0 votes
136 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (2 points)
আসসালামু আলাইকুম
আমাকে এক বোন প্রশ্ন করেছেন যে
উনি তার নিজ ক্লাসের একজনের সাথে বিয়ে করেছেন,  উনারা প্রথমে নাকি ফ্রেন্ড ছিলো ( যদিও আমি বলে দিয়েছি যে ফ্রেন্ডশিপ ও ঠিক না)
পরবর্তীতে উনাদের মাঝে প্রেম এবং বিয়ে করেন

উল্লেখ উনারা নাকি পছন্দ হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই বিয়ে করেছেন
কিন্তুু উনাদের মাঝে অনৈতিক কিছু হয়েছে কিনা সেটা তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন নি।
তবে
উনারা প্রেম থেকে বাচতেই নাকি বিয়ে করেছেন (এখানেও অস্পষ্ট আমার কাছে)
এবং মেয়ের বাড়ির কেউ জানেন না,
অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে   করেছেন
মুল পয়েন্ট হলো
★ উনাদের কি এই বিয়ে হয়েছে?    
★ আর উনাদের কি তওবা করা লাগবে এরকম সম্পর্কের মধ্য দিয়ে বিয়ে করার জন্য?
★ এবং যদি বিয়ে না হয় তাহলে উনারা এখন কি করতে পারেন??
আরো জানিয়ে রাখা ভালো উনারা এখনো নিজ নিজ বাড়িতে থাকেন।।।।
(তবে এক্ষেত্রে তাদের শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে কিনা অস্পষ্ট)
আশা করি উত্তর টা দিবেন যদিও বিষয় টা জটিল
এরকম জটিল ও (উল্টাপাল্টা )
প্রশ্নের মাসয়ালা জানতে চাওয়ার জন্য
ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি....

1 Answer

0 votes
by (42.2k points)

বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-
সবাইকে জানিয়ে মাতা-পিতার সম্মতিতে ফ্যামিলি সিদ্ধান্তে বিয়ে করাই প্রত্যেক মুসলমান যুবক-যুবতীর উচিৎ ও কাম্য।তবে যদি তারা কাউকে না জানিয়ে দু'জন সাক্ষীর উপস্থিতে বিয়ে করে নেয়,তাহলে সেক্ষেত্রে বিয়েটা হয়ে যাবে।

অভিবাবকের অনুমতি ব্যতীত বিয়ে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-408

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, Iom.

পরিচালক

ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ

by
আসসালা-মু 'আলাইকুম, হযরত..

আমার মনে হচ্ছে আপনার জবাবটি অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। আমি হযরত আবুল হাসান আলি নদভী দা'মাত বারকাতুহুম কে এক স্থানে এরুপ উত্তর দিতে দেখেছি যে দুজন শরীয়াহসম্মত সাক্ষীর সামনে ইজাব-কবুল হলে বিয়ে হয়ে যাবে ঠিক, কিন্তু মাহর নির্ধারণ করা না হলে উক্ত বিয়ে অশুদ্ধ থেকে  যাবে।
এক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী দুজন মিলে মাহর নির্ধারণ করে নিলেই  বিবাহ শুদ্ধ হয়ে যাবে। নতুন করে ইজাব-কবুল বা আর কোনো আনুষ্ঠানিকতা প্রয়োজন হবে না।

আপনার উত্তরটিতে সম্ভবত ভুল ক্রমে মাহর এর বিষয়টি বাদ গিয়েছে।
আল্ল-হু 'আলাম।
by (42.2k points)
ওয়া আলাইকুম আসসালাম।

মুহতারাম!
মহর উল্লেখ না থাকলেও বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যায়।যদিও মহর উল্লেখ করাটা জরুরী।তবে সাক্ষী উপস্থাতি না থাকলে বিয়েই হবে ননা।আবার নতুন করে বিয়ে করতে হবে।
যদি কেউ মহরকে উল্লেখ না করে দু'জন শরয়ী সাক্ষীর উপস্থিতিতে বিয়ে করে নেয়,তাহলে বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যাবে।এক্ষেত্রে মহিলা মহরে মিছিল তথা সৌন্দর্য ও দ্বীনী শিক্ষা বিবেচনায়  তার বোন,মা,খালা,সমবয়স্ক আশপাশের মহিলা ইত্যাদির মহরের মত সে মহরের হক্বদার হবে।

যদি কোথাও অশুদ্ধর কথা আলোচনা হয়ে থাকে।তবে সেটা সতর্কতামূলক আলোচনা।জাযাকুমুল্লাহ।

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

Worldwide Visitor

Related questions

...