0 votes
79 views
in দাফন ও জানাজা (Burial & Janazah) by (2 points)
মারা যাওয়ার পর সাধারনত লাশ অনেক সাবধানে সরানো, গোসল  করা হয়। যাতে লাশ ব্যাথা না পায়। কিন্তু মারা যাওয়ার পর যদি রুহ যদি শরীর থেকে বের হয়ে যায় তবে ব্যাথা টা কেম্মে পায়?
আর পোস্ট মর্টামের সময় শরির যেভাবে ভাংগা এবং ছিড়া হয় এটা কি জায়েজ? এতে কি লাশ ব্যাথা পায়? যদি জায়েজ না হয় তবে এতে গুনাহগার কে হবে?

1 Answer

0 votes
by (32.1k points)
বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-

প্রথমত-
মানুষ মারা যাবার পর ও লাশের সাথে রুহের একটা সম্পর্ক অবশিষ্ট থাকে।সেজন্য বলা হয় লাশের পাশে কন্দন করলে লাশ কষ্ট পায়।মূলত রুহ কষ্ট পায় ।

তাছাড়া মানুষ সম্মানী।এবং মানুষের সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও সম্মানী।যেজন্য নক,চুল ইত্যাদিকে মাটিতে পুতে রাখতে হয়।

সুতরাং লাশও সম্মানী।বিধায় লাশকে স্বযত্নে নাড়াচাড়া করতে হবে।যেভাবে কাউকে জীবিত অবস্থায় আদর যত্নসহকারে নাড়াচাড়া করা হয় ঠিক সেভাবে কাউকে মৃত্যুর পরও যত্নসহকারে নাড়াচাড়া করতে হবে।

যেহেতু লাশ সম্মানী।তাই মৃত্যুর পর সেই লাশকে কাটাচেড়া করা যাবে না।জায়েয হবে না।এটা স্পষ্টত নাজায়েয ও হারাম।

(শুধুমাত্র মেডিকেল শিক্ষার্থীদের শিক্ষার স্বার্থে প্রত্যেক মেডিকেল কলেজে একটি লাশকে পোস্টমর্টেম করার রুখসত ফুকাহায়ে কিরাম দিয়েছেন।)

এর গুনাহ অনেকের উপরই বর্তাবে।

প্রথমত তার উপর বর্তাবে যে এই পেশায় নিয়োজিত। কেননা সে কেন এ হারাম পেশা কে পরিহার করে অন্য কোনো হালাল পেশাকে অবলম্বন করছে না।

দ্বিতীয়ত ঐ ব্যক্তি বা সরকার প্রদান এর উপর বর্তাবে, যারা এই ঘৃণ্য ও গর্হিত কাজের বিল পাশ করেছে।

তৃতীয়ত ঐ সরকার প্রধান এর উপর বর্তাবে,যারা বর্তমানে ক্ষমতায় আছে।কিন্তু এটাকে বাতিল করছে না।

চতুর্থত দেশের সমস্ত মুসলমানদের উপর বর্তাবে, তারা কেন এই বিলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছে না।এবং কেন তারা এখনও ইসলামি খেলাফতের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না।মূলত এ সমস্ত অনৈসলামিক কাজকে রোদ করতেই ইসলামি খেলাফতের প্রয়োজন।

ইসলামি খেলাফতের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন-৩৫৬

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

...