আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
40 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (2 points)
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমি আমার পরিবারের একমাত্র মেয়ে। বয়স তেইশ। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাকে ক্লাস সেভেন এ হেদায়েত দেন। কিন্তু নামায সবসময় পড়া হতো না। আমার পরিবার বেদ্বীন তারাও কিছু বলত না। নামাজ না পড়লে যে কাফির হয়ে যায় ওইটা ও জানতাম না শুধু এতটুকু বুঝতাম একজন মুসলিম হিসাবে নামাজ পড়া দরকার কারন আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন৷ আখিরাত সম্পর্কে তেমন কোনো ধারনাই ছিল না। সেভেন থেকে ক্লাস টেন পর্যন্ত আমার যখন ইচ্ছে হত নামায পরতাম আর রমযানে অথবা পরীক্ষার সময়। তারপর মহিলা কলেজে ভর্তি হই কিন্তু বেশি ক্লাস করতে পারি নাই। কলেজ অফ হয় এর মধ্য আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাকে আবার হেদায়েত দেন। তারপর থেকে নামায কাযা করতাম না। ভাবলাম কলেজ আর পড়বোনা সবকিছু বাদ এখন যদি কলেজে যাই তাহলে পর্দার খেলাফ হবে নামায কাজা হবে আর লেখাপড়া না করলে হয়ত বিয়ে দিয়ে দিতে পারে কিন্তু আমার চিন্তা ভাবনা পুরাটাই উল্টো হয়ে গেল। কলেজে যাই না দেখে পরিবারে অনেক সমস্যা হইছে। এই সমস্যার মধ্যে আরেকটা সমস্যা দেখা দিল আমি নামাজ পড়তে গেলে নামায পড়তে পারি না অযু করতে গেলে অযু করতে পারি না কারো সাথে বেড শেয়ার করতে পারি না এগুলা দেখে আমার পরিবার হতাশ তারপর একটা কবিরাজ দেখায় কিন্তু কোনো কাজ হইনি আসলে রোগটা যে সূচিবায়ু আমি বুঝতে পারি নি। তারপর পথভষ্ট্র হয়ে যাই। তারপর আবার হেদায়েত পাই কিন্তু সূচিবায়ু কারনে বার বার দিন থেকে সরে যাই আর আমি বুঝতে ও পারি নাই। এইভাবে হেদায়েত পাই আর হারাই। এখন সূচিবায়ু রোগটা এমন পর্যায়ে গেছে আমি ফরজ গোসল পযন্ত করতে পারি না। অযু গোসল করতে করতে নামাজের ওয়াক্ত চলে যায়। আর কেউ যদি আমার কাছে না থাকে তাহলে নামায অযু করতে পারি না শুধু ওয়াসওয়সা আসে। কত ভিডিও দেখলাম তাও কাজ হইতেছে না। আমার পরিবার ভাবতেছে হয়ত আমাকে কোনো জ্বীন ধরছে।
আমি আমার পরিবার বলছি কোনো দ্বীনদার ছেলে দেখে বিয়ে দিয়ে দাও তাও দেয়না। তারপর বললাম নয়ত একটা মাদ্রসায় ভর্তি করাইয়া দেও তাও দেয় না। কয় মাদ্রসায় ভর্তি হলে বুঝি জ্বিনে নিয়া যাইব। এখন বলতেছে নামাজ পরলে যখন সমস্যা হয় তাহলে পরতে হবে না এখন পড়াশোনা মন দাও উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হও নয়ত জামাইয়ের কাছে হাত পাততে হবে আর অনেক কিছু বলে। আমি কয়েকদিন ধরে নামায পরতে পারি না। শুধু ডিপ্রেশন রোগি হইয়া গেছি। আপনি আমারে বলেন এখন কি করব?
আর একটা সমস্যা হইছে আমার পরিবার কোনো দ্বীনদার ছেলে সাথে বিয়ে দিবে না আর আমিতো দ্বীনদার ছেলে ছাড়া বিয়ে ও করবো না। এখন আমার কি করনীয় কি করা উচিত? আর একটা কথাই মনে আসে মরে গেলে হয়ত সমাধান হবে কিন্তু তা তো জায়েজ নাই।
by (735,240 points)
শত চেষ্টার পরও পরিপূর্ণ দ্বীনদার কাউকে না পেলে যদি মোটামোটি দ্বীনদার তথা নামায রোযা করতেছে, এমন পাত্র থেকে বিবাহের প্রস্তাব আসে, তাহলে এই প্রস্তাবকেও গ্রহণ করে নিতে পারবেন। 

1 Answer

0 votes
by (735,240 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়। কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন। যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে।
আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন https://courses.iom.edu.bd/courses/waswasa


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...