)

وفى فتاوی رحیمیہ:
"سنت یہ ہے کہ پورے سر پربال رکھے جائیں یاسب کے سب منڈا دئیے جائے یا مساوی طور پر کٹوادئیے جائیں،کچھ حصہ منڈانا اور کچھ حصہ میں بال رکھنا، یا چھوٹے بڑے اتار چڑھاؤ بال رکھنا جو آج کل فیشن ہے اور انگریزی بال سے موسوم ہے یہ خلاف شرع ہے، نصاری، فساق اور فجار کی ہیئت کے ساتھ مشابہت لازم آتی ہے جوممنوع ہے۔"
(کتاب الحظر والاباحۃ،ج:10،ص:114، ط: دار الاشاعت)


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...