+2 votes
28 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (4 points)
edited by
১।স্বামী তার স্ত্রীর লজ্জাস্থানে এবং স্ত্রী তার স্বামীর লজ্জাস্থানে মুখ দিতে পারবে?

২।স্ত্রী স্বামীর সহবাসের ক্ষেত্রে সারা না দিলে ফেরেশতারা সারারাত স্ত্রীকে অভিশাপ দিবে।তাহলে স্ত্রী স্বামীর সহবাসের ক্ষেত্রে সারা না দিলে স্বামী তাতে অসন্তুষ্ট না হলে তাও ফেরেশতারা সারারাত স্ত্রীকে অভিশাপ দিবে ? বা ধরেন,এতে সে অসন্তুষ্ট কিন্তু সে চায় না ফেরেশতারা সারারাত তার স্ত্রীকে অভিশাপ দিবে তাহলে তাও কী ফেরেশতারা সারারাত স্ত্রীকে অভিশাপ দিবে?

1 Answer

0 votes
by (116,800 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
https://www.ifatwa.info/6009 নং ফাতাওয়ায় আমরা বলেছি যে,
স্বামী-স্ত্রী পরস্পর পরস্পরের বীর্য খাওয়া হারাম বা মাকরুহে তাহরিমী।(ফাতাওয়ায়ে শামী-৩/২১১)

আল্লাহ তা'আলা বলেন,
أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَى نِسَآئِكُمْ هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ عَلِمَ اللّهُ أَنَّكُمْ كُنتُمْ تَخْتانُونَ أَنفُسَكُمْ فَتَابَ عَلَيْكُمْ وَعَفَا عَنكُمْ فَالآنَ بَاشِرُوهُنَّ وَابْتَغُواْ مَا كَتَبَ اللّهُ لَكُمْ وَكُلُواْ وَاشْرَبُواْ حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ ثُمَّ أَتِمُّواْ الصِّيَامَ إِلَى الَّليْلِ وَلاَ تُبَاشِرُوهُنَّ وَأَنتُمْ عَاكِفُونَ فِي الْمَسَاجِدِ تِلْكَ حُدُودُ اللّهِ فَلاَ تَقْرَبُوهَا كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللّهُ آيَاتِهِ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ
রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ। আল্লাহ অবগত রয়েছেন যে, তোমরা আত্নপ্রতারণা করছিলে, সুতরাং তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন এবং তোমাদের অব্যাহতি দিয়েছেন। অতঃপর তোমরা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর এবং যা কিছু তোমাদের জন্য আল্লাহ দান করেছেন, তা আহরন কর। আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত। আর যতক্ষণ তোমরা এতেকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর, ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মিশো না। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক বেঁধে দেয়া সীমানা। অতএব, এর কাছেও যেও না। এমনিভাবে বর্ণনা করেন আল্লাহ নিজের আয়াত সমূহ মানুষের জন্য, যাতে তারা বাঁচতে পারে।(সূরা বাকারা-১৮৭)

স্বামী-স্ত্রী পরস্পর পরস্পরের সমস্ত অঙ্গ দ্বারা ফায়দা নিতে পারবে।উপভোগ করতে পারবে।কিন্তু একে অপরের লজ্জাস্থানকে মুখে নেওয়া বেহায়াপনা ও চুড়ান্ত পর্যায়ের অশ্লীলতা, বিধায় ফুকাহায়ে কেরাম মাকরুহ বলেছেন।যদি স্ত্রী নিজের যৌন অনুভূতিকে মুখে প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করে বা যৌন আখাংকায় বেহুশ হয়ে স্বামীর গোপনাঙ্গকে মুখে নিয়ে নেয়,এক দুইবার হলে মাফ।ঠিক তেমনি স্বামী যৌন আখাংকায় বেহুশ হয়ে যদি স্ত্রীর গোপনাঙ্গকে মুখে নিয়ে নেয়,এক দুই বার হলে মাফ।নিয়মিত অভ্যাস বানিয়ে ফেলা মাকরুহ।বীর্যকে মুখে প্রবেশ করানো যাবে না।এবং গিলে ফেলা মাকরুহে তাহরীমি।(ফাতাওয়ায়য়ে মাহমুদিয়্যাহ-১৮/৬২৪,জামেউল ফাতাওয়া - ৩/২৩৪,ফাতাওয়ায়ে রাহিমিয়্যাহ-৬/৩৭০)

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-খন্দকার মারছুছ সাহেব লিখিত "ফ্যমিলি ম্যানেজমেন্ট"


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...