0 votes
221 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (21 points)
উস্তাদ,

১.দুরুদে তুনাজ্জিনা পড়া কি জায়েয?

২.স্বপ্নে পাওয়া করোনার ঔষধ :৩ বার সূরা ইখলাস, ৩ বার সূরা ফাতিহা ও ৩১৩ বার হাসবিয়াল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল পড়া যাবে কি?এইটা নাকি মুফতী তাক্বী উসমানী বলেছেন।

1 Answer

0 votes
by (30.9k points)

বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-

দরুদে তুনাজ্জিনা বা এরমত প্রচলিত অন্যান্য দরুদ যেমন- দরুদে তাজ, দরুদে হক্কানী, তুনাজ্জিনা, ফুতুহাত, শিফা ইত্যাদি
দরুদে তাজ, দরুদে হক্কানী, দরুদে তুনাজ্জিনা, দরুদে ফুতুহাত, দরুদে রু‘ইয়াতে নবী ( ﷺ ), দরুদে শিফা, দরুদে খাইর, দরুদে আকবার, দরুদে লাখী, দরুদে হাজারী, দরুদে রূহী, দরুদে বীর, দরুদে নারীয়া, দরুদে শাফেয়ী, দরুদে গাওসিয়া, দরুদে মুহাম্মাদী

এগুলো কুরআন-হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়।বরং এসবই মানুষের তৈরী।এসব দরুদের অধিকাংশ বাক্যবলীতে অনেক ভাল এবং অনেক সুন্দর সুন্দর আলোচনা রয়েছে। সে হিসেবে এগুলো পড়ে নিলে সাধারণ দরুদ পাঠের ফযিলত অবশ্যই অর্জিত হয়ে যাবে।তবে মনে রাখতে হবে এগুলো হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়।তাই এগুলোর পরিবর্তে হাদীসে বর্ণিত দরুদ গুলো পড়া-ই উত্তম।এ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে দেখুন- 1104

স্বপ্ন দ্বারা শরীয়তের কোনো হুকুম প্রমাণিত হয় না।স্বপ্ন যে দেখে তার জন্য হয়তো তা দলীল হতে পারে তবে অন্য কারো জন্য তা দলীল হবে না।

মহামারি আল্লাহ তা'আলা কর্তৃক প্রেরিত এক প্রকার আযাব।আর আযাব থেকে বাঁচতে কুরআন হাদীসে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা রয়েছে।এ সম্পর্কে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুক-1093

কুরআন-হাদীসে বর্ণিত দু'আ সমূহের সাথে একজন নেককার বুজুর্গের স্বপ্ন এবং অন্য আরেকজন নেককার ব্যক্তির তাবির কেও পড়া যেতে পারে।তবে এটা পড়তে হবে বা না পড়লে হবে না এরকম কিছু মনে করা যাবে না। আল্লাহ-ই ভালো জানেন।



উত্তর লিখনে
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ, Iom.
পরিচালক
ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

Related questions

...